ঢাকা, শনিবার,১৮ নভেম্বর ২০১৭

আরো খবর

দুদকের মামলায় সিলেট বিআরটিএ’র তিন কর্মকর্তা জেলহাজতে

সিলেট ব্যুরো

২১ মার্চ ২০১৭,মঙ্গলবার, ০০:০০


প্রিন্ট

দুদকের দায়ের করা জালিয়াতির মামলায় সিলেট বিআরটিএ’র তিন কর্মকর্তাকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আকবর হোসেন মৃধার আদালতে আত্মসমর্পণ করে এ তিন কর্মকর্তা জামিন আবেদন করলে বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা জালিয়াতি মামলার আসামি ওই তিনজন হলেনÑ বিআরটিএ সিলেটের সহকারী পরিচালক এনায়েত হোসেন মন্টু, মোটরযান সহকারী কেশব কুমার ও উচ্চমান সহকারী আব্দুর রব।
আদালতের পিপি মফুর আলী বলেন, গতকাল তিন কর্মকর্তা প্রথমে মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে আদালত তাদের আবেদনটি মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠিয়ে দেন।
দায়রা জজ আদালত তাদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, কার্নেট সুবিধায় আনা গাড়ি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে ১৭ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে দেন বিআরটিএ সিলেট অফিসের এ তিন কর্মকর্তা। এ ঘটনায় তিন কর্মকর্তা ও প্রবাসীসহ মোট ছয়জনের বিরুদ্ধে গত ৬ ফেব্রুয়ারি মামলা করেন দুদক ঢাকা অঞ্চলের উপপরিচালক ফরিদুর রহমান। কোতোয়ালি থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।
বিআরটিএ সিলেটের এ তিন কর্মকর্তা ছাড়াও মামলার অপর আসামিরা হলেনÑ সিলেটের বিশ্বনাথের বাসিন্দা কার্নেট সুবিধায় গাড়ি আমদানিকারক ও বিক্রেতা প্রবাসী রুপা মিয়া, বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা পংকি খান ও গাড়ি ক্রয়কারী সিলেটের বাগবাড়ী এলাকার বাসিন্দা মুর্শেদ আলম বেলাল। মামলা দায়েরের পর জালিয়াতির সাথে জড়িত গাড়ি ক্রেতা মুর্শেদ আলম বেলালকে গ্রেফতার করেছে দুদক।
দুদক সূত্র জানায়, ২০১০ সালে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে কার্নেট সুবিধায় দেশে গাড়ি নিয়ে আসেন বিশ্বনাথের প্রবাসী রুপা মিয়া। তিনি এ গাড়িটি মুর্শেদ আলম বেলালের কাছে ২৯ লাখ টাকায় বিক্রি করেন। এতে সরকারের প্রায় পৌনে ২ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেয়া হয়। গাড়িটির ইঞ্জিন-চেসিস নম্বর ঘষামাজা করে রেজিস্ট্রেশন করে দেন সিলেট বিআরটিএ কর্মকর্তারা। এ জন্য ১৭ লাখ টাকা ঘুষ নেন সিলেট বিআরটিএ কর্মকর্তারা। আর গাড়ি বিক্রি থেকে শুরু করে রেজিস্ট্রেশন করানোর মধ্যস্থতা করেন বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি পংকি খান। যে কারণে মামলায় তাকেও আসামি করা হয়।

 

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫