ঢাকা, সোমবার,২৪ এপ্রিল ২০১৭

শেষের পাতা

হেলথ টিপস : পাইলস প্রতিরোধে করণীয়

২১ মার্চ ২০১৭,মঙ্গলবার, ০০:০০


প্রিন্ট

মেডিক্যালের ভাষায় পাইলসকে হেমোরয়েড বলা হয়। এ রোগে আক্রান্ত হলে মলদ্বারের রক্তনালী ফুলে যায় এবং মলত্যাগের সময় রক্ত পড়ে। তরুণ ও বৃদ্ধরা সাধারণত পাইলসে আক্রান্ত হন বেশি। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে এই রোগ হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বে শতকরা চার থেকে পাঁচজনই এই রোগে আক্রান্ত। মলত্যাগে জটিলতা ও কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে পাইলসে আক্রান্ত হওয়ার সমূহ আশঙ্কা থাকে। কারো কারো ক্ষেত্রে পাইলস বংশগত কারণেও হয়ে থাকে। এ ছাড়া স্থূলকায়, যকৃতের রোগী, বৃহদান্ত্রের প্রদাহজনিত কারণে, বৃহদান্ত্র ও মলাশয় ক্যান্সার ও মলদ্বারে অপারেশনের কারণে পাইলস হয়ে থাকে। মলত্যাগের সঙ্গে রক্ত পড়া পাইলসের প্রধান উপসর্গ। এ ছাড়া মলদ্বারে বাড়তি মাংস, চুলকানি, ভেজা ভেজা ভাব ও অস্বস্তি ইত্যাদি উপসর্গও থাকতে পারে। এই রোগ প্রতিরোধে খাবার-দাবারে সতর্ক থাকা এবং নিয়মিত শরীরচর্চা করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। সেই সাথে পান করতে হবে প্রচুর পানি এবং খেতে হবে তরলজাতীয় খাবার। খাদ্যতালিকায় অবশ্যই পর্যাপ্ত আঁশজাতীয় খাবার থাকতে হবে যেমনÑ শাকসবজি, ফল-ফলালি, ইসপগুলের ভুসি ইত্যাদি। মাছ-গোশত যত কম খাওয়া যায় ততই ভালো। এ নিয়মগুলো মেনে চললে এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধ (মলদ্বারের মলম, ক্রিম, ঢুশ, ওষুধ ইত্যাদি) ব্যবহার করলে শতকরা ৮০ ভাগ পাইলস বিনা অপারেশনেই সেরে যায়। তবে রোগটি জটিল আকার ধারণ করলে অবশ্যই সুচিকিৎসার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। ইন্টারনেট।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫