ঢাকা, সোমবার,২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭

আগডুম বাগডুম

গাছের নাম প্যাপিরাস

কামাল হোসাইন

০৬ মে ২০১৭,শনিবার, ০০:০০


প্রিন্ট

এক রকম গাছ আছে, নাম প্যাপিরাস। এই গাছের কাণ্ড থেকে প্রাচীন মিসরীয়রা এক ধরনের কাগজ উৎপাদন করত। তারা এই গাছের কাণ্ডকে লম্বা লম্বা পাতের মতো করে কেটে নিত। প্যাপিরাস গাছের একেবারে মাঝখানের পাতটি সবচেয়ে বেশি মূল্যমানের। এসব পাত পাশাপাশি এমনভাবে শুইয়ে দেয়া হতো যে, এদের একটির কিনার অপরটির কিনারের ওপর খানিকটা লেপটে থাকত। আরো কিছু পাত এদের সাথে আড়াআড়ি করে রাখা হতো। এরপর এদের নীল নদের পানি ও গমের ময়দার আঠায় জুড়ে দেয়া হতো। এরপর শিটগুলো হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে চ্যাপ্টা করে রোদে শুকানো হতো। এ গাছটি ১ থেকে ৩ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। প্যাপিরাস গাছের কাণ্ড অত্যন্ত নরম এবং গোড়ার দিকে মানুষের হাতের কব্জির মতো মোটা। চূড়ার দিকে কাণ্ডটি ঝুঁকে থাকে। এ গাছের ডাল দেখতে অনেকটা কোঁকড়ানো খসখসে চুলের মতো। পাতা ছোট, মূল শক্ত-সবল। মিসরীয়রা প্যাপিরাস গাছের সরু-লম্বা ডাঁটি দিয়ে মাদুর ও নৌকার পাল বানাত। কাণ্ডের ভেতরে অবস্থিত মজ্জা শুকিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। গরিব মানুষ প্যাপিরাস গাছের মজ্জা সিদ্ধ করে ুধা নিবারণ করত। ইথিওপিয়া ও নীল নদের উজানে এখনো এই গাছ দেখা যায়। আগে নীল নদের বদ্বীপ এলাকায় ব্যাপকভাবে এই গাছের চাষ হতো, এখন আর তেমন চাষ হয় না।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫