ঢাকা, রবিবার,২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

ফুটবল

ক্ষমা চাইবেন না মেসি

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১৭ এপ্রিল ২০১৭,সোমবার, ১৫:২৯


প্রিন্ট

২০১৮-র রাশিয়া বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে চিলের বিরুদ্ধে ম্যাচে সহকারী রেফারির সঙ্গে ‘অশালীন’ ভাষায় তর্ক করায় ফিফা তাকে যোগ্যতা অর্জন পর্বে আর্জেন্টিনার পরের চার ম্যাচ নির্বাসিত করেছে।
প্রবল জল্পনা যে, ফিফার কাছে ক্ষমা চাইলে লিওনেল মেসির ওপর থেকে চার ম্যাচের নির্বাসন উঠে যাবে। আগামী ৪ মে জুরিখে ফিফার শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সামনে হাজির হওয়ার কথা আর্জেন্টিনা অধিনায়কের।
কিন্তু আর্জেন্টিনার অধিকাংশ সংবাদপত্রের খবর, মেসি হাজির হলেও, নিজের আচরণের জন্য ক্ষমা চাওয়ার ইচ্ছা তার নেই! মেসির নির্বাসিত চার ম্যাচের মধ্যে বলিভিয়ার বিরুদ্ধে হেরে আর্জেন্টিনা লিগ টেবিলে পাঁচ নম্বরে নেমে গেছে। বিশ্বকাপের মূল পর্বে গ্রুপ থেকে সরাসরি যাবে প্রথম চারটি দল। কোয়ালিফায়ারে পাঁচ নম্বর হয়ে শেষ করলে, প্লে-অফ ম্যাচ জিতলে মূলপর্বে যাওয়ার সুযোগ পাবে।
আর্জেন্টিনার জাতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কর্তারা আগামী ৪ মে জুরিখে ফিফার দফতরে হাজির হওয়ার সময় সঙ্গে একটি ভিডিও ক্লিপিং নিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে দেখানো হয়েছে, চিলে ম্যাচে সহকারী রেফারির সঙ্গে তর্ক করার সময় মেসি আক্ষরিক যে শব্দগুলো ব্যবহার করেছিলেন সেটা তিনি বার্সেলোনার হয়ে ট্রফি জেতার পরও করেছিলেন। ভিডিও ক্লিপিং দেখিয়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন প্রমাণ করতে চায় যে, মেসি অশালীন ভাষা ব্যবহার করেননি। আর্জেন্টিনার একটি সংবাদপত্রের খবর, মেসি নাকি জানিয়েছেন, ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই নেই। তাতে নির্বাসন না উঠলেও বিচলিত হবেন না!
শনিবার লা লিগায় রিয়াল সোসিদাদের বিরুদ্ধে বার্সেলোনা ৩-২ গোলে জিতল। জোড়া গোল সেই মেসিরই। ম্যানেজার লুইস এনরিকে বলেছেন, ‘‘য়ুভেন্তাসের বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মরণ-বাঁচন ম্যাচের আগে এই জয় ফুটবলার আত্মবিশ্বাস পেল।’’
য়ুভেন্তাস ম্যাচের প্রসঙ্গে এনরিকে আরো বলেছেন, ‘‘আমাদের হারানোর কিছু নেই। প্রয়োজনে আটজন ফরওয়ার্ডও খেলিয়ে দিতে পারি!’’ এনরিকের বিশ্বাস, প্যারিস সঁ জরম-এর মতো য়ুভেন্তাসের বিরুদ্ধেও বুধবার ক্যাম্প ন্যু’তে ফিরতি ম্যাচে তিন গোলে পিছিয়ে থাকা বার্সেলোনার অলৌকিক প্রত্যাবর্তন ঘটবে!

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫