ঢাকা, শুক্রবার,২৪ নভেম্বর ২০১৭

শেষের পাতা

মূর্তি অপসারণ না হলে সুপ্রিম কোর্ট ঘেরাও : চরমোনাই পীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ এপ্রিল ২০১৭,শনিবার, ০০:০০


প্রিন্ট
বায়তুল মোকাররম এলাকায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সমাবেশ : নয়া দিগন্ত

বায়তুল মোকাররম এলাকায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সমাবেশ : নয়া দিগন্ত

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, রমজানের আগেই সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রিক দেবীর মূর্তি অপসরাণ না করলে ১৭ রমজান বদরের চেতনায় সারা দেশে বিােভ কর্মসূচি এবং ঈদের পর সুপ্রিমকোর্ট ঘেরাও করা হবে।
গতকাল বাদ জুমা বায়তুল মোকাররমের উত্তর সড়কে আয়োজিত জাতীয় সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আরো বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানি, নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিম, মাওলানা আব্দুল হক আজাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য আল্লামা নুরুল হুদা ফয়েজী, মহাসচিব অধ্য মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক এ টি এম হেমায়েত উদ্দিন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কাদের ও আলহাজ আমিনুল ইসলাম, নগর দণি সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, যুবনেতা কে এম আতিকুর রহমান, উত্তর সভাপতি অধ্য শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম প্রমুখ।
চরমোনাই পীর বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে এবং জাতীয় ঈদগাহর পাশে গ্রিক দেবীর মূর্তি স্থাপন করে এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম নাগরিকদের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে মুসলমানদের ধর্মীয় চেতনার ওপর সবচেয়ে বড় আঘাত হানা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মূর্তি কিভাবে এলো, কোথায় থেকে এলো, কে বসালো তিনি তা জানেন না? আমরা শুনেছি প্রধান বিচারপতির একক সিদ্ধান্তেই মূর্তি স্থাপিত হয়েছে। অন্যান্য বিচারপতিরা মূর্তি স্থাপনে একমত ছিলেন কি না সুপ্রিম কোর্টের প থেকে তা জানানো হয়নি। তিনি বলেন, কাদের স্বার্থে বা কী প্রয়োজনে বিতর্কিত গ্রিক মূর্তি সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে স্থাপন করা হলো। এটা জনতার প্রশ্ন। প্রধান বিচারপতির গ্রিক দেবীর প্রতি কোনো ভক্তি বা অনুরাগ থাকলে এটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। তার এ পছন্দকে তিনি জাতীয়ভাবে চাপিয়ে দিতে পারেন না। মূর্তি স্থাপন করে তিনি দেশের সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। তিনি গণ-মানুষের আস্থা ও নিরপেতা হারিয়েছেন। অতএব এমন একজন বিতর্কিত ও অবিবেচক বিচারপতি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির আসনে থাকতে পারেন না। বিতর্কিত বিচারপতি এস কে সিনহার পদত্যাগ করা উচিত।
প্রিন্সিপাল মাওলানা মাদানী বলেন, মূর্তি ও ভাস্কর্যের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। মূর্তির পে ইনু, মেনন ও বাদলরা উলামাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে নিজেদের নাস্তিক্যবাদী ও ইসলামবিরোধী হিসেবে চিহ্নিত করল। সময়মতো এদের সমুচিত জবাব দেয়া হবে।
মুফতি ফয়জুল করিম আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে জঙ্গিবাদের উত্থান হয়েছিল, সফরের পর জঙ্গিদের কোনো হদিস নেই। এটা কিসের ইঙ্গিত বহন করে, জাতি জানতে চায়? ইউনুছ আহমাদ বলেন, দেশের বেশির ভাগ মানুষের ঈমান-আকিদা ও বোধ-বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে মূর্তি স্থাপন করে প্রধান বিচারপতি অনুচিত কাজ করে তার নিরপেতা হারিয়েছেন। সময় থাকতে মূর্তি সরানো না হলে ঈমানদার জনতা উত্তেজিত হলে আখের রা হবে না।

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫