পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি

৯ মে’র মধ্যে কমিশন গঠনের অগ্রগতি জানাতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যের প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে কমিশন বা কমিটি গঠনের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানাতে সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৯ মে’র মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে এ বিষয়ে জানাতে বলা হয়েছে।
গতকাল বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে জারি করা রুলের শুনানিকালে রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।
গত ১৫ ফেব্রুয়ারি পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যের প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে কমিশন বা কমিটি গঠনের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একই সাথে প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের কেন বিচারের মুখোমুখি করা হবে না, তা-ও জানতে চান আদালত।
এ ছাড়া ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে ১৯৫৬ সালের ‘ইনকোয়ারি অ্যাক্ট’ এর তৃতীয় অনুচ্ছেদ এবং সংশ্লিøষ্ট অন্যান্য আইন অনুযায়ী কমিটি বা কমিশন গঠনের নির্দেশ কেন দেয়া হবে নাÑ তা সরকারের কাছে জানতে চাওয়া হয় রুলে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, যোগাযোগ সচিব ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।
এ ছাড়া আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী এ তদন্ত কমিটি গঠনে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে প্রতিবেদন আকারে তা দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘ইউনূসের বিচার দাবি : আওয়ামী লীগ ও সমমনা দলগুলো একাট্টা’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এটিসহ কয়েকটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদন নজরে এলে আদালত স্বতঃপ্রণোদিত রুলসহ এ আদেশ দেন।

 

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.