ঢাকা, সোমবার,২১ আগস্ট ২০১৭

নাটক

২৭ এপ্রিল প্রাঙ্গণেমোর-এর আওরঙ্গজেব

বিনোদন প্রতিবেদক

২২ এপ্রিল ২০১৭,শনিবার, ২০:৪০


প্রিন্ট

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কর্মচারী ইউনিয়নের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত নাট্যোৎসবে ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল হলে প্রাঙ্গণেমোর-এর নাটক আওরঙ্গজেব মঞ্চায়িত হবে। নাটকটি রচনা করেছেন মোহিত চট্টোপাধ্যায় ও নির্দেশনা দিয়েছেন অনন্ত হিরা। নাটকটির মঞ্চ ও আলোক পরিকল্পনা করেছেন ফয়েজ জহির, সঙ্গীত পরিকল্পনা করেছেন রামিজ রাজু ও পোশাক পরিকল্পনা করেছেন নূনা আফরোজ।
নাটকটিতে অভিনয় করেছেন অনন্ত হিরা, নূনা আফরোজ, রামিজ রাজু, ইউসুফ পলাশ, সরোয়ার সৈকত, মাইনুল তাওহীদ, শুভেচ্ছা, রিগ্যান রত্ন, সাগর, বিপ্লবসহ আরো ১৬ জন নাট্যকর্মী। ভারতবর্ষে মুঘল রিয়াসতে ছিল তৈমুরলঙ্গ আর চেঙ্গিস খাঁর রক্ত, সেই তৈমুর বংশের প্রথা ছিল মসনদে প্রত্যেক শাহজাদার সমান অধিকার, যার তলোয়ার যত দীর্ঘ, যত ধারালো, যত সফল ততই মসনদে তার অধিকার। এটাই চলেছে মুঘল রিয়াসতে যুগের পর যুগ। সম্রাট হুমায়ুন তার ভাই কামরান, আশকরী, হিন্দালের বিরুদ্ধে লড়াই করে তখত দখল করেছিলেন। শাহেন শাহ আকবর পর্যন্ত মির্জা মুহম্মদ হাকিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করেছিলেন। কিন্তু সেই শাহজাহানই শেষ বয়সে নিজ পুত্র আওরঙ্গজেবের হাতে বন্দী জীবন কাটান। আওরঙ্গজেব একজন ধর্মপ্রাণ সুন্নি মুসলমান হয়েও বাবাকে বন্দী করে মসনদ দখল করেন এবং মসনদের অন্য দাবিদার আপন ভাই দারা, মুরাদ আর সুজাকে একে একে হত্যা করেন। মসনদ আর রাষ্ট্র ক্ষমতার লড়াই তো যুগে যুগে একই বৃত্তে ঘুরতে থাকে। মৃত্যুর আগে নব্বই বছর বয়সে বৃদ্ধ আওরঙ্গজেবের উপলব্ধি হয়- পবিত্র কুরআন বুকে নিয়েও কেউ যদি হৃদয়হীন হয় তাহলে তার ক্ষমা নেই, কারণ আল্লাহ্ এবং পবিত্র কুরআন কাউকে জল্লাদ হতে বলে না।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫