ঢাকা, শুক্রবার,২৬ মে ২০১৭

প্রাণি ও উদ্ভিদ

পাইলট অজগরের প্রিয় শিকার মোটাসোটা মানুষ!

নয়া দিগন্ত অনলাইন

০৫ এপ্রিল ২০১৭,বুধবার, ১৩:৫৫


প্রিন্ট

পাইলট অজগরের খিদে পেলে রক্ষে নেই৷ সামনে মানুষ পেলে ওর নোলা দিয়ে পানি পড়ে৷ যেন মহাভোজ৷ সুযোগ বুঝে জাপটে ধরে কোঁত করে গিলে নেয়া কোনো ব্যাপারই নয়৷ এমনই সর্বগ্রাসী খিদে নিয়ে এরা ঝাঁপিয়ে পড়ে৷ পেট ভরা থাকলে নট নড়ন চড়ন৷

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় জলাভূমি রক্ষার কাজ করেন ব্যানোস ও লিওনার্দো সানচেজ। স্থানীয় বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন তারা৷ রোজকার মতো জঙ্গলে টহল দিতে বেরিয়েছিলেন ব্যানোস ও সানচেজ। হঠাৎ এক জলার ধারে নজরে পড়ল অজগর৷ সেই সাপ দেখে তাদের চক্ষু চড়কগাছ। লম্বায় কম করে ১৫ ফুট ৷

এরপর শুরু হলো অজগরে-মানুষে টানাটানি৷ শেষপর্যন্ত বাগে এসেছে অজগর৷ ঘেমে নেয়ে দুই বনকর্মী সাপটার ওজন নিয়েছেন৷ ৬৫ কেজির সেই অজগর নাকি ৮০ কেজি ওজনের প্রমাণ সাইজ মানুষ গিলে নিতে ওস্তাদ৷

ছবি পোস্ট করতেই হই হই কাণ্ড৷ কারণ পাইলট প্রজাতির এতবড় অজগর চট করে মেলে না৷ দুই বনকর্মী জানিয়েছেন, পাইলট প্রজাতির অজগরের দৈর্ঘ্য সাধারণত চার ফুট বা তার কম হয়। একটা চার ফুটের অজগর ধরতে পারলে সরকারের পক্ষ থেকে ৫০ মার্কিন ডলার মেলে৷ আর এর পরের প্রতি ফুটের জন্য জন্য বাড়তি ২৫ ডলার পাওনা হয়৷ এই অজগরটা ১৫ ফুট লম্বা। ফলে পুরস্কার মূল্যে পকেট ভারী হয়েছে৷

ফ্লোরিডার জলভূমিতে ক্রমাগত বেড়ে চলেছে পাইলট অজগর৷ তাদের খাদ্য স্থানীয় পশুপাখি৷ ফলে সেই সংখ্যা কমছে৷ সরকার উপায় খুঁজছে অজগরের সর্বগ্রাসী খিদে থেকে বাকিদের রক্ষা করার৷

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫