ঢাকা, মঙ্গলবার,২৩ মে ২০১৭

অপরাধ

আমরা হলি আর্টিজান-শোলাকিয়া থেকে বের হতে পারিনি : ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ মার্চ ২০১৭,শুক্রবার, ২০:২৩


প্রিন্ট

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমরা হলি আর্টিজান, শোলাকিয়া, কল্যাণপুর থেকে বের হতে পারিনি। আজও আশকোনায় ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছে। আজকেরটা আরো ভয়াবহ।’

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে শুক্রবার বিকেলে বাঙালি সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সংগঠনের সভাপতি চয়ন ইসলামের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক হারুন-অর-রশীদ, আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মেহেরীন জাহান কবিতা, খায়রুল আজম বাসার প্রমুখ।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এসবের মূল কারণ সাম্প্রদায়িক অপশক্তি। এরা কিছুদিন হামলা চালিয়ে আড়ালে চলে যায়। আবার আসে, আবার হামলা করে। এ অপশক্তিকে প্রতিহত করতে হবে, পরাজিত করতে হবে এবং বিজয়ী হতে হবে।
বিএনপিকে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক অপশক্তির প্রধান পৃষ্ঠপোষক আখ্যা দিয়ে কাদের বলেন, ‘এখানে যেসব হামলা হচ্ছে। সাম্প্রদায়িক অপশক্তির উত্থানে তথা বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক অপশক্তির প্রধান পৃষ্ঠপোষক বিএনপি। একারণে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সকল অভিযানে তারা অন্তর্জ্বালায় ভুগছে। তার পরও বলি যথাসময়ে নির্বাচন হবে, নেতিবাচক রাজনীতি পরিহার করে ইতিবাচক চিন্তা নিয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন। নির্বাচনের অধিকার আপনাদেরও আছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, কিছু কিছু কর্মী ক্ষমতার দাপট দেখায়। তারা টিভিতে দাপট দেখায়, বেতারে দেখায় এই দাপট দেখানো বন্ধ করতে হবে। আবার সংস্কৃতি চর্চার নামে দোকান বন্ধ করতে হবে। ব্যাঙের ছাতার মতো দোকান। এই দোকান বন্ধ করতে হবে। এরকম আমাদের দলের নাম নিয়েও করা হচ্ছে। আজ টুঙ্গিপাড়া থেকে ফেরার পথে দেখলাম আওয়ামী প্রচার লীগ। আওয়ামী লীগে এত বড় একটা প্রচার সেল থাকার পর এসবের দরকার আছে বলে আমি মনে করি না। আওয়ামী তরুণ লীগ, প্রজন্ম লীগ, অভিভাবক লীগ এরকম যে কত দোকান আছে তার হিসেব নেই।

কাদের বলেন, ‘মাঝে মাঝে ভাবি আমরা পলিটিক্সটাকে যদি ঠিক করতে পারতাম সব ঠিক হয়ে যেতো। সব সমস্যার মূলে রয়েছে আমাদের নেতিবাচক রাজনীতি। আমাদের দলেই দেখেছি এখানে কর্মী হওয়ার আগেই নেতা হতে চায়। কর্মী আজকাল আর থাকতে চায় না; সবার ইজ্জতে লাগে। ইদানিং সিট ভাগাভাগি ঝগড়া, রুম ভাগাভাগি কত কি! শুধু ছেলেদের হলে নয় মেয়েদেরও কিছু কিছু হলে, হোস্টেল এমন ঘটনা ঘটতে দেখা যাচ্ছে। এসব ঘটনা থেকে কি আমরা বের হয়ে আসতে পারবো না?

 

 

অন্যান্য সংবাদ

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫