ঢাকা, রবিবার,২৮ মে ২০১৭

সংগঠন

গ্যাস রফতানি চুক্তি : ১৮ মার্চ 'প্রতিবাদ দিবস'

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫ মার্চ ২০১৭,বুধবার, ১৯:৫২


প্রিন্ট

গ্যাস রফতানি চুক্তির প্রতিবাদে ১৮ মার্চ সারা দেশে 'প্রতিবাদ দিবস' পালনের ডাক দিয়েছে তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি। সংগঠনের আহবায়ক প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বুধবার এক বিবৃতিতে এ কর্মসূচি দেন।

বিবৃতিতে বলা হয়- সরকার বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রের ১২ নং ব্লক বিনা টেন্ডারে এবং রফতানির সুযোগ রেখে একটি দক্ষিণ কোরীয় দাইয়ু’র সাথে গত মঙ্গলবার চুক্তি করেছে। শুধু রফতানি নয়, বিদেশি কোম্পানির অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি, শুল্ক মওকুফ ও গ্যাসের কেনা দাম বৃদ্ধিসহ আরও বিভিন্ন সুবিধা দিয়ে এ চুক্তি করা হয়েছে। যা দেশের জন্য আরেকটি আত্মঘাতী জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তির নজির হয়ে থাকলো।
বিবৃতিতে বলা হয়- পুরো চুক্তি প্রক্রিয়াটি অস্বচ্ছ। বিনা দরপত্রে গোপন সমঝোতার ভিত্তিতে করা এই চুক্তি ভুল নীতি ও দুর্নীতির ফল। দায়মুক্তি আইন দিয়ে সকল অস্বচ্ছতা দুর্নীতি অনিয়ম জবাবদিহিতার উর্ধ্বে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয় যে, এই চুক্তি সই হবার কারণে অন্যান্য ব্লকগুলোতেও একই সুবিধা পাবার জন্য ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি এধরনের চুক্তি করার চেষ্টা করবে। ফলে পুরো বঙ্গোপসাগরের সম্পদই দেশের মানুষের হাতছাড়া হবে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়- সরকার একদিকে এ ধরনের চুক্তির মাধ্যমে নিজেদের সম্পদ দেশের কাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে চিরস্থায়ী বাধা সৃষ্টি করছে অন্যদিকে অনেক বেশি দামে এলএনজি আমদানি করে আগামি কয়েক দশকে দেশের অর্থনীতিকে বিপদগ্রস্ত করার পথ গ্রহণ করেছে। এসব নীতির কারণেই অযৌক্তিকভাবে বাড়ানো হচ্ছে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম। পাশাপাশি গ্যাস সংকটের কথা বলে কয়লা আমদানি-নির্ভর সুন্দরবিনাশী রামপাল প্রকল্প করছে। কিছু দেশি ও বিদেশি গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যতকে সরকার নিরাপত্তাহীন করে তুলছে।

 

 

অন্যান্য সংবাদ

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫