ঢাকা, বুধবার,২৪ মে ২০১৭

পাঠক গ্যালারি

ঢাকায় যেভাবে ঢেকে আছি

জয়নুল আবেদীন

২৯ এপ্রিল ২০১৭,শনিবার, ১৯:২০ | আপডেট: ২৯ এপ্রিল ২০১৭,শনিবার, ১৯:৩০


প্রিন্ট

ঘটনাক্রমে ১ এপ্রিল ৬ নম্বর লোকাল বাসে চড়ে শহর দেখার সুযোগ হয়েছিল। অনেক দিন পর ঘুরে ঘুরে শহর দেখার মজাই আলাদা। রাজধানীতে বাসে চলাচলকারী লোকজনের যে মজা নিত্যদিনের সে মজা হঠাৎ অর্জন হওয়ায়, ‘ঢাকা শহর দেইখা আমার আশা পুরাইলো’ শিরোনামে একটি ভ্রমণকাহিনী লেখার মনস্থির করেছিলাম। ভ্রমণকাহিনী চূড়ান্ত করার আগেই শুরু হয় সিটিং সার্ভিস বন্ধের কাহিনী।
২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ক্যামব্রিয়ান কলেজের প্রিয় শিক্ষক অধ্যাপক তৃপ্তি শঙ্কর তালুকদার কলেজ থেকে ১০-১৫ গজ দূরে বাস থেকে নেমে ফুটপাথ দিয়ে হাঁটছিলেন। ৬ নম্বর রুটের দু’টি বাস পাল্লা দিয়ে চলছিল। পেছনের বাসটি সামনের বাসকে সজোরে ধাক্কা দেয়। প্রচণ্ড ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। খবর পেয়ে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে পৌঁছার আগেই তার মুত্যু হয়। তিনি রেখে যান স্ত্রী ও দুই শিশুসন্তান। ‘সড়ক দুর্ঘটনা, মৃত্যুর মিছিল থামছে না, গতকাল আটজনসহ ৭০ দিনে নিহত ৬১৯’ (প্রথম আলো ২২ এপ্রিল)। ঢাকা ট্রিবিউনে প্রকাশিত অপর এক তথ্য থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালে দেশে মোট সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা দুই হাজার ৯৯৮, নিহতের সংখ্যা তিন হাজার ৪১২ এবং আহত আট হাজার ৫৭২।
সিটিং সার্ভিস বন্ধের কাহিনী নিয়ে ১৮ থেকে ২১ এপ্রিল ৪ দিনে চারটি দৈনিকের প্রধান শিরোনাম ছিল, ‘১৬ এপ্রিল থেকে সিটিং সার্ভিস বন্ধে বিআরটিএ অভিযান শুরু’, ‘সিটিং সার্ভিস বন্ধ হলেও ভাড়া কমেনি, বেড়েছে দুর্ভোগ’, ‘যাত্রীরা পদে পদে ঠকছে যখন-তখন বাস বন্ধ। মোটরযান আইন মানছে না কেউ। বাস-মিনিবাসে নৈরাজ্য মানুষের চরম দুর্ভোগ’, ‘সিটিং বন্ধ, চিটিংয়ে চলছে বাস, আগের ভাড়াই আদায়, ভোগান্তির শেষ নেই’, ‘নারী যাত্রীর ভোগান্তি চরমে’, ‘ভেঙে পড়েছে গণপরিবহন, লোকাল বাসেও সিটিং ভাড়া, নামকাওয়াস্তে মোবাইল কোর্ট’, ‘গাড়ির সঙ্গে জড়িতরা সামান্য লোক নন’, ‘সিটিং সার্ভিস বন্ধে গলদঘর্ম সরকার, সমিতির সিদ্ধান্ত মানছে না মালিকেরা, জনভোগান্তির নেপথ্যে সরকারি দলের নেতারা’, ‘বাসভাড়া নিয়ে অরাজকতা’,‘তৃতীয় দিনে ভেঙে পড়েছে গণপরিবহন ব্যবস্থা, ভাড়াটে মস্তান দিয়ে যাত্রী শায়েস্তা’, ‘সিটিং সার্ভিস চলবে, অভিযান স্থগিত, জন দুর্ভোগের জন্য দায়ী কারা,’ ‘কারসাজিতে নতিস্বীকার, যাত্রীদের ভুগিয়ে ফের সেই সিটিং সার্ভিস,’ সিটিং সার্ভিস বন্ধে পিছু হটল সরকার’, ‘ফের চালু সিটিং সার্ভিস, হারল সরকার জিতল দুই মন্ত্রী’।
পরিবহন খাতে জড়িত জনসংখ্যার চেয়ে রাজধানীতে বাসে চলাচলকারী জনসংখ্যা অনেক বেশি। এরপরেও পরিবহন খাতের হাতে যাত্রীসাধারণ জিম্মি। বিপুল জনসমষ্টির কথা ভেবেই ‘সিটিং সার্ভিস বন্ধ’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে একবারও কেন আঁচ করতে পারেনি পরিবহন খাতে জড়িত রয়েছে অসামান্য লোক এবং নেপথ্যে রয়েছে তাদেরই কারসাজি। ফলে জিম্মিদশা থেকে বিপুল জনসমষ্টিকে উদ্ধারের কথা ভাবতে গিয়েও থামতে হয়েছে। নতিস্বীকার করে পিছু হটল সরকার, ফের চালু ‘সিটিং সার্ভিস’। সরকারের এই ব্যর্থতা আরো ভয়াবহতার দিকে নিয়ে যেতে পারে বাসে চলাচলকারী বিপুল জনসমষ্টির দুর্ভোগকে।
১ এপ্রিল দুপুর ১২টা। গুলিস্তান বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে দাঁড়িয়ে সিটিং বাস খুঁজছিলাম। একজনকে জিজ্ঞেস করতেই, ‘আরে ভাই, আল্লাহর নাম লয়ে একটায় ঢুকে পড়েন, একসময় মহাখালী নামিয়ে দিতে পারলেই হলো’। সিদ্ধান্ত ঠিক করার আগেই পেছন দিক থেকে ছয়-সাতজন যাত্রীসহ সাঁ করে একটি বাস এসে থামে। মনের মতো সিট নিয়ে বসে পড়ি। অনেক বছর পর রাজধানীতে চলাচলকারী বাসে চড়েছি। আরাম করে বসেই পর্যটকের দৃষ্টিতে নতুন করে ঢাকা শহর দেখতে শুরু করি। ডান দিকে জিপিও সামনে ট্রাফিক সিগন্যাল। ডান দিক দিয়ে কয়েকটি গাড়ি দ্রুত গতিতে সিগন্যাল পার হয়ে গেল। আমাদের গাড়ি ইচ্ছে করেই যেন সিগন্যাল পার হওয়ার প্রথম সুযোগটা মিস করল। সিগন্যাল পার হয়েই থেমে যায় বাম দিকে। হেল্পার হাত তুলে যাত্রী ডাকতে শুরু করে। আমাদের ডান দিক দিয়ে অন্যান্য গাড়ি যখন পার হতে থাকে তখন আমি সেক্রেটারিয়েট এলাকায় নির্মাণাধীন একটি আলিশান বিল্ডিংযের নির্মাণশৈলীর দিকে তাকিয়ে। যাত্রী ওঠানোর ক্ষুধা অপূর্ণ রেখে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে সামনে বাড়তে না বাড়তেই আবার ট্রাফিক সিগন্যাল। ৩০ মিনিটে আমরা মুক্তাঙ্গন বরাবর।
ভাড়া নিতে আসেন কন্ডাকটর। ‘আমি মহাখালী যাবো’ শুনেই বিস্ময় ও অবিশ্বাস নিয়ে আমার দিকে তাকায়। অবিশ্বাস এ কারণে যে, ধৈর্য হারা হয়ে আমি কোনো একসময় গাড়ি থেকে নেমে পড়ব। তাই, আগে-ভাগে ভাড়াটা হাতিয়ে নিতে চায়। ভাড়া নিয়ে যখন কথা চলছে তখন আমরা তৃতীয় সিগন্যালের সামনে। পল্টনের ট্রাফিক সিগন্যাল পার হয়ে কাকরাইলের এখানে এসে মোড় নেয় উত্তর দিকে। ঢাকার হৃৎপিণ্ড ও ‘যানজটের জননী’ সামনেই। মালিবাগ ছেড়ে মৌচাকের দিক মোড় ঘুরে সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোড। রোড নয়, যেন প্রবল বর্ষণের পর গাঁও-গেরামের ডোবা-নালা ও খানাখন্দ। সরু সার্কুলার রোডের দুই পাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে নির্মাণসামগ্রীর ভাগাড়। ক্ষণে ক্ষণে গাড়ির চাকা দ্রিম করে নেমে যায় খাদে। ফাস্ট গিয়ারে গিয়ে গোঁৎ গোঁৎ শব্দে আবার উঠে আসে। ওঠা-নামার প্রচণ্ড ঝাঁকুনি এসে লাগে যাত্রীর শরীরে। কোমর পরিমাণ গর্তে নেমে কেউ বালতি দিয়ে পানি সরাচ্ছে, কেউ রডের কাজ করছে, যাত্রী নিয়ে কেউ রিকশা টানছে। রিকশা থেকে পড়ে গিয়ে কাদামাখা পরিচ্ছদ নিয়ে নাজেহাল কেউ কেউ। কোথাও বাঁশের বেড়া, কোথাও আকাশের দিকে মুখব্যাদান করে রয়েছে অসমাপ্ত উড়াল সড়কের মাথা। ফাঁকে ফাঁকে কসরত করে হাঁটছে পথচারী। মৌচাকের এক জায়গায় এসে গাড়ি খালি হয়ে যায়।
সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় রয়েছে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। পাশে ঝুলছে ফ্যাশন চক্ষু হাসপাতাল ও জাতীয় আইন কলেজের সাইনবোর্ড। দুই পাশে অনেক বিপণিবিতানসহ কয়েক শ’ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। একসময়ের কাস্টমারমুখর এলাকা। এলাকাটি এখন লোহা-লক্কড়ের ভারে ভারাক্রান্ত। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যানজটের জননীকে যানজটমুক্ত করার লক্ষ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠান তিন ভাগ করে কাজ শুরু করেছে। এলাকায় রয়েছে বিভিন্ন সেবাদানকারী সংস্থার ভূ-গর্ভস্থ অবকাঠামো, যার মধ্যে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও স্যুয়ারেজ লাইন স্থানান্তরযোগ্য না হওয়ায় প্রতিটি ফাউন্ডেশনের পৃথক নকশা প্রণয়ন, পাইল সংখ্যা ও পাইল ক্যাপের আকার। বিভিন্ন সেবা সংস্থার সাথে সমন্বয় করে ফ্লাইওভার করতে গিয়ে বাড়ছে নির্মাণব্যয়। ফলে, মৌচাক মোড়, মালিবাগ মোড়, শান্তিনগর ও রাজারবাগ পুলিশ লাইনে এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪ কিলোমিটার। মূল চুক্তিতে নির্মাণব্যয় ধরা হয়েছিল ৩৪৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫২ কোটি ১০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। বাংলামোটর থেকে মগবাজার মোড় হয়ে মৌচাক পর্যন্ত ২.২১ কিলোমিটার। মূল চুক্তিতে নির্মাণব্যয় ধরা হয়েছিল ১৯৯ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা। সাতরাস্তা মোড় থেকে এফডিসি মোড় সোনারগাঁও রেলক্রসিং হয়ে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল পর্যন্ত ২.৫৬ কিলোমিটার। নির্মাণব্যয় ধরা হয়েছিল ২১২ কোটি ২৫ লাখ টাকা। নির্মাণব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬৭ কোটি ৬৬ লাখ ৮৮ টাকা।
মগবাজার চৌরাস্তা পার হয়ে বাস চলছে কাওরান বাজারের দিকে। রকমারি মোটর পার্টসের দোকান শেষে সামনে বাম দিকে রূপায়ণ হাউজিংএস্টেটের নির্মিত সুরম্য ট্রেড সেন্টার। আমরা এখন ফার্মগেটের পথে।
সামনে ডান দিকে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁ হোটেল। এরপরেই সার্ক ফোয়ারা ও চৌরাস্তা ট্রাফিক সিগন্যাল। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলতে গিয়ে আবারো মিস করে ফেলে একটা সিগন্যাল। এখানে একটা সিগন্যাল মিস করা মানে ঘড়ির কাঁটা ৮-১০ মিনিট এগিয়ে যাওয়া। ফোয়ারা ও সিগন্যাল পার হয়ে পায়ে চলার পথের পাশ ঘেঁষে অপরাপর যানের পেছনে থেকে টেনে টেনে যাত্রী নিতে নিতে হাজির হয় ফার্মগেট। ফার্মগেট পৌঁছে বাম দিকের মোড়ে থামতেই আবার খালি হয়ে যায় বাস। নতুন করে যাত্রী উঠতে শুরু করে। যাত্রীদের সাথে শসা, গাজর, চিপস ও নানা রকম পানীয় নিয়ে উঠতে শুরু করে ফেরিওয়ালা। ১০-১৫ মিনিট হাঁকাহাঁকি করে অর্ধেক সিট খালি রেখে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলতে শুরু করে বিজয় সরণির দিকে। কিছু দূর যেতেই শুরু হয় জ্যাম। এর প্রধান কারণ শ’ শ’ প্রাইভেট কার। রাস্তার দুই পাশের প্রাইভেট কারের বহর দেখে কাউকে বিশ্বাস করানো যাবে না, বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের শ্রেণিভুক্ত। বাস যখন মহাখালী ব্রিজের কাছে তখন বেলা ২টা। এখান থেকে মহাখালী ওয়ারলেস গেটের পাশ দিয়ে ১ নং গুলশান। তারপর গুলশান-২ হয়ে নতুন বাজার গিয়ে সমাপ্তি।
যারা আমার মতো কম খরচে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাড়িতে বসে, ‘ঢাকা শহর দেইখা আশা’ পুরাইতে চায় তাদের কথা আলাদা। কিন্তু রাজধানীতে বাসে চলাচলকারী বিপুল জনসমষ্টি যাদের চলতে হয় ঘড়ির কাঁটায় চোখ রেখে, তাদের জন্য রাজধানীর পরিবহন সেক্টর যেন শাঁখের করাত।
২১ এপ্রিল প্রথম আলোর সম্পাদকীয় স্তম্ভের একাংশ, ‘আমাদের রাজধানীর পরিবহনসেবা ভালো নয়। প্রতিদিন অজস্র মানুষকে বাস-মিনিবাসে গাদাগাদি করে চলাফেরা করতে হয়। পরিবহনসেবা বলে কোনো সেবার অস্তিত্ব এখানে নেই। উপরন্তু যাত্রীদের কাছ থেকে ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করার অভিযোগ অনেক পুরানো। তথাকথিত সিটিং সার্ভিস বাড়তি ভাড়া আদায়েরই একটা কারসাজি। এই পরিস্থিতিতে সরকারকে আবশ্যই দৃঢ়তার সঙ্গে সব কিছু শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে। দূরত্বের হিসাবে ভাড়া নির্ধারণ করে নির্ধারিত ভাড়ার বেশি একটি পয়সাও আদায় করা হবে না। পরিবহন মালিকদের প্রভাব-প্রতিপত্তির কাছে সরকারের নমনীয় আচরণ কখনো গ্রহণযোগ্য নয়। যাত্রীসাধারণের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে হবে’।
লেখাটি শুরু করেছিলাম নিরস বক্তব্য দিয়ে। শেষ করছি রম্য লেখক তানভীর আহমদের সরস কথা দিয়ে,
‘বন্ধু তুই লোকাল বাস,/আদর কইরা ঘরে তুলোছ, ঘাড় ধইরা নামাছ,’
গানের কলি। শহরের রাজপথ দাপিয়ে বেড়ানো লোকাল বাসের (অনেকে মুড়ির টিন বলে চেনেন) দিন ফিরছে আবার। সিটিং সার্ভিসের স্টিকার লাগিয়ে চলা লোকাল বাসগুলো বেশ ভাবসাব নিয়ে রাস্তায় চলত। এরা সুবিধা বুঝে যাত্রী তুলত, কিন্তু ঘাড় ধরে নামাত না। কারণ, বাসে ওঠার পর ঘাড় ধরে বাড়তি ভাড়া আদায় করে নিত। সার্ভিসের মান লোকাল বাসের মতো হলেও বাড়তি ভাড়া আদায়ের সময় এদের মান সাঁ করে সিটিং সার্ভিস স্টিকারে গিয়ে ঠেকত। যাত্রীরা তাই সিটিং সার্ভিসকে আদর করে ডাকে ‘চিটিং সাভিস’। কিন্তু বেশি আদর যে খুব ভালো ফল বয়ে আনে না, সেটাই দেখা গেল। প্রেস্টিজ আপাতত ‘পাংচার’ বলা যায়। লোকাল বাসের সিটিং সার্ভিসের মুখোশ পরে ঘুরে বেড়ানো - সেটা তো বেরিয়ে এলোই। এর কারণ কী? ‘বাড়তি ভাড়া’।

লেখক : আইনজীবী

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫