ঢাকা, মঙ্গলবার,২৩ মে ২০১৭

খুলনা

শিক্ষক নেতা ইজ্জত আলীর বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন 

আব্দুল মান্নান, শার্শা (যশোর) সংবাদদাতা

১৮ মার্চ ২০১৭,শনিবার, ১৩:৪৮


প্রিন্ট

অবশেষে শার্শার আলোচিত শিক্ষক নেতা ইজ্জত আলীর বিরুদ্ধে বুধবার বিভাগীয় তদন্ত সম্মন্ন হয়েছে। দিন ব্যপি তদন্ত করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ডিভিশনের সহকারী পরিচালক (প্রগ্রাম) মোহাম্মাদ রকিব উদ্দীন। অভিযোগে প্রকাশ গত ২৩ নভেম্বর/১৬ তারিখে পি এস সি পরীক্ষা চলাকালে বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দের ১৪ নং কক্ষে হল সুপার বজলুর রহমান নিজেই চেয়ারে বসে ছাত্র ছাত্রিদের প্রশ্নোত্তর বলে দেওয়ার অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিট্রেট আব্দুস সালাম ঐ শিক্ষককে উপজেলা পরিষদে নিয়ে আসেন। কথিত শিক্ষক নেতা ও কেন্দ্র সচিব ইজ্জত আলী হল সুপার বজলুর রহমান পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নোত্তর বলে দেওয়ার অভিযোগে হল সুপারের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি প্রদান করেন। এবং একই অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিট্রেট আব্দুস সালামের নিকট শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রসিকিউশন দাখিল করায় ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। বজলুর রহমানকে কারাদন্ড দেওয়ায় শিক্ষক সমিতির অনির্বাচিত সভাপতি ও দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইজ্জত আলীর নেতৃত্বে বজলুর রহমানকে মুক্ত করে আনার জন্য স্কুল চলাকালীন সময় সকল শিক্ষকদেরকে বাধ্যতা মূলক শার্শায় নির্বাহী অফিসারের অফিস চত্বরে জড় করে। অতি উৎসাহী হয়ে ইজ্জত আলী ও কতিপয় শিক্ষক নেতা ইউএনওর বদলীর দাবী ও বজলূর রহমানের নির্শত্ব মুক্তি দাবী করে যশোর বেনাপোল মহাসড়কে ব্যানার ফেস্টুনসহ মানব বন্ধন করে। স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে কুরুচী পূর্ন ব্যানার লিখে যশোর বেনাপোল মহাসড়কে মানব বন্ধন, সাংবাদিক সম্মেলন ও স্থানীয় প্রশাসনকে হুসিয়ারী দেওয়ায় সরকারি চাকুরীবিধী লঙ্ঘনের অভিযোগে গত ১৫ ডিসেম্বর ২০১৬ ইং তারিখে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি ও অপারেশন শাখায় পত্র প্রেরণ করেন। উল্লেখিত অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৫ ই মার্চ এক সদস্যের তদন্ত টিমের প্রধান রকিব উদ্দীন সরেজমিনে তদন্ত করেন । তদন্ত কর্মকর্তার সাথে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিনিধিকে বলেন এঘটনার সাথে জড়িত কয়েক জন শিক্ষক চিহিৃত হয়েছে। অধিকতর তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তবে তদন্তের সার্থে এ মুহুর্তে তাদের নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫