ঢাকা, মঙ্গলবার,২৭ জুন ২০১৭

রেডিও

বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত লাকী আখান্দ

নয়া দিগন্ত অনলাইন

২২ এপ্রিল ২০১৭,শনিবার, ১৬:২০ | আপডেট: ২২ এপ্রিল ২০১৭,শনিবার, ১৬:৫৭


প্রিন্ট

জনপ্রিয় সুরকার, শিল্পী ও সংগীত পরিচালক লাকী আখান্দকে আজ শনিবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

আজ সকাল ১০টায় পুরান ঢাকার আরমানিটোলা মাঠে লাকী আখান্দের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১টার দিকে লাশ শহীদ মিনারে নেয়া হয়। সেখানে মুক্তিযোদ্ধা লাকী আখান্দকে রাষ্ট্রীয়ভাবে গার্ড অব অনার দেয়া হয়। এরপর সর্বস্তরের মানুষ তাকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তার শেষ নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আশির দশকের এই শিল্পী। রাতে তার লাশ হিমঘরে রাখা হয়।

গতকাল সন্ধ্যায় পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় নিজের বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন লাকী আখান্দ। দ্রুত তাকে বাসার পাশের মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর লাকী আখান্দের ফুসফুসে ক্যানসার ধরা পড়ে। এরপর তাকে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। থাইল্যান্ডের পায়থাই হাসপাতালে তার যকৃতে অস্ত্রোপচারও করা হয়। এরপর দেশে এসে কিছুদিন থাকার পর একই বছরের নভেম্বরে আবারও ব্যাংককে গিয়ে শরীরে ছয়টি কেমো নিতে হয়েছিল তাকে। কেমো শেষ করে ২০১৬ সালের ২৬ মার্চ দেশে ফেরেন তিনি।

গত বছরেও ঢাকার তিনটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন লাকী আখান্দ। তার শরীরে মোট নয়টি কেমো দেয়া হয়েছিল। কেমো দেয়া শেষ হলে চিকিৎসকরা তাকে বাসায় কিংবা পাহাড়ে গিয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

অসংখ্য কালজয়ী গানের স্রষ্টা লাকী আখান্দ। তার গাওয়া ও সুরের উল্লেখযোগ্য গানগুলো হলো ‘এই নীল মণিহার’, ‘আমায় ডেকো না’, ‘আগে যদি জানতাম’, ‘আবার এলো যে সন্ধ্যা’, ‘মা-মনিয়া’, ‘কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে’, ‘বিতৃষ্ণা জীবনে আমার’, ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’, ‘ভালোবেসে চলে যেও না’, ‘লিখতে পারি না কোনো গান’, ‘কি করে বললে তুমি’ ইত্যাদি।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫