ঢাকা, শুক্রবার,২০ অক্টোবর ২০১৭

আমার ঢাকা

হঠাৎ রক্তের প্রয়োজন হলে কী করবেন?

এক মানুষের রক্তে অন্য মানুষ প্রাণ ফিরে পাচ্ছেন

মারিয়া নূর

২৫ এপ্রিল ২০১৭,মঙ্গলবার, ০০:০০


প্রিন্ট


একজন মানুষের রক্ত দিয়ে অন্য একজন মানুষকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনার ধারণা খুব বেশি দিনের পুরনো নয়। আধুনিক যুগের আগে এরকম ধারণা অবিশ্বাস্য ও উদ্ভট মনে হলেও আধুনিক যুগে বিজ্ঞানের কল্যাণে এই অবিশ্বাস্য ধারণাটি সত্য। সমগ্রুপের রক্তের এক মানুষের রক্তে অন্য মানুষ প্রাণ ফিরে পাচ্ছেন। ফলে সৃষ্টি হয়েছে ব্লাড ব্যাংক ও চালু হয়েছে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। বাংলাদেশের রক্তদান সংশ্লিষ্ট স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর পথ ধরেই কোয়ান্টাম ব্লাড সেন্টার ১৯৯৬ সালে স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রম চালু করে। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় কোয়ান্টামের নিজস্ব ল্যাব। ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রম এখন এক সামাজিক আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়েছে। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে একযুগের যাত্রায় কোয়ান্টাম গড়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার স্বেচ্ছায় রক্তদাতার সুসংগঠিত ডোনার পুল। যাদের মধ্যে ৪০ হাজার জনই নিয়মিত রক্তদাতা। অঙ্গীকার করেছেন আজীবন রক্তদানে। দেশের মোট রক্ত চাহিদার ৫ ভাগের ১ ভাগ মেটাচ্ছে কোয়ান্টাম। অনেকের কাছেই রক্ত সংগ্রহের জন্য কোয়ান্টাম একটি আস্থাশীল ব্লাড সেন্টার।
এক ব্যাগ রক্ত প্রয়োজন মেটায় কয়েকজনের!
রোগভেদে একেক রোগীর জন্য রক্তের একেক উপাদান লাগে। যেমন অগ্নিদগ্ধ রোগীকে শুধু রক্তরস দিলে চলে। আবার রক্তস্বল্পতার রোগীকে দিতে হয় রক্তকণা বা প্যাকড সেল। হিমোফিলিয়া রোগীদের ফ্যাক্টর ৮ ও থ্যালাসেমিয়া রোগীদের দিতে হয় লোহিত রক্তকণা। কোয়ান্টাম ল্যাবে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে আপনার দেয়া একব্যাগ রক্তকে এমনি আটটি উপাদানে আলাদা করার ব্যবস্থা আছে।
কিভাবে পাবেন রক্ত?
কোয়ান্টাম থেকে রক্ত সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল বা কিনিকের প্যাডে অথবা নির্ধারিত ফর্মে মেডিক্যাল অফিসারের সিল ও স্বারযুক্ত লিখিত ব্লাড রিকুইজিশন আনতে হবে। রিকুইজিশন ফর্মে রোগীর অবস্থানসহ তার রক্তের গ্রুপ ও রেসাস ফ্যাক্টর স্পষ্টভাবে লেখা থাকতে হবে।
ক্রসম্যাচিংয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট রোগীর ৫ মিলিলিটার পরিমাণ রক্ত (ফ্রেশ স্যাম্পল) সাথে আনতে হবে। রক্ত বা রক্ত উপাদানের জন্য নির্ধারিত প্রসেসিং খরচ প্রদান ও ক্রসম্যাচিংয়ের জন্য নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অপো করতে হবে।

যোগাযোগ
কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন অফিস
৩১/ভি, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সড়ক, শান্তিনগর, ঢাকা-১২১৭ (দ্বিতীয় তলা), ইস্টার্ন প্লাস মার্কেটের পাশে। ফোন : ৯৩৫১৯৬৯, মোবাইল : ০১৭১৪ ৯৭৪৩৩৩। কোয়ান্টাম ব্লাড সেন্টার সপ্তাহে ৭ দিনই ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে।
জরুরি রক্তের প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭১৪০১০৮৬৯ এই নম্বরে।
ওয়েবসাইট: blood.qm.org.bd

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫