ঢাকা, সোমবার,১১ ডিসেম্বর ২০১৭

উপসম্পাদকীয়

ভালো মানুষ চেনার সহজ সরল পদ্ধতি

গোলাম মাওলা রনি

২৩ মার্চ ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৮:০২


গোলাম মাওলা রনি

গোলাম মাওলা রনি

প্রিন্ট

অনাদিকালের দুনিয়ার চিরায়ত খবর হলো- ভালো মানুষের বাজারে আগুন লেগেছে। কোথাও ভালো মানুষ পাওয়া যাচ্ছে না। চার দিকে শুধু টাউট-বাটপার আর চোর-ডাকাতের ছড়াছড়ি। মিথ্যাবাদী, মোনাফেক, জেনাকার, শরাবি এবং ব্যভিচারীতে সমাজ ভরে গেছে। ঘুষখোর, দুর্নীতিবাজ, অহঙ্কারী এবং দাম্ভিকদের দাপটে সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। ক্ষমতাবান মন্দ লোকের জুলুম, অত্যাচার, অশিক্ষিত ও নির্বোধ ধনী ব্যক্তিদের বেহিসেবি এবং নির্বিচার অপব্যয় জগৎ সংস্কারকে ক্রমেই ধ্বংসের অতলান্তির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে সুবচন এবং সুকর্ম নির্বাসনে গেছে। কঠোর, রূঢ় ও অমানবিক কথাবার্তা এবং আচার-আচরণকে প্রভাবশালীরা নিজেদের অলঙ্কার বানিয়ে ফেলেছে। অত্যাচার, মানুষ হত্যা, অপহরণ, জোরজবরদস্তিমূলক দখল বা উচ্ছেদ এবং অন্যকে চরমভাবে অপমানিত করার মধ্যে কিছু মানুষ নিজেদের জীবনের স্বার্থকতা, সফলতা অথবা চিত্তবিনোদনের উপকরণ খুঁজে বেড়াচ্ছে।
আপনি যদি প্রাচীন পৃথিবী থেকে শুরু করে ২০১৭ সালের মার্চ মাস অবধি তামাম দুনিয়ার শহর-বন্দর, গ্রামগঞ্জ এবং জনপদগুলোয় ভ্রমণ করে আসেন তবে সর্বকালেই উপরি উক্ত অভিযোগগুলো শুনতে পাবেন। আপনি আরো শুনতে পাবেন, ভালো মানুষ নেই। মন্দ মানুষ দেখতে দেখতে সাধারণ মানুষ ভালো মানুষের সংজ্ঞা যেমন ভুলে গেছে, তেমনি ভালো ও মন্দের পার্থক্য নির্ধারণ করতে পারছে না। মানুষের দ্বিমুখী আচরণ, ভণ্ডামি এবং মোনাফেকির কারণে ভালো মানুষ চেনা যাচ্ছে না। কাউকে বিশ্বাস করা কিংবা কারো প্রতি নির্ভর করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় সর্বকালের শান্তিপ্রিয় সাধারণ মানুষের একটি চিরায়ত প্রশ্ন ছিল- ভালো মানুষ চিনব কী করে?
আজ থেকে চৌদ্দশত বছর আগে আল্লাহর নবী হজরত মোহাম্মদ সা:-কে তাঁর সাহাবিগণ প্রশ্ন করেছিলেন- ইয়া রাসূল আল্লাহ সা: আপনি দয়া করে ভালো মানুষের কিছু সহজ-সরল চিহ্ন অথবা পরিচয় বলে দিন, যাতে করে আমরা তাদের চিনে নিতে পারি। আল্লাহর রাসূল সা: সাহাবিদের প্রশ্নের উত্তরে যা বলেছিলেন তাই মূলত আজকের নিবন্ধের মূল আলোচ্য বিষয়। ভালো মানুষ সম্পর্কে রাসূল সা:-এর বক্তব্যের চেয়ে উত্তম কোনো বক্তব্য পৃথিবীর ইতিহাসে নেই। যে পদ্ধতির মাধ্যমে তিনি ভালো মানুষ খুঁজতে বলেছেন তা কেবল অন্য একজন ভালো মানুষ অথবা ভালো পথের যাত্রীর পক্ষেই সম্ভব। কোনো পাপীতাপি, অমানুষ প্রভৃতি লোকজন কোনো দিন ভালো মানুষের সন্ধান পায় না। একজন জহুরি যেমন মণি-মুক্তা, হীরা-জহরত, চুন্নি-পান্না-কাঞ্চন ইত্যাদি রত্ন খুঁজে কিনতে পারেন, তেমনি একজন ভালো মানুষের পক্ষেই অন্য আরেকজন ভালো মানুষকে চেনা সম্ভব।
রাসূল সা:-এর বক্তব্যের গভীরে যাওয়ার আগে ভালো মানুষ চেনার যোগ্যতা অর্জনের উপায় এবং বৈশিষ্ট্য নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা যাক। মানুষ তার চরিত্র হারিয়ে ফেলে সঙ্গদোষের কারণে। যেসব মানুষ সচরাচর মন্দলোকের সাথে চলাফেরা করে এবং মন্দলোকের সমাবেশে উপস্থিত হয়ে মন্দ কথা শোনে তারা ধীরে ধীরে নিজেদের জন্য হেদায়েতের রাস্তাগুলো বন্ধ করে দেয়। তাদের চোখ ভালো কাজের নমুনা শনাক্ত করার শক্তি হারিয়ে ফেলে। তাদের কান বধির হয়ে যায় এবং অনুভূতিগুলোও বিনষ্ট হয়ে পড়ে। ফলে তারা চোখ, কান থাকা সত্ত্বেও অন্ধ ও বধিরে পরিণত হয় এবং জীবনীশক্তি থাকার পরও মৃত ব্যক্তির পর্যায়ে পৌঁছে যায়। ইবনে আরাবি রহ: ও ইমাম মাহালি রহ: এসব কারণে মন্দ লোকের সমাবেশ থেকে বেঁচে থাকার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।
ভালো মানুষ খোঁজার আগে আপনি নিজের হালত সম্পর্কে জেনে নিন। নিজেকে প্রশ্ন করে জেনে নিন- আপনার মন কী চায়- কোথায় যেতে চায় এবং কী বলতে চায়। সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনি সর্বকালের মহান ওলি আল্লাহ, কুতুব-আবদাল এবং শায়খগণের রীতি অনুসরণ করেন। তারা সবাই রোজ রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিজের জীবনের নিত্যকার হিসাব মেলাতেন। তারা রোজ রাতে নিজেরা নিজেদের আমলনামা এমনভাবে লিখতেন, যাতে করে তার পাহারাদার ফেরেশতাগণের লিখিত আমলনামার সাথে কোনো অমিল না থাকে। তারা জীবনের যোগ-বিয়োগ শেষে একটি ব্যালান্সশিট তৈরি করতেন, যেখানে দৈনন্দিন কর্মের ভালো, মন্দ, লাভ, লোকসান, দেউলিয়াত্ব ইত্যাদির চুলচেরা হিসাব লিপিবদ্ধ থাকত।
ঘুমানোর আগে তারা অতীব সতর্কতার সাথে বিগত দিনটির কথা স্মরণ করতেন। সারা দিনে তাদের মন কতবার আল্লাহর দিকে মোতাওয়াজ্জু ছিল এবং কতবার দুনিয়ার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াদির দিকে ঝুঁকে পড়েছিল, তা যেমন চিন্তা করতেন- তেমনি কতবার চোঘলখুরি, গিবত বা হারাম কাজকর্মের দিকে ঝুঁকে ছিল সেই হিসাবটিও মেলাতেন। তারপর প্রয়োজন অনুযায়ী তওবা করতেন এবং দরকার পড়লে রুকু বা সিজদায় পড়ে আল্লাহর দরবারে ক্ষমা চাইতে চাইতে পরবর্তী দিনটি সহিহ ও শুদ্ধভাবে গুজার করার ব্যাপারে নিজেকে নিজের কাছে প্রতিষ্ঠার জালে আবদ্ধ করে ফেলতেন। তারা নিজেদের আমল এবং আল্লাহ-প্রদত্ত আমানতের খেয়ানত সম্পর্কে চুলচেরা বিচার বিশ্লেষণ করতেন।
ইবনে আরাবি রহ: বলেন, মানুষের খেয়াল বা মনোযোগ তার জীবনের ভালো-মন্দ, উত্থান-পতন এবং সফলতা-ব্যর্থতার জন্য অনেকাংশে দায়ী। মানুষ সারাক্ষণ ভালো চিন্তা করবে এবং ভালো কাজে মনোনিবেশ করবে এ উদ্দেশ্যসাধনে মহান আল্লাহ তার তামাম মাখলুকাতের মধ্যে একমাত্র মানুষকেই কল্পনা করার এবং স্বপ্ন দেখার শক্তি দিয়েছেন। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি অতি উত্তম নেয়ামত এবং আমানত। মানুষের কাছ থেকে এটি চিনিয়ে নেয়া হলে দুর্ভাগা লোকটি বদ্ধ উন্মাদে পরিণত হয়। কাজেই প্রতিটি সুস্থ মানুষের চিন্তা করা উচিত যে, তার খেয়ালের অপার শক্তিটির যেন খেয়ানত না হয়। শায়খে আকবার শেখ মহিউদ্দিন ইবনে আরাবি আরো বলেন, মুমিন তার নিজের নফসের মুহাসিব হিসেবে আল্লাহর পক্ষে হররোজ নিজের হিসাব নিজেই গ্রহণ করে। যার ফলে কিয়ামতের দিন ওই সব মুমিনের জন্য কোনো হিসাব দরকার পড়বে না। হজরত হাসান বসরি র: ও ইবনে আরাবির এ মতকে সমর্থন করেন।
মানুষের কাছে রক্ষিত আল্লাহর আমানতের সবচেয়ে বড় খেয়ানতটি তখনই সংগঠিত হয়, যখন একজন মানুষের মনে অন্য মানুষকে বেইজ্জতি করার খেয়াল পয়দা হয়ে থাকে। ইমাম মুহাজ ও ইমাম গাজ্জালির মতে, মানুষের মন্দ খেয়াল দুরীভূত হয়, তখনই যখন সে উত্তম মানুষের মজলিসে শামিল হতে পারে। অন্য অর্থে এটিকে সৎসঙ্গ বলা যেতে পারে।
এবার রাসূলে আকরাম সা:-এর বক্তব্যটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক। তিনি ভালো মানুষ চেনার তিনটি সহজ-সরল পদ্ধতি উল্লেখ করেছেন। এই প্রসঙ্গে রাসূল সা: বলেন, এক. ভালো মানুষকে দেখার সাথে সাথে আল্লাহর কথা মনে হবে। দুই. তার কথা শুনলে তোমার মনের দরজা খুলে যাবে এবং তুমি হিদায়েতের রাস্তা পেয়ে যাবে। তিন. তার আমলের দিকে তাকালে তোমার আখেরাতের জিন্দেগির কথা স্মরণ হয়ে যাবে। ভালো মানুষের এই তিনটি বৈশিষ্ট্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করলেই বিষয়টি সবার কাছে পরিষ্কার হয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ।
প্রথম বৈশিষ্ট্যটির ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ইমাম মুহাজ রহ: বলেন, তুমি হয়তো কোনো কারণে আল্লাহর সাথে তোমার সম্পর্কের কথা ভুলে গিয়েছিলে অথবা সম্পূর্ণভাবে আল্লাহকে ভুলে গিয়ে একধরনের গাফেল জিন্দেগিতে মত্ত হয়ে পড়েছিলে। এ অবস্থায় আল্লাহর কোনো প্রিয় বান্দার দিকে তাকানোমাত্র যখন তোমার হৃদয়ে তোমার মালিকের নামটি স্মরণে এসে যায়, তখন ধরে নিতে হবে তুমি একজন ভালো মানুষের সন্ধান পেয়েছ। এর বাইরে এমনও হতে পারে তুমি হয়তো সব সময় আল্লাহর স্মরণে দিনগুজার করতে পছন্দ করো। এ অবস্থায় আল্লাহর কোনো প্রিয় বান্দার সান্নিধ্য তোমাকে আল্লাহর স্মরণে বেশি মাত্রায় প্রেরণা জোগায় এবং তোমার হৃদয়মন এবং মানসিকতাকে একধরনের অনাবিল প্রশান্তির পরশ বুলিয়ে দেয়।
ইমাম আহম্মদ ইবনে হাম্বল সম্পর্কে ইমাম জোজি লিখেছেন, ইমাম আহম্মদ ইবনে যখন কোনো মজলিসে দ্বীনের কথা বলতেন অথবা হাদিস বয়ান করতেন তখন কমপক্ষে পাঁচ হাজার লোকের দ্বারা মজলিসটি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যেত। ইমাম হাসান বিন ইসমাইল বর্ণনা করেন, আমিও ইমাম আহম্মদ ইবনে হাম্বলের মসলিসে উপস্থিত থাকতাম। উপস্থিত পাঁচ হাজার দর্শক-স্রোতার মধ্যে অন্তত শ-পাঁচেক লোক নিয়মিত ইমাম হাম্বলের বক্তব্য লিপিবদ্ধ করতেন। বাকি লোকেরা তার বক্তব্য শুনে জ্ঞান হাসিলের পাশাপাশি তাঁর দিকে অবাক বিমুগ্ধতা নিয়ে তাকিয়ে থেকে আদব শিখতেন এবং তাকে দেখে আল্লাহকে স্মরণ করতেন।
হজরত আবু বকর বিন মুতাব্বেরি এবং হজরত সালমান নাজ্জাদি বর্ণনা করেন, আমরা ১২ বছর ধরে নিয়মিত ইমাম আহম্মদ ইবনে হাম্বলের মজলিসে উপস্থিত থেকে তার বক্তব্য শুনতাম, যখন তিনি তার আপন সন্তানকে মুসনাদ শরিফ শিক্ষা দিতেন। আমরা এ সুদীর্ঘ সময়ে বহু হাদিস শুনেছি; কিন্তু একটি হাদিসও লিখিনি। লোকজন প্রশ্ন করলেন, তাহলে আপনারা এত দিন ধরে আসলে কী করেছেন? জবাবে তারা জানালেন, আমরা তার বক্তব্য শুনেছি এবং তার চেহারা মোবারকের দিকে তাকিয়ে আল্লাহ এবং আখেরাতের কথা ইয়াদ করেছি। তার বক্তব্য অনুসরণ করে জীবনকে বদলে দিয়েছি এবং তার আচরণ থেকে আদব শিখেছি।
হজরত আমর বিন মেমুন নামে এক মশহুর তাবই কুফা নগরীতে বসবাস করতেন। আরেক যুগশ্রেষ্ঠ তারই হজরত ওয়াজ বিন জবলের সাথে তিনি সুদূর ইয়েমেন থেকে কুফায় এসেছিলেন দ্বীনি দাওয়াত পৌঁছানোর জন্য। হজরত আমর জীবনে এক শ’বার হজ এবং ওমরা সম্পন্ন করেছিলেন। আল্লাহর এই মহান ওলির শান-মান এবং জৌলুশ মুসলিম সালতানাতের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছিল। তাঁর সম্পর্কে তাঁর শিষ্য হজরত আবু ইসাহাক আস সাবেরি বলেন, ‘তাকে দেখামাত্র দুনিয়ার চিন্তা উধাও হয়ে যেত, আল্লাহর জিকির স্মরণে চলে আসত এবং দ্বীনের ব্যাপারে দৈনন্দিন গাফিলতিগুলো দূর হয়ে যেত। ইমাম মুহাম্মদ বিন শিরিন ও হজরত হাসান বসরি সম্পর্কেও একই কথা প্রযোজ্য। হজরত হাসান বসরি রহ:-এর শিষ্য হজরত আসহাজ বিন আবদুল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহর কসম! আমরা যখন হজরত হাসান বসরির মাহফিল থেকে বের হতাম তখন দুনিয়ার কথা মনে থাকত না। মনে হতো দুনিয়ার যাবতীয় লোভলালসা, কামনাবাসনা, স্বার্থের হানাহানি ইত্যাদি আমাদের ছেড়ে পালিয়ে গেছে।
ভালো মানুষের পরিচয় জানার পর আপনার মনে যদি এমন প্রশ্ন উত্থাপিত হয়, আপনি আসলে কেমন মানুষ! অথবা নিজের ভালোমানুষী যাচাই করার জন্য সবচেয়ে উত্তম কষ্টিপাথর কোনটি? আপনার যদি নিজের ভালোমানুষী সম্পর্কে জানার খেয়াল প্রবলতর হয় তবে শুনুন, ‘কেউ যদি সামনে অথবা পেছনে কিংবা গোপনে অথবা প্রকাশ্যে আপনার প্রশংসা করে এবং সেই প্রশংসা শোনার পরও যদি আপনার মন প্রশংসাকারীর প্রতি আকৃষ্ট না হয় অথবা কোনো সিদ্ধান্ত প্রদানের ক্ষেত্রে অন্য লোকজনকে বাদ দিয়ে আপনার মন যদি প্রশংসাকারীর দিকে ধাবিত না হয় তবে নিশ্চিতভাবে জেনে নিন, আপনি একজন ভালো মানুষ। ভালো মানুষেরা প্রশংসার ভিখারি হয় না- প্রশংসা তাদের প্রভাবিত করতে পারে না এবং তারা মানুষের প্রশংসা পাওয়ার জন্য কোনো কাজ করা তো দূরের কথা- এমনটি করার কথা কল্পনাও করে না। বড় বড় অলি-আল্লাহগণের সম্মুখে যদি কেউ তাদের প্রশংসা করতেন তবে তারা মনে আল-হামদুলিল্লাহ এবং লা হাওলা ওয়ালা কু’ওয়াতা ইল্লা বিল্লা বলে নিজেকে সংযত রাখতেন।’

 

  • সর্বশেষ
  • পঠিত

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫