ঢাকা, শনিবার,২৭ মে ২০১৭

ইতিহাস-ঐতিহ্য

কী ছিল টাইটানিকের শেষ ডিনারের মেনুলিস্টে

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১৬ এপ্রিল ২০১৭,রবিবার, ১৬:২১ | আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০১৭,রবিবার, ১৭:৫৫


প্রিন্ট

'এটা এমন জাহাজ, যা কোনো দিন ডুববে না’- এমনটাই বলা হয়েছিল টাইটানিক সম্পর্কে।

টাইটানিক, স্বপ্নের প্রমোদতরী। এক বিস্ময়। এক ইতিহাস।

১৯১২ সালের ১০ এপ্রিল ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন বন্দর থেকে যাত্রা শুরু হয়েছিল টাইটানিকের। গন্তব্য ছিল নিউ ইয়র্ক।

যে জাহাজ কখনো ডুববে না বলা হয়েছিল, আইসবার্গের আঘাতে যাত্রা শুরুর চার দিনের মাথায় বরফশীতল আটলান্টিক মহাসাগরের পানিতে সলিল সমাধি ঘটেছিল তার।

১৪ এপ্রিল, রাত তখন ১১টা ৪০। উপস্থিত এক ক্রুর কথায়, 'কাপড় ছেঁড়ার মতো একটা আওয়াজ, এর থেকে বেশি কিছু নয়'... ধাক্কা লাগে আইসবার্গের সাথে স্বপ্নের প্রমোদতরীর। প্রথম শ্রেণির যাত্রীরা তখন ব্যস্ত 'এপিক ডিনারে'।

প্রথম শ্রেণির যাত্রীদের জন্য প্রথম থেকেই প্রতিদিন স্পেশাল মেনুর ব্যবস্থা ছিল টাইটানিকে। ডিনার টেবিলে খোশগল্প-আলোচনাতেই ৪-৫ ঘণ্টা সময় কাটাতেন প্রথম শ্রেণির যাত্রীরা। ১৪ এপ্রিল রাতেও তার ব্যতিক্রম ছিল না।

কী ছিল সেই মেনু লিস্টে? প্রায় ১০ কোর্সের মেনুলিস্ট...
প্রথমেই ছিল ওয়েস্টার। সাথে ছিল ওলগা নামে একধরনের স্যুপ। তারপরেই মেনুতে ছিল মুসেলিন সসে হালকা করে পোচ করা আতলান্তিক স্যালমন। চতুর্থ ও পঞ্চম কোর্সে ছিল হাইপ্রোটিন ডিশ। মিগনন লিলির ফিলেট, চিকেন লায়োনাইজ, মিন্ট দেয়া ভেড়ার গোশতের পদ, রোস্ট করা ডাকলিং, বিফের সাথে আলুর একটি পদ। সাইড ডিশ হিসেবে ছিল ক্রিমড ক্যারোট, মটরশুঁটি দিয়ে বয়েলড রাইস, সেই সাথে আলু সেদ্ধ।

প্রতিটি কোর্সের পরই মুখের স্বাদবদলের জন্য ছিল 'পাঞ্চ রোমেইন'। ওয়াইন, রাম ও শ্যাম্পেন দিয়ে তৈরি বিশেষ ধরনের একটি ড্রিংক।

এছাড়াও ছিল চারট্রিউজ জেলি, চকোলেট, ভ্যানিলা, ওয়ালডর্ফ পুডিং, ফ্রেঞ্চ আইসক্রিম প্রভৃতি।

একদম শেষপাতে রকমারি ফল, বাদাম ও চিজ।

সবশেষে কফি, সিগার ও কর্ডিয়াল।

অর্কেস্ট্রার বাদ্যের সাথে এলাহি ভূরিভোজের আয়োজনে ডাইনিং রুমে তৈরি হতো এক অন্যরকম মাদকতা। সূত্র: জিনিউজ

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫