জিম্বাবুয়ের 'ছাগল-অর্থনীতি' এখন স্কুল শিক্ষায় ছড়িয়ে পড়েছে
জিম্বাবুয়ের 'ছাগল-অর্থনীতি' এখন স্কুল শিক্ষায় ছড়িয়ে পড়েছে

স্কুলের বেতন ছাগল-ভেড়া

নয়া দিগন্ত অনলাইন

জিম্বাবুয়ের স্কুলগুলোতে এখন নগদ অর্থের পরিবর্তে গরু-ছাগল বেতন হিসেবে গ্রহণ করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী লাজারুস ডোকোরা সরকারপন্থী পত্রিকা সানডে মেইলকে বলেছেন, মা-বাবাদের কাছে থেকে স্কুলের বেতন আদায় করার সময় স্কুলগুলোকে নমনীয় হতে হবে।

শুধু গবাদিপশুই নয়, নানা ধরনের সেবাও বেতনের বিকল্প হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উদাহরণ দিয়ে ডোকোরা বলেন, "কেউ যদি রাজমিস্ত্রির কাজ করে, তাহলে তাকে দিয়ে স্কুলে রাজমিস্ত্রির কাজ করিয়ে নেয়া যেতে পারে।"

পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, কোন কোন স্কুলে ইতোমধ্যেই নগদ অর্থের বদলে গবাদিপশু নেয়ার চল শুরু হয়েছে।

এই পদক্ষেপ এমন এক সময়ে নেয়া হলো যখন গত সপ্তাহে জিম্বাবুয়ের ব্যাংকগুলো গবাদিপশু অর্থাৎ গরু, ছাগল, ভেড়াকে জামানত হিসেবে গ্রহণ করতে শুরু করেছে।

গত সপ্তাহে সে দেশের সংসদে এমন একটি আইন পাশ হয়েছে যাতে মোটরগাড়ি, বা যন্ত্রপাতির মতো অস্থাবর সম্পত্তিকে ব্যাংকে জামানত হিসেবে রাখা যাবে।

বুলাওয়েও-২৪ নামের নিউজ পোর্টাল খবর দিচ্ছে, জিম্বাবুয়েতে নগদ অর্থের চরম সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে হলে মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।

সরকার অভিযোগ করছে, এক শ্রেণির মানুষ দেশ থেকে টাকা পাচার করছে বলেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে।

কিন্তু সমালোচকরা বলছেন, জিম্বাবুয়েতে বিনিয়োগ সঙ্কট এবং বেকারত্বই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী।

সূত্র : বিবিসি

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.