ঢাকা, মঙ্গলবার,২৭ জুন ২০১৭

নিত্যদিন

একটি দুঃখী ভূতের ছানা

সারমিন ইসলাম রতœা

২০ মার্চ ২০১৭,সোমবার, ০০:০০


প্রিন্ট

(গতদিনের পর)
এত সহজে ছাড় দেবো ভেবেছিস, রহস্যটা উদঘাটন করতে হবে না? হেসে ফেলল পল্টু। হাসতে হাসতে বলল, দুষ্টু কোথাকার। অন্তু চলে যাওয়ার পর মাঝে মাঝে অন্তুর সঙ্গে কথা হতো। একটা সময় সেটাও কমে এলো। মানুষ চোখের আড়াল হলেই কি সত্যিই মনের আড়াল হয়ে যায়?
ভূতের ছানা লাল্টুর সঙ্গে পল্টুর সম্পর্কটা ভীষণ জমে উঠেছে। ওরা একে অপরকে ছাড়া ঠিকমতো লেখাপড়াই করতে পারে না। ক্লাস সিক্স থেকে সেভেনে উঠেছে ওরা, সেভেন থেকে এইট। সামনে এইটের ফাইনাল পরীক্ষা। বেশি বেশি পড়তে হবে। আব্বু ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেনÑ পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করলে পল্টুকে একটা সাইকেল কিনে দেবেন। পল্টু বলেছে, সাইকেল না সে অনেকগুলো গল্পের বই পেতে চায়। আপত্তি করেননি আব্বু। তবে শর্ত বেঁধে দিয়েছেন, পল্টু যেমনভাবে চলছে সেই ধারা বজায় রাখতে হবে। পল্টু কিছু বলেনি। মিটি মিটি হেসেছে। লাল্টুর মতো এমন একজন বন্ধু থাকতে সে কি কোনো কিছুকে ভয় করতে পারে? মজার ব্যাপার হলোÑ ওর এই বন্ধুটি ভূত হোক আর যা-ই হোক, লেখাপড়ায় খুব ভালো। এমনিতেই মানুষের চেয়ে ভূতদের ব্রেইন অনেক শার্প হয়।(চলবে)

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫