ঢাকা, শনিবার,১৬ ডিসেম্বর ২০১৭

আরো খবর

ফটোসাংবাদিক আফতাব আহমেদ হত্যা মামলার রায় ২৮ মার্চ

আদালত প্রতিবেদক

২১ মার্চ ২০১৭,মঙ্গলবার, ০০:০০


প্রিন্ট

ফটোসাংবাদিক আফতাব আহমেদ হত্যা মামলার রায় ২৮ মার্চ। গতকাল ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক আব্দুর রহমান রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের জন্য ২৮ মার্চ পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন। আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মাঈনুদ্দিন ও রাষ্ট্র পক্ষে মাহফুজুর রহমান লিখন।
মামলার আসামিরা হলো আফতাব আহমেদের গাড়িচালক মো: হুমায়ুন কবির, মো: বিল্লাল হোসেন, হাবিব হাওলাদার, মো: রাজু মুন্সি, মো: সবুজ খান ও মো: রাসেল।
উল্লেখ্য ২০১৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর পশ্চিম রামপুরা ওয়াপদা রোডে ৬৩ নম্বরের নিজ বাসায় খুন হন ফটোসাংবাদিক আফতাব আহমেদ। পরদিন সকালে তার হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। চার তলার ওই বাড়ির তৃতীয় তলায় আফতাব আহমেদ একাই বসবাস করতেন। লাশ উদ্ধারের সময় তার বাসার আলমারিসহ প্রায় সবকটি আসবাবপত্র তছনছ অবস্থায় পাওয়া যায়। লুট করা হয় টাকা, দুটি বাক্স ভরা তার কর্মজীবনে ব্যবহৃত সবকটি ক্যামেরা ও দুর্লভ ছবি। মামলাটিতে গত বছর ২৫ মার্চ আদালতে চার্জশিট দেন। ডাকাতিপূর্বক হত্যার অভিযোগে দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারায় ওই আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ২৪ জুলাই অভিযোগ গঠন করেন আদালত। আসামিদের মধ্যে হাবিব, বিল্লাল ও হুমায়ুন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে।
আলোকচিত্র সাংবাদিকতায় অনন্য অবদানের জন্য ২০০৬ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন আফতাব আহমেদ। ১৯৬৪ সালে দৈনিক ইত্তেফাক দিয়ে তার আলোকচিত্র সাংবাদিকতার শুরু। ২০০৬ সালে কর্মজীবন থেকে অবসর নেন তিনি। আফতাব আহমেদ তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষ, ৭৫ সালে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যা, স্বৈরশাসনসহ সবকটি আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসিকতার সঙ্গে ছবি তুলেছেন। কর্মজীবনে আফতাব আহমেদ সুনামের সঙ্গে বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন। তবে প্রবীণ এ আলোকচিত্রীর কর্মজীবন শুরু হয় স্কুলের শিক্ষকতা দিয়ে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫