ঢাকা, শুক্রবার,২৬ মে ২০১৭

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

মায়ের লাশের সাথেই ক’দিন কেটে গেল ৩ বছরের শিশুটির

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১৭ মার্চ ২০১৭,শুক্রবার, ১৫:৫৩


প্রিন্ট
প্রতিকী ছবি

প্রতিকী ছবি

তিন বছরে ছোট্ট মেয়েটা ভেবেছিল, মা ঘুমিয়ে আছে। বাড়িতে টিভি চলছিল। কখনও টিভি দেখেছে, কখনও কেঁদেকেটে মাকে ঘুম থেকে তোলার চেষ্টা করেছে। কিন্তু মা ওঠেনি। অগত্যা মেঝেয় পড়ে থাকা খাবারের কনা কুড়িয়েই পেট ভরানোর চেষ্টা করেছে। শেষপর্যন্ত এক সামাজিক প্রকল্পের কর্মী ফ্ল্যাটে এসে দেখেন, বাড়িতে ওই শিশুটি ছাড়া আর কারুর সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। দরজা খুলে দেখতে পান, শিশুটির মায়ের প্রাণহীন দেহ পড়ে রয়েছে বিছানায়।

আমেরিকার ইস্ট হার্টফোর্ডে গত সোমবার ৩৭ বছর বয়সী ওই মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

শিশুটিকে একা একা ঠিক কতগুলো দিন মৃত মায়ের সঙ্গে কাটাতে হয়েছে, তা তদন্তকারীরা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। তবে তারা বলছেন, বেশ কয়েকটা দিন তাকে ওই অবস্থায় কাটাতে হয়েছিল।

মৃত মহিলা ও তার শিশুর পরিচয় জানানো হয়নি। ওই মহিলাকে কেউ খুন করে গেছে, এমন কোনও প্রমাণ পুলিশ পায়নি। তবে লাশের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে জানা যাবে, মহিলার মৃত্যু কীভাবে হয়েছে।

শিশুটি কয়েকদিন ধরেই ডে কেয়ার সেন্টারে আসছে না দেখে খোঁজ নিতে গিয়েছিলেন সামাজিক প্রকল্পের ওই কর্মী। শিশুটিকে একটি মেডিক্যাল সেন্টারে চিকিত্সার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সে সম্পূর্ণ সুস্থ। তবে কিছুটা শুকিয়ে গিয়েছে।

এক প্রতিবেশী বলেছেন, ওই মহিলা ও তার শিশুটির অ্যাপার্টমেন্টে গত সপ্তাহ থেকেই খুব জোরে টেলিভিশনের আওয়াজ আসছিল। তিনি শিশুটিকে কাঁদতে ও চিৎকার করতেও শুনেছেন। তিনি ভেবেছিলেন, মেয়েটিকে হয়তো বকাঝকা করা হয়েছে। অন্য কোনো কিছু সন্দেহজনক তার মনে হয়নি। ওই প্রতিবেশী আরও বলেছেন, ওই মহিলার লাশ উদ্ধারের পর আমার খুব খারাপ লাগছে। নিজেকে কিছুটা দায়ী মনে হচ্ছে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫