ঢাকা, শুক্রবার,১৮ আগস্ট ২০১৭

নিত্যদিন

নিত্যোপন্যাস

বিরোধী দল

রকিব হাসান

২১ মার্চ ২০১৭,মঙ্গলবার, ০০:০০


প্রিন্ট

পঞ্চাশ.
পাথরে তৈরি ছোট বাড়িটার সামনে এসে দাঁড়াল ওরা। দরজা লাগানো। তবে খুঁজতে খুঁজতে একটা খোলা জানালা পাওয়া গেল। ঢুকে পড়ল রাজু। টর্চ জ্বেলে টেলিফোনটা কোথায় দেখল। আলো আবার নিভিয়ে দিয়ে এগিয়ে গেল ওটার দিকে। রিসিভার তুলে কানে ঠেকাতেই অপারেটরের কথা শোনা গেল, ‘নাম্বর, প্লিজ।’
‘পুলিশ স্টেশন। জলদি করুন, প্লিজ!’
কয়েক সেকেন্ড পরেই শোনা গেল ভারী পুরুষ-কণ্ঠ, ‘থানা থেকে বলছি।’
‘ইনসপেক্টর সাহেব আছেন? প্লিজ, তাকে বলুন রাজু কথা বলতে চায়। প্লিজ, একটু তাড়াতাড়ি করুন।’
ওই ঘরেই রয়েছেন ইনসপেক্টর। ফোন ধরলেন। ‘রাজু? কী হয়েছে?’
‘স্যার, সব বলার সময় নেই এখন। সিক্স-টু মালগাড়িটাকে মেইন লাইন থেকে সাইড লাইনে সরিয়ে আনা হয়েছে কেপলীর কাছে, মাল নামানোর চত্বরে। মাল লুট করছে ডাকাতেরা। ওদের বসের নাম জেনেছি, ডিকি টিজার।’
‘ডিকি টিজার!’ বিস্ময়ে চিৎকার করে উঠলেন ইনসপেক্টর। ‘তুমি জানলে কিভাবে...থাক, পরে হবে ওসব কথা। আমি এখুনি আসছি।’

সময় যাচ্ছে। রাজুর মনে হলো দীর্ঘ এক যুগ পেরিয়ে গেল। এখনও আসছে না কেন পুলিশ? আর থাকতে পারল না সে। ডাকাতেরা কী করছে দেখতে চলল।
জানালা গলে বাইরে বেরোল। পা টিপে টিপে এগিয়ে চলল চত্বরে, যেখানে মাল নামাচ্ছে ডাকাতেরা। ভীষণ অন্ধকার। নীরব। এত সতর্ক থেকেও শেষ রক্ষা করতে পারল না সে, ধাক্কা লাগাল কারো গায়ে।
‘কে?’ চেঁচিয়ে উঠল লোকটা। ধরে ফেলল রাজুকে। ‘এই, কে তুমি? এখানে কী?’
টর্চ জ্বলে উঠল। জন বলল, ‘আরে, তুমি! সেদিন সকালে গাড়ি দেখতে এসেছিলে না! এতরাতে এখানে কী করছ?’
চুপ করে রইল রাজু। কী জবাব দেবে?
(চলবে)

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫