ঢাকা, শুক্রবার,২৮ জুলাই ২০১৭

মিউজিক

সনুন বাড়ি থেকে আজান শোনা যায় না!

নয়া দিগন্ত অনলাইন

২১ এপ্রিল ২০১৭,শুক্রবার, ১১:১৫ | আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০১৭,শুক্রবার, ১১:২১


প্রিন্ট

আজান নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে ফেঁসে গেছেন সনু নিগম এবং মুম্বাইয়ে তার বাড়ির আশপাশে অবস্থান নিয়ে আজানের ধ্বনি শুনতে পাননি কোনো সাংবাদিক। স্থানীয়রাও বলেছেন, সনু নিগম মিথ্যা বলেছেন। আসলে তার বাড়ি থেকে আজানই শোনা যায় না।

বুধবার বিবিসিসহ বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকেরা আজানের আগে অর্থাৎ ভারতের স্থানীয় সময় ভোর ৫টার আগে সনু নিগমের বাড়ির সামনে সমবেত হন। আজানের শব্দ সত্যিই শোনা যায় কিনা সরেজমিন যাচাই করে দেখার জন্য সাংবাদিকেরা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন। ব্যস্ত মুম্বাইয়ের রাস্তা সে সময় প্রায় জনমানবহীন ছিল। আন্ধেরির ভেসোভা এলাকায় অবস্থিত সনু নিগমের দোতলা বাড়ির আলো তখনো নেভানো ছিল। বাড়ির বাইরে মোতায়েন ছিল পুলিশের গাড়ি। আজান শোনার জন্য সাংবাদিকেরা অধীর আগ্রহে অপো করতে থাকেন। কিন্তু সনুর বাড়ির কাছ থেকে আজানের কোনো ধ্বনি সাংবাদিকেরা আদৌও শুনতে পাননি। রাস্তায় মাঝে মধ্যে গাড়ি চলাচলের শব্দ ছাড়া আর কোনো শব্দই কার্যত শুনতে পাননি তারা।

খোঁজ নিয়ে সাংবাদিকেরা জানতে পারেন সনুর বাড়ি থেকে অনেক দূরে কয়েকটি মসজিদ রয়েছে। কিন্তু ওই সব মসজিদের আজানের ধ্বনি সনুর বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছায় না। এরপর সাংবাদিকেরা সেখানে উপস্থিত হয়ে এর সত্যতার প্রমাণ পান। সাংবাদিকেরা আজানের কোনো শব্দ শুনতে পাননি।

সনুর প্রতিবেশী লতা সানদেবও জানান, তিনিও কখনো ওই এলাকায় আজানের ধ্বনি শুনতে পাননি। একই কথা বলেন কিরণ ওয়াসান নামের অন্য এক হিন্দু নারী।

স্থানীয় আরেক ব্যক্তি বলেছেন, এ এলাকায় সনু এসেছেন দুই থেকে চার বছর হবে; কিন্তু এ এলাকায় তারা গত ৩০-৩৫ বছরে ধরে বসবাস করছেন। তবে এ এলাকার কাউকে তারা আজান নিয়ে কখনোই বিরূপ মন্তব্য করতে শোনেননি।

তবে দ্য কুইন্ট নামক একটি ওয়েবসাইটের খবরে বলা হয়েছে, নগরীর মিল্লাত নগরে আরেকটি ফ্যাট রয়েছে সনু নিগমের। সোমবার সেখান থেকেই তিনি টুইট করেছেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫