ঢাকা, বৃহস্পতিবার,১৪ ডিসেম্বর ২০১৭

উপসম্পাদকীয়

রাজনীতি, অর্থনীতি ও জীবনের পকেটমার

আলমগীর মহিউদ্দিন

০৮ মে ২০১৭,সোমবার, ২০:১৯


আলমগীর মহিউদ্দিন

আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রিন্ট

ঢাকা শহরে যাতায়াতের দুর্ভোগের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে বললে, এখন সব বাসই ‘লোকাল, প্রচণ্ড ভিড়। তাই সাবধান।’ যখন বাসে উঠবেন, দেখবেন কিছু সিট ফাঁকাই পড়ে আছে। তবে ভাবনা শেষ না হতেই দেখা যাবে, বাসটি শুধু ভর্তিই হবে না, মনে হবে- নিঃশ্বাস ফেলার অবস্থাও নেই। পাশে দাঁড়ানো যাত্রীকে জিজ্ঞেস করলাম, কত দূর যাবেন? বললেন, ‘বেশি দূর না, শাহবাগ পর্যন্ত। সাধারণত জ্যামটা এখানেই কমতে শুরু করে।’ তিনি দুঃখ করে বললেন, “ঢাকার বেশির ভাগ বাসের অবস্থা করুণ, সিটগুলো অপরিষ্কার ও ছোট। যেন দেড়জনের সিটে দু’জনকে বসতে হয়। দেখার কেউ নেই।”
ভুক্তভোগী বললেন, ফার্মগেটে নেমে পকেটে হাত দিতেই দেখি, পকেট ফাঁকা। আবার ভালো করে দেখলাম, না নেই কোনো টাকা। এর আগে ব্যাংক থেকে ধার নিয়েছি দোকান এবং অন্যান্য ধার শোধের জন্য। বেতন কয়েক মাস ধরে অনিয়মিত বলে এ ধার নেয়া। ছোট ছোট ধার শোধ করার পর সাড়ে ১৬ হাজার টাকা বেঁচেছিল। অবশিষ্টাংশ দিয়ে বেতন পাওয়া পর্যন্ত চালিয়ে নিতে পারবÑ তিনি বললেন।
‘আবার পকেটে হাত দিতেই দেখি, পকেটের কাছে লম্বা একটা ফাঁক। যেন অত্যন্ত যতœসহকারে কাঁচি বা কিছু দিয়ে কেটে দিয়েছে। সত্যি কথা বলতে কি, আমার কান্না পেল। এখন উপায় কী? কোথাও টাকা নেই। ব্যাংক ও বাসার পয়সা শেষ। ভাবতে লাগলাম, এই পকেটমার কোন জায়গায় হলো? মনে পড়ল, সেই চিঁড়ে-চ্যাপটা অবস্থায় এক যাত্রী রাজনীতির আলোচনা শুনে বলেছিলেন, ‘রাখেন ওসব। এখন হলো পকেটমারের দিন। সবাই এই পকেটমারি করছে।’
মনে পড়ল দুই যুগ আগের কথা। এমনই লোকাল বাসে উঠে একজনের পকেটমার হয়েছিল। তা নিয়ে হয়েছিল অনেক ঝক্কি। ভুল লোককে ধরে পেটাপিটি হয়েছিল।
গবেষণা শুরু করলাম, কেমন করে পকেটমার হয় এবং জনগণকে এ ব্যাপারে সাবধান কেমন করে করা যায়। এক অনুসন্ধানী রিপোর্টের মুখবন্ধের একটি মন্তব্য আমায় প্রায় অপ্রস্তুত করে দিলো। গবেষণাকারী বলেছেন, প্রাচীনতম পেশাগুলোর মধ্যে দু’টি পেশা- বেশ্যাবৃত্তি ও গাঁট কাটা (অথবা পকেটমার)। এগুলো সাধারণ মানুষকে স্পর্শ করে সবচেয়ে বেশি এবং তারাই এর সবচেয়ে বড় শিকার। মানুষের সাধারণ বাচনভঙ্গিতে বেশ্যাবৃত্তিকে ‘প্রাচীনতম’ পেশা বললেও গবেষক বলেছেন গাঁটকাটার ব্যাপকতা সবাইকে ছাড়িয়ে যায়। তিনি লিখেছেন, রাস্তাঘাটে কৌশলে সাধারণ মানুষের সম্পদ এভাবে হাতিয়ে নেয়া একই পর্যায়ের। এটা অর্থনৈতিক-বৈজ্ঞানিক গাঁটকাটা। সাধারণ পকেটমারা অজ্ঞাতে হয়, তবে বৈজ্ঞানিক-অর্থনৈতিক গাঁটকাটা প্রকাশ্যে ঘটে, মানুষকে অসহায় করে। যেমন- একজন ক্ষমতাসীন রাজনীতিবিদ বা সরকারি আমলা যে পকেট মারছেন বা গাঁট কাটছেন, এর ধরন সাধারণ পকেট মারার মতো নয়। তবে দু’টির ফল একই। সম্পদের মালিক তার জ্ঞাতসারে বা অজ্ঞাতে সম্পদ হারিয়ে ফেলছেন। আরো একটি স্থানে এ দুই শ্রেণীর মানুষ একবৃত্তে। সেটা হলো আইন ও এর প্রয়োগে। পকেটমার-গাঁটকাটা সম্পর্কে আইন দুর্বল এবং প্রয়োগ কঠিন। বিশেষ করে বৈজ্ঞানিক পন্থায় গাঁটকাটা।
বৈজ্ঞানিক বা অর্থনৈতিক পকেটমারা বা গাঁটকাটা বলার কারণ, এগুলো অনেক চিন্তাভাবনা করে আর্থিক সুবিধাগুলোকে অনৈতিকভাবে দখল করে বসে। এখানে অনেকাংশে রাষ্ট্র ও সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকে।
তবে মজার কথা, ইংল্যান্ডে এক সময় এমন কর্মের সাজা ছিল ফাঁসি। ১৫৬৫ খ্রিষ্টাব্দের ব্রিটিশ আইনে পকেট মারাকে ‘প্রধান অপরাধ’ (ক্যাপিটাল অফেন্স) বলে গণ্য করা হয়। তবে এ চুরির পরিমাণ ১২ পেনির বেশি হতে হতো। নতুবা শাস্তি মওকুফ হতো না (তখন ২৪০ পেনিতে এক পাউন্ড হতো)। তবে একটি শর্ত ছিল, কোর্ট কোনো মাতালের পকেটমারা হলে সে চোরকে শাস্তি দেয়া যাবে না। আর পকেট মারা হতে হবে অজ্ঞাতে। এর ফলে দেখা যায় ১৭৮০ এবং ১৮০৮ সালে মাত্র ৬ শতাংশ অপরাধীকে ফাঁসি দেয়া হয়। আরেকটি মজার বিষয় হলো, বেশ্যাবাড়িতে যদি কারো পকেটমারা হয় এবং কোনো দেহপসারিণী এর জন্য অভিযুক্ত হয়, কোর্ট সাধারণত এসব মামলা খারিজ করে দিতেন। কারণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেহপসারিণীর বিরুদ্ধে এ মামলা তার গ্রাহক করত এ অভিযোগ তুলে যে, তার মত্ত অবস্থায় তার পকেটমারা হয়েছে। কোর্ট মদ, মাদকতা, বেশ্যাবৃত্তি- এ তিনটির নিন্দা করে মামলা খারিজ করে দিত। আবার এই পকেটমারাকে রোমান্টিকতার আবরণ পশ্চিমা দেশে দেয়া হয়েছে। যেমন- রঙ্গমঞ্চে জাদুকর দর্শকের টাকা নিয়ে বাতাসে মিলিয়ে দিত। দর্শক কদাচিৎ এর প্রতিবাদ করত। এমন একজন জাদুকর ছিলেন ‘বোরা’। ১৯৫০-এর দিকে আবির্ভূত হয়ে ‘পকেটমারের রাজা’ (কিং অব পিকপকেট) হিসেবে ৬০ বছর এই ভোজবাজি সে চালিয়ে যায়। তার সন্তান চার্লিকে ‘পকেটমার রাজপুত্র’ টাইটেল দেয়া হয়। বিখ্যাত ছবি অলিভার টুইস্টের ছবিটির মূল নায়কও ছিল পকেটমার। তেমনি বিখ্যাত পকেটমার ছিল আইরিশ দেহপসারিণী শিকাগো মে, এলিজাবেথ যুগের কাটিং বেল। এদের নিয়ে অষ্টাদশ শতাব্দীর পত্রপত্রিকায় অনেক মাতামাতি হয়েছে।
পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে এই পকেটমারার রোমান্টিকতা সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। মোহন কুমারের গল্প সবার মুখে মুখে। সে তার দল নিয়ে ‘ফুলে’ (তাদের নির্ধারিত মিলনস্থল) বসে শহর ভাগ করে নিয়ে তাদের কর্মকাণ্ড চালাত। এতে আইনসংশ্লিষ্ট লোকদের যোগসাজশের খবর সবার জানা। নয়াদিল্লিতে পকেটমারেরা ছয় ভাগে বর্ণিত হয়। প্রথমে মেশিন, যে হলো দলের নেতা; দ্বিতীয় ঠকবাজ, যে নেতাকে সাহায্য করে; পাপলু, যে পকেটমারের লক্ষ্য; চতুর্থ ফুল, যেখানে তারা মিলিত হয়ে পরিকল্পনা করে; পঞ্চম, বাতের, মানে পেছনের পকেট; এবং সর্বশেষ ছত্তি, সামনের পকেট।’ গ্যাংয়ের কেউ বলল ‘বাতের’। অন্যরা ঠিক সেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে পেছনের পকেটের দিকে আক্রমণ চালাবে। তারা নানা ড্রামা করে পকেট মারে। যেমন হঠাৎ তাদের মাঝে মারামারি শুরু হলে প্রার্থিত শিকার সে মারামারি থামাতে এলে, তার পেছনের পকেটের ওয়ালেটটা নিয়ে নেয়; অথবা হঠাৎ রাস্তায় একজন ‘মাথা ঘুরে’ পড়ে যাওয়ার অভিনয় করে দৃষ্টি ফেরানোর চেষ্টা চালায়। পাশে বসে মিষ্টি আলোচনায় মগ্ন করে অথবা সাহায্য করার ছলে পকেটমারা হয়। অর্থাৎ দৃষ্টি ফেরানোর সব পদক্ষেপ নেয়া হয়ে থাকে। তবে ধরা পড়লেও ভয় নেই। গ্যাংয়ের সহকর্মীরা তাকে ছিনিয়ে নেবে, এমনকি যারা ধরবে তাদের ওপর চড়াও হবে।
আসলে পকেটমারের এই বিচিত্র স্তর এবং পদ্ধতি আশ্চর্যজনকভাবে বিশ্বের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে মিলে যায়; বিশেষ করে রাজনীতির সাথে। সংখ্যালঘু এক গোষ্ঠীবদ্ধ দল জনগণের সব অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করার নামে পকেটমারের মতো সবার অলক্ষ্যে এবং কখনো কখনো সম্মতি নিয়ে হরণ করছে, আর নিজের স্বার্থে ব্যবহার করছে।
পকেটমার কি শুধু বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বেই আছে? না, এরা সর্বকালীন ও সর্বত্র। রিপ অ্যাডভাইজার তার এক গবেষণায় দেখিয়েছেন, পশ্চিমা বিশ্বের ১০টি শহরে পকেটমার সম্পর্কে সবচেয়ে সতর্ক থাকতে হবে। ১০টি শহরই হলো পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় ও কেনাকাটায় ভালো। এগুলোর শীর্ষে স্পেনের বার্সেলোনা। এই শহরের লা রামব্লাসের পথ দিয়ে হাঁটাও একটা অপূর্ব অভিজ্ঞতা। এরপর সমুদ্র তীর, যেখানে কলম্বাসের জাহাজ আছে এবং এখানে পদে পদে জিনিস হারিয়ে যায়। বিশ্বে পকেটমারের দ্বিতীয় রাজধানী হলো রোম। যখন আমরা সেমিনার শেষে শহর দেখতে বেরোব, ডিরেক্টর ভিয়ানে বললেন, ‘সাবধানে চলবেন, এখানে প্রচুর পকেটমার। বিশেষ করে ক্যামেরা সাবধান।’ ঐতিহাসিক সুন্দর দালান প্রতিটি রাস্তাকে মনোমুগ্ধকর করে রেখেছে। বিশেষ করে ট্রেভি ফাউন্টেন বা পান্থেয়নে একবার করে সবাই যায়। ফাউন্টেনের চাতুর্দিকে লোক বসে, ছবি তোলে। আমার মার্কিন সহকর্মীর দু’টি ক্যামেরা। একটিতে ছবি তুলে, ফাউন্টেনের সামনে রেখে আরেকটা দিয়ে অপর দিকে ছবি তুলতে গেছে। সে ঘাড় ফিরিয়ে দেখে ক্যামেরা নেই। চেক রিপাবলিকের রাজধানী প্রাগে বা প্রাহায় প্রাচীনকালের নিদর্শনগুলো সব পর্যটকের কাছেই আকর্ষণ। বিশেষ করে চার্লস ব্রিজের আশপাশে। কোনো কোনো সময় যেন হাঁটার স্থানও পাওয়া যায় না। হঠাৎ এক মহিলা ভিজিটর চিৎকার দিলেন, আমার পার্সটা কে ছিনিয়ে নিলো? আমাদের গাইড আগেই বলেছিলেন, এখানে পার্স ও ছোট ব্যাগ ছিনতাই হয় বেশি। বিশ্বে মুসলমানেরা ১৪৯২ সালে স্পেনে পরাজয়ের পরে আর কখনো জিততে পারেনি- বলেছিলেন আমাদের স্কুলের ইতিহাসের শিক্ষক। জিজ্ঞেস করেছিলাম- কেন? তিনি বলেছিলেন, বড় হয়ে এর জবাব নিজেই খুঁজে বের করো। তাই স্পেনে যাওয়া। প্রথমেই মাদ্রিদ। ডিরেক্টর ভিয়েনের উপদেশ- ‘যেখানেই যাও, সাবধান। বিশেষ করে মিউজিয়ামগুলোতে।’ মাদ্রিদের রাস্তাগুলোতে শুধু ইতিহাসই চোখে পড়ে। সন্ধ্যায় সবাই একত্র হলে দেখতাম, কেউ না কেউ কিছু হারিয়েছে। মাদ্রিদকে চতুর্থ স্থানে রাখে বিশ্বের পকেটমাররা। আর পঞ্চম স্থান হলো প্যারিস। এ শহরের পরতে পরতে দর্শনীয় স্থান। সাঁজেলিজে, সাক্রেকুর অথবা আইফেল টাওয়ারে যাননি, এমন পর্যটক পাওয়া ভার। তা ছাড়া প্যারিসের মেট্রো বিশ্ববিখ্যাত এবং ভিড় ঢাকার লোকাল বাসের মতো, যেখানে জিনিস খোয়া যাওয়া স্বাভাবিক। ইতালির ফ্লোরেন্সে মাইকেল অ্যাঞ্জেলর অপূর্ব সৃষ্টি দেখেনি, ভাবাই যায় না। তেমনি বহু কাজ সর্বত্র ছড়িয়ে। তাই পকেটমাররা এ শহরকে বিশ্বে তাদের কর্মকাণ্ডের ষষ্ঠ স্থান করেছে। সপ্তম স্থানে আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েন্সআয়ার্স। টিয়াত্রো কোলনে গানবাজনা শুনছেন, এমন সময় ওপর থেকে গুঁড়ো গুঁড়ো কী যেন পড়ছে। দেখতে গেলেন। পাশের একজন সাহায্য করতে এলো, একটা রুমাল দিয়ে। ঝেড়েপুছে আবার হাঁটছেন, পেছনে হাত দিয়ে দেখেন, ওয়ালেটটা নেই। হল্যান্ডের সমুদ্র তীরের রাজধানী আমস্টারডামের আকর্ষণ প্রচুর। ডিক্টোরিয়া ঘুরছি, দেখিÑ কিছু মানুষ নোয়াখালীর ভাষায় কথা বলছে। জানলাম, তারা নিউ ইয়র্ক থেকে জাহাজে এসেছে। সেখানে খাওয়ার সময় একজন বলল, সামান্য অন্যমনস্কের কারণে আমার ব্যাগটা হারিয়েছি। এখানে নৌকায় ভ্রমণ একটা অপূর্ব অভিজ্ঞতা। নবম স্থান গ্রিসের এথেন্স নগরী। সর্বত্রই ছড়িয়ে আছে ইতিহাসের স্বাক্ষর। পর্যটকের ভিড়ও প্রচুর এবং পাশেই ঘোরাফেরা করে পকেটমাররা। অ্যাক্রোপলিস ও পার্থেয়ন বিশ্ববিখ্যাত আকর্ষণ। গবেষকেরা এশিয়ার একটিমাত্র শহরকে এই ১০টির মধ্যে স্থান দিয়েছেন, তা হলো হ্যানয়। ভিয়েতনামের রাজধানী এখন প্রচুর পর্যটক টানছে এবং তার সাথে প্রতারকদেরও।
এই তালিকার বাইরের তথ্যগুলোও হতবাক করে দেয়। যেমন সুইডেনের ক্রাইম প্রিভেনশন কাউন্সিল বলেছে, একমাত্র স্টকহোমেই ২৫ হাজার পকেটমার রয়েছে। রাশিয়ার সাবেক লেনিনগ্রাদ বা সেন্ট পিটার্সবার্গকে পকেটমারের আশ্রয়স্থল বলা হয়। তারা এত দ্রুত সঞ্চারণশীল যে, সরকারি বাহিনীও তাদের গতির সাথে তাল মেলাতে পারে না।
এ কারণেই সুইডিশ পত্রিকা সেভেনস্কো ডাগব্লাডেট মন্তব্য করেছে, এ কর্মকাণ্ড (পকেটমারা) কখনোই নির্মূল করা সম্ভব নয় এবং অন্যান্য গাঁটকাটাও। এর অন্যতম উৎস এবং উৎসাহ আসে তাদের কাছ থেকে, যাদের কখনোই সাধারণ মানুষ স্পর্শ করতে পারবে না। তাদের দয়ার ওপর তাই বাঁচতে হবে। পকেটমারাকে তাই আজকের জীবনের অঙ্গ মনে করতে হবে। মনে হয়, আজকের যুগে পকেটমারের কর্মকাণ্ড শুধু অর্থনীতি ও রাজনীতিকেই ছুঁয়ে যায়নি, সামাজিক বন্ধনে জড়িয়ে জীবনকেও নিয়ন্ত্রণ করছে। 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫