পতাকা বহন করবেন শীলা

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) প্রথম সভা। নবনির্বাচিত কমিটির এ সভায় উপস্থিত ছিলেন সবাই। তবে বলার মতো সিদ্ধান্ত তিনটি। ৮-২২ মে ইসলামি সলিডারিটি গেমসে কে বাংলাদেশের পতাকা বহন করবেন, ফেন্সিং ও রাগবিকে অ্যাফিলিয়েশন দেয়া এবং বিওএর কাজ পরিচালনার জন্য সাব কমিটি গঠন।

২১টি সাব কমিটি গঠিত হয়েছে এ সভায়। একই সাথে বিশেষভাবে সম্মানিত করা হয় সাঁতারু মাহফুজা খাতুন শীলাকে।

আজারবাইজানের বাকু ইসলামি সলিডারিটি গেমসে মার্চপাস্টে লালসবুজ পতাকা বহন করবেন শীলা।

বিওএ মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা জানান, গত এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী হিসেবে ইসলামি সলিডারিটি গেমসে পতাকা বহনকারী হিসেবে তিনজনের নাম এসেছিল। যেহেতু শীলা দু’টি স্বর্ণ জেতেন তাই তাকেই পতাকা বহনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আগামীতে আমরা বিবেচনা করব ভারোত্তোলনে স্বর্ণজয়ী মাবিয়া আক্তার সীমান্ত ও শুটিংয়ে স্বর্ণ পাওয়া শাকিল আহমেদের নাম।

বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মাথায় এখন সামনের গেমসগুলোতে ভালো করার চিন্তা।

বিশেষ করে ২০১৯ সালের কাঠমান্ডু এসএ গেমসকে ঘিরে। বাংলাদেশের যা কিছু বড়সড় সফল্য আশার কথা এই গেমসকে ঘিরেই। এ জন্য এখনই এসএ গেমসকেন্দ্রিক প্রশিক্ষণের সিদ্ধান্ত।

সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সরকারের আর্থিক সহায়তা চাওয়া হয়েছে। আগেই বাজেট দেয়া হয়েছিল। এখন এসব অর্থ পেতে যোগাযোগ শুরু করবে বিওএ।

শাহেদ রেজা জানান, ট্রেনিং খাতে অর্থ পেতে অর্থমন্ত্রীর সাথে দেখা করব। প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর কাছেও যাবো।

তার মতে, সব গেমসকে কেন্দ্র করেই চলতে থাকবে ট্রেনিং। তবে আমাদের বিশেষ লক্ষ্য আঞ্চলিক আসর এসএ গেমস।
ফেডারেশনগুলোর কাজে গতি আনার জন্য সব ফেডারেশনের সাথে বসবেন বিওএ মহাসচিব। তা আজ আবারো উল্লেখ করলেন। বিশেষ করে কিভাবে ফেডারেশনগুলোর আর্থিক দুরবস্থা কাটিয়ে তোলা যায়। আজকের সভার অন্যতম এজেন্ডা ছিল যুব বাংলাদেশ গেমস। কবে হবে তা এখনো ঠিক হয়নি।

তবে আসরটি আয়োজনে বাদল রায়কে সদস্যসচিব পদে রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, আগেই এই গেমস আয়োজনে ১৫ কোটি টাকা বাজেট দিয়েছিল বিওএ। আজ বিওএর নতুন কাউন্সিলর হয় ফেন্সিং ও রাগবি ফেডারেশন। সুইমিং ফেডারেশনের দক্ষিণ কোরিয়ান কোচ পার্ক তে গুনকে আরো এক বছর রাখার সিদ্ধান্ত আগেই হয়েছিল। কাল আসে এর আনুষ্ঠানিকতা। বিওএ এই কোচের বেতন দিয়ে আসছে।

সূত্র মতে, খেলাধুলার উন্নয়নে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছে বিওএ। এ জন্য বিশাল অর্থ চাওয়া হচ্ছে সরকারের কাছে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.