বঙ্গোপসাগর থেকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা ভারতের

নয়া দিগন্ত অনলাইন

ভারতীয় নৌবাহিনী শুক্রবারে বঙ্গোপসাগরে ব্রাহ্মোস ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। সাগর থেকে ভূমিতে নিক্ষেপকারী এ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা সফল হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ভারতীয় গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্রবাহী যুদ্ধজাহাজ আইএনএস তেগ থেকে ছোঁড়া হয়। উড়িষ্যা উপকুলের বঙ্গোপসাগরের একটি দ্বীপে অবস্থিত লক্ষ্যবস্তুকে তাক করে ছোঁড়া হয় এটি । এ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ৩০০ কিলোমিটার বা ১৮৬ মাইল বলে জানানো হয়েছে। এর আগ পর্যন্ত ভারতের কাছে কেবলমাত্র জাহাজ বিধ্বংসী ব্রাহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র ছিল।

সাগর থেকে ভূমিতে আক্রমণের উপযোগী এ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষার মধ্য দিয়ে ভারতীয় নৌবাহিনী সক্ষমতা আরো এক ধাপ বাড়ল। ভারত এখন সাগর থেকে শত্রুর মূল ভূখণ্ডের অনেক ভেতরে অবস্থিত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে পারবে বলে ভারতীয় সূত্র থেকে দাবি করা হয়েছে। এ সব লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে শত্রুপক্ষের রাডার, কমান্ড সেন্টার, বিমান ঘাঁটি এবং ক্ষেপণাস্ত্র অবস্থান রয়েছে।

ভারতীয় নৌবাহিনীর কোলকাতা, রণবীর এবং তেগের মতো অগ্রাভিযানে ব্যবহৃত বেশির ভাগ যুদ্ধজাহাজ থেকে এটি ব্যবহার করা যাবে।

ভারত এবং রাশিয়া যৌথ ভাবে এ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে। ব্রহ্মপুত্র এবং মস্কো এই দুই শব্দ মিলিয়ে ব্রাহ্মোস শব্দটি তৈরি করা হয়েছে। শব্দের চেয়ে দ্রুতগতির এ ক্ষেপণাস্ত্র ৬৬০ পাউন্ড ওয়ারহেড বা বোমা বহন করতে পারে। ডুবোজাহাজ, বিমান এবং ভূমির উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা থেকে এটি ছোঁড়া যায়। অবশ্য ক্ষেপণাস্ত্রটির জাহাজ বিধ্বংসী সংস্করণ এরই মধ্যে ব্যবহার করতে শুরু করছে ভারতীয় নৌবাহিনী।
সূত্র : ওয়েবসাইট

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.