‘গরবিনী মা সম্মাননা’ পাচ্ছেন বিপাশা নাতাশার মা

অভি মঈনুদ্দীন

মে মাসের দ্বিতীয় রোববার ১৪ মে, ২০১৭। আর এই দিনটিই আন্তর্জাতিক মা দিবস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবার। আন্তর্জাতিক মা দিবসে গুণী অভিনেত্রী ও চিত্রশিল্পী বিপাশা হায়াত ও অভিনেত্রী নাতাশা হায়াতের মা শিরীণ হায়াত ‘গরবিনী মা সম্মাননা’য় ভূষিত হতে যাচ্ছেন। রা

জধানীর মহাখালীতে অবস্থিত ‘ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল’র চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্তী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা: আশীষ কুমার চক্রবর্তীর উদ্যোগে এই নিয়ে চতুর্থবারের মতো ‘গরবিনী মা সম্মাননা’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই এই সম্মাননাটি বেশ আলোচনায় এসেছে এবং গ্রহণযোগ্যতাও পেয়েছে।

আগামী ১৪ মে রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত রাওয়া কনভেনশন হবে বেলা ২টায় বিপাশা ও নাতাশার মা শিরীণ হায়াতের হাতে ‘গরবিনী মা সম্মাননা’ তুলে দিবেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সম্মাননা অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্যোক্তা ডা: আশীষ কুমার চক্রবর্তী।

নিজের সন্তানের কারণে স্ত্রীর ‘গরবিনী মা সম্মাননা’ পাওয়া প্রসঙ্গে বিপাশা ও নাতাশা’র বাবা একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা আবুল হায়াত বলেন, ‘সন্তান যখন তার কাজের মাধ্যমে পিতা-মাতাকে ছাড়িয়ে যায় তখন পিতা-মাতার কাছে বিষয়টি অনেক গর্বের হয়ে উঠে। একজন মা শুধু সন্তানকে জন্মই দেন না, তাকে লালনপালনসহ জীবনের সঠিক পথে চলার দিকনির্দেশনাও দেন। আমার স্ত্রীও তা-ই করেছে। বাবা হিসেবে আমি সেভাবে সময় দিতে পারিনি। আমার স্ত্রীর মতো এমন আরো অনেক সফল মা আছেন। তাদের মধ্য থেকে আমার স্ত্রীকে গরবিনী মা সম্মাননার জন্য নির্বাচিত করায় আমি গর্বিত এবং আনন্দিত।’

বিপাশা হায়াত বলেন,‘শিল্পের পথে আমি এখনো একজন যোদ্ধা। যুদ্ধ করে করে আমি সামনের দিকে এগিয়ে চলছি। আর এই যোদ্ধা হতে শিখিয়েছেন আমার মা। ভালো যা কিছু তেমন সবকিছুর সঙ্গেই আমার মা থাকতে বলেছেন সবসময়। আমি মনেকরি আমার যা কিছু খারাপ সব আমার, আর যা কিছু ভালো সবকিছুই আমার মা-বাবার দেয়া। আমার ভাবনা এমন যে, আমি এখনো তেমন কিছুই হতে পারিনি। কিন্তু তার পরেও আমার মাকে যারা গরবিনী মা হিসেবে সম্মাননা দিচ্ছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ আমি। সেইসাথে আমার মাকে স্যালুট জানাই প্রতি মুহূর্তে যে তিনি আমাকে যোদ্ধা হতে উদ্বুদ্ধ করেছেন, সাহস দিয়েছেন।’

এ দিকে বিপাশা হায়াতের মা শিরীণ হায়াত বর্তমানে ভুটানে আছেন। সেখান থেকে তিনি আসছে ১২ মে ঢাকায় ফিরবেন।

‘গরবিনী মা সম্মাননা’ প্রসঙ্গে এর প্রধান উদ্যোক্তা ডা: আশীষ কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘খুব অল্প সময়ের মধ্যে গরবিনী মা সম্মাননা আলাদা গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। নানান ক্ষেত্রে সফল মানুষদের গর্বিত মা’দের আমরা এই সম্মাননা দিয়ে থাকি। আমাদের এই আন্তরিক চেষ্টা ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে সবার অনুপ্রেরণায় এবং অংশগ্রহণে।’

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.