ঢাকা, মঙ্গলবার,২৩ মে ২০১৭

আরো খবর

স্টুডেন্টস কেবিনেট নির্বাচন ৩০ মার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক

২১ মার্চ ২০১৭,মঙ্গলবার, ০০:২৯


প্রিন্ট

কিশোর বয়স থেকে শিার্থীদের মধ্যে গণতন্ত্র চর্চার লক্ষ্যে মাধ্যমিক স্তরের শিাপ্রতিষ্ঠানে স্টুডেন্টস কেবিনেট নির্বাচন আগামী ৩০ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। দেশের ২২ হাজার স্কুল ও মাদরাসার ৮০ লাখ কিশোর-কিশোরী ভোটার নির্বাচিত করবে তাদের প্রতিনিধি। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী মিলে গঠিত হবে ২২ হাজার ‘ছোটদের মন্ত্রিসভা’। তবে ৩০ মার্চ কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন থাকায় সেখানকার নির্বাচন কয়েকদিন পরে অনুষ্ঠিত হবে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে বলা হয়েছে।
নির্বাচনের আর মাত্র ৯ দিন বাকি। চলছে প্রচারণা ও প্রস্তুতি। প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছে, ঝুলানো হয়েছে হাতে লেখা পোস্টার। নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমাসহ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে এরই মধ্যে। নির্বাচিত নেতারা ভূমিকা রাখবে স্কুল ও মাদরাসার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে। শিা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শিার্থীদের প্রত্য ভোটে নির্বাচিত আটজন প্রতিনিধি নিয়ে এক বছরের জন্য স্টুডেন্টস কেবিনেট গঠিত হবে। ভোটার তালিকাভুক্ত যেকোনো শিার্থী নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবে। প্রত্যেক ভোটার প্রত্যেক শ্রেণীতে একটি এবং সর্বোচ্চ তিনটি শ্রেণীতে দু’টি করে মোট আটটি ভোট দিতে পারবে। প্রত্যেক শ্রেণী থেকে একজন করে পাঁচটি শ্রেণী হতে পাঁচজন এবং পরবর্তী সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্ত তিন শ্রেণী থেকে আরো তিনজন নিয়ে আটজনের স্টুডেন্টস কেবিনেট গঠিত হবে। এ কেবিনেটের মেয়াদ হবে এক বছর। এ কেবিনেট শিাপ্রতিষ্ঠানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ পরিবেশ সংরণ, পুস্তক ও শিখন সামগ্রী, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি, পানিসম্পদ, বৃরোপণ ও বাগান তৈরি, অভ্যর্থনা ও আপ্যায়নসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখবে। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে চাহিদার ভিত্তিতে সাংবার্ষিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে।
শিার্থীদের মধ্য থেকেই নির্বাচন কমিশনার, প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার, পোলিং এজেন্ট নির্বাচন হবে। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত ও ভোটার তালিকাভুক্ত শিার্থীরা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবে। তবে এ নির্বাচনে কোনো প্রতীক ব্যবহƒত হবে না। নির্বাচনে মুদ্রিত পোস্টার, ফেস্টুন, লিফলেট ব্যবহার করা যাবে না। হাতে লেখা পোস্টার, ফেস্টুন, লিফলেট ব্যবহার করতে হবে।
উল্লেখ্য, পরীামূলকভাবে ২০১৫ সালে শুরু হওয়া এ নির্বাচন ৪৮৭টি উপজেলা ও আটটি মহানগরের এক হাজার ৪৩টি শিাপ্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর মধ্যে ৪৯৫টি মাধ্যমিক স্কুল, ৪৮৭টি দাখিল মাদরাসা ও ৬১টি কারিগরি স্কুল ছিল।

 

 

অন্যান্য সংবাদ

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫