ঢাকা, সোমবার,২৬ জুন ২০১৭

নিত্যদিন

কুতুবিয়া মসজিদ

২১ মার্চ ২০১৭,মঙ্গলবার, ০০:০০


প্রিন্ট

আজ তোমরা জানবে কুতুবিয়া মসজিদ সম্পর্কে। এ মসজিদ দৃষ্টি আকর্ষক; সৌন্দর্যমণ্ডিত। প্রাচীন এই মসজিদের অবস্থান আফ্রিকার মরক্কোয়। দেশটির মারাকেচ শহরের সবচেয়ে বড় মসজিদ এটি। এ মসজিদের মিনার নির্মিত হয় আলমোহাদ খলিফা ইয়াকুব আল-মনসুরের শাসনের যুগে (১১৮৪-১১৯৯)। লিখেছেন মুহাম্মদ রোকনুদ্দৌলাহ্
কুতুবিয়া একটি প্রাচীন মসজিদ। এটি বিশ্বের সেরা মসজিদ-মিনারগুলোর একটি। এ মিনারের অনুকরণে স্পেনের সেভিলের গিরাল্ডা (বুরুজবিশেষ) ও আফ্রিকার রাবাতের হাসান বুরুজ নির্মাণ করা হয়।
মসজিদটি নির্মাণ করা হয় ঐতিহ্যবাহী আলমোহাদ স্থাপত্য ঘরানায় এবং এর বুরুজ বা মিনারে স্থান পেয়েছে চারটি তামার গোলক। বুরুজের উচ্চতা ৬৯ মিটার (২২১ ফুট) এবং পার্শ্বিক দৈর্ঘ্য ১২ দশমিক ৮ মিটার (৪১ ফুট)। মিনারটিতে একটির ওপর আরেকটি মোট ছয়টি কক্ষ স্থান পেয়েছে যেগুলোতে হেলানরীতিতে তৈরি করা হয়েছে সিঁড়ির পরিবর্তে বিশেষ পথ। এ পথ দিয়ে মুয়াজ্জিন ঝুল বারান্দায় উঠতে পারেন।
কথিত আছে আদিতে মসজিদের গোলক ছিল তিনটি, যেগুলো ছিল খাঁটি সোনার তৈরি। চতুর্থ গোলকটি নির্মিত হয় ইয়াকুব আল-মনসুরের স্ত্রীর সৌজন্যে। তিনি রমজান মাসে একটি রোজা রাখতে ব্যর্থ হন। রোজা রাখতে ব্যর্থ হওয়ার ক্ষতিপূরণ হিসেবে তিনি তার স্বর্ণের অলঙ্করণ গলিয়ে চতুর্থ গোলকটি নির্মাণ করেন। কুতুবিয়া মসজিদের নামকরণ করা হয় আরবি শব্দ আল-কুতুবিয়ান থেকে যার অর্থ গ্রন্থাগারিক।
প্রতিদিন অনেক মুসল্লি কুতুবিয়া মসজিদে নামাজ আদায় করেন। এ মসজিদ পরিদর্শনেও আসেন অনেক মানুষ। তথ্যসূত্র : ওয়েবসাইট

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫