ঢাকা, শনিবার,২২ জুলাই ২০১৭

সাতরঙ

কোঁকড়ানো চুলের যতœ

রূপ কথা

ফাহমিদা জাবীন

০৯ মে ২০১৭,মঙ্গলবার, ০০:০০


প্রিন্ট
কোঁকড়ানো চুলের আলাদা একটা সৌন্দর্য আছে। অনেকে প্রকৃতিগতভাবে কোঁকড়ানো চুলের অধিকারী, আবার কোঁকড়ানো চুল পছন্দ করেন কিন্তু চুল কার্লি নয়। প্রযুক্তির বদৌলতে তারাও পেয়ে যান সুন্দর কোঁকড়ানো চুল।
চুল কার্ল করানোর আগে ও পরে কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেবেন, যাতে পরে কোঁকড়ানো চুল নিয়ে সমস্যায় পড়তে না হয়। কার্ল করানোর সময় কিছু বিষয় মনে রাখা প্রয়োজনÑ
কার্ল করানোর ঠিক সাত দিন আগে থেকে প্রতিদিন গোসলের এক ঘণ্টা আগে আপনার পছন্দমতো তেল মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত সারা চুলে ভালোভাবে তেল লাগাবেন।
যাদের চুল পাতলা, তারা যথাসম্ভব কার্ল কম করবেন।
বছরে দুইবারের বেশি কার্ল করবেন না। এ ছাড়া সমস্ত চুল কার্ল না করিয়ে শুধু সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য যেটুকু দরকার অর্থাৎ ঘাড়ের পেছনে বা দুই পাশের চুলÑ এভাবে কার্ল করাতে পারেন।
চুল কার্ল করানোর পর নিয়মিত কন্ডিশনার ও শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে।
চুল কার্ল করার ওপর নির্ভর করছে আপনি কেমন কার্লিং মেশিন ব্যবহার করবেন। যদি হালকা কার্ল চান তাহলে ছোট মেশিনই যথেষ্ট। আর ঘন শক্ত কার্ল চাইলে বড় মেশিন প্রয়োজন।
কার্ল করার আগে অবশ্যই দেখে নিতে হবে কোন সাইজটি আপনার জন্য প্রয়োজন। অর্থাৎ আপনার চেহারা, স্বাস্থ্য, হাইটÑ এসবের সাথে মিল রেখে কার্ল করতে হবে।
হিট একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কার্লিং বা আয়রনিং করার জন্য। খুব বেশি গরম বা ঠাণ্ডা বাতাস দেয়, এমন মেশিন ব্যবহার করা ঠিক হবে না। আপনার পছন্দের কার্লিং করার জন্য যে তাপমাত্রা সঠিক, সেই তাপমাত্রাই নির্ধারণ করুন। মেশিনের সাথে থাকা নির্দেশনা দেখে সেটি ঠিক করে নিন।
কার্ল করার আগে চুলকে প্রস্তুত করে নেয়া জরুরি। এর জন্য কার্লিং সিরাম বা হেয়ার স্প্রে, যা আপনি ব্যবহার করেন সেটি সঠিকভাবে চুলে লাগিয়ে নিন।
কার্ল করার সময় রোলারে অল্প অল্প চুল নিয়ে কার্ল করুন। কারণ, একসাথে বেশি চুল নিলে ঠিকমতো কার্ল হয় না। ছোট ছোট ভাগে কার্ল করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।
চুল ভেজা থাকা অবস্থায় চুলে কার্লিং মেশিন ব্যবহার করবেন না। এতে চুলে সাইনি লুক আসার বদলে রুক্ষভাব এসে পড়বে। চুল ফেটে যাওয়ার আশঙ্কাও এতে বেড়ে যায়।
আপনার চুল যদি লম্বা হয় অথবা চুলে একটা বাউন্স আনতে চান, তাহলে কার্ল করার পর প্রতিটি কার্ল কিছু সময়ের জন্য পিন দিয়ে আটকে দিন। এতে চুলটা অনেকক্ষণ কোঁকড়ানো থাকবে।
যদি আপনি চুলের ভলিউম বেশি দেখাতে চান তাহলে সামনের দিক থেকে কার্ল করা শুরু করে ধাপে ধাপে পেছনের অংশে যান। এভাবে কার্ল করার পর চুলের ভলিউম বেড়ে যাবে।
কার্ল করার পর টেনে টেনে চুল আঁচড়াবেন না, বরং হালকাভাবে চিরুনি বুলিয়ে সেটিং ঠিক করে নিন।
চুলের কোঁকড়ানো ভাব বেশি সময় ধরে রাখতে চাইলে আগে চুল শ্যাম্পু করে রাখুন। শ্যাম্পু করার পর চুল বেশি সিল্কি থাকে, তাই কার্লিং ধরে রাখা কষ্টকর হয়ে পড়ে।
সব সময় একইভাবে কার্ল না করে বরং বিভিন্ন সময় ভিন্ন ডিজাইনে কার্ল করতে পারেন। এতে প্রতিবারই আপনার চেহারায় নতুন চমক আসবে।
ছবি : পারসোনার সৌজন্যে

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫