ঢাকা, মঙ্গলবার,২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭

উপমহাদেশ

আরেকজন অবিবাহিত মুখ্যমন্ত্রী পেল ভারত

নয়া দিগন্ত অনলাইন

২০ মার্চ ২০১৭,সোমবার, ১২:২৯


প্রিন্ট

ত্রিবেন্দ্র সিংহ রাওয়াত, মনোহরলাল খাট্টার, সর্বানন্দ সোনোওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নবীন পট্টনায়ক। এদের মধ্যে মিল কোথায় বলুন তো? হ্যাঁ, একটা মিল তো পরিষ্কার, এরা প্রত্যেকেই কোনো না কোনো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু আরও একটা মিল আছে। এই মুখ্যমন্ত্রীরা সবাই অবিবাহিত।

‘একলা চলো রে’ নীতিতে বিশ্বাসী এই মুখ্যমন্ত্রীদের ক্লাবেই এবার নাম লেখালেন নাথপন্থী সাধু যোগী আদিত্যনাথ। দেশের রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ তাদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট, তার বয়স ৪৪। অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়ালের বয়স ৫৪, উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিংহ রাওয়াতের বয়স ৫৬, হরিয়ানার মনোহরলাল খাট্টারের ৬২। তারই সমবয়সী মমতা। সবথেকে বয়স্ক ওড়িষ্যার দীর্ঘদিনের মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক, তিনি ৭০ পেরিয়েছেন।

চিরকুমার আদিত্যনাথ উত্তরপ্রদেশেরও প্রথম অবিবাহিত মুখ্যমন্ত্রী।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নবীন পট্টনায়েককে বাদ দিলে বাকি সব অবিবাহিত মুখ্যমন্ত্রীই বিজেপির। কিছুদিন আগে মৃত্যু হয়েছে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার। বিয়ে করেননি তিনিও।

মুখ্যমন্ত্রী নন, এমন রাজনীতিকও অনেক, যারা বিয়ে করেননি। রাহুল গান্ধী রয়েছেন, বয়স ৪৬ পার হলেও কবে বিয়ে করবেন ঠিক নেই। বিএসপি সুপ্রিমো কুমারী মায়াবতী, বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উমা ভারতী- এরা সবাই অবিবাহিত। বিয়ে না করাটা রাজনীতিকদের কাছে অহঙ্কার, মায়াবতী তো তার প্রায় প্রতিটি নির্বাচনী সভায় গর্ব করে বলেন, আমি নীচু জাতের প্রতিনিধি, অবিবাহিত, আমি আপনাদের সেবায় সর্বস্ব দিয়েছি। নবীন পট্টনায়েকও বলেন, কংগ্রেসের গান্ধীদের মতো তার কোনো পরিবার নেই, তাই তার সরকার কখনো পরিবারতন্ত্র চালু করবে না।

রাহুল অবশ্য কখনও বলেননি, তিনি বিয়ে করবেন না। বরং বলেন, যোগ্য পাত্রী মেলার অপেক্ষা করছেন তিনি।

এছাড়াও রয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার ও গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পর্রীকর। এরা বিপত্নীক।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীও অবিবাহিত ছিলেন। জনসভায় বলতেন, যেহেতু তিনি বিয়ে করেননি, তাই কাউকে কিছু পাইয়ে দেওয়ার প্রশ্ন নেই। বিয়ে করেননি আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতও।

সর্বজন শ্রদ্ধেয় প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এ পি জে আবদুল কালামও চিরকুমার ছিলেন।

সূত্র: এবিপি আনন্দ

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫