এক্সক্লুসিভ ড্রয়িং রুম

নজরুল ইসলাম

অন্দরের মূল আকর্ষণ ড্রয়িংরুম। যেকোনো বাড়িতে ড্রয়িংরুমের ডেকোরেশনকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়, কারণ অতিথি এলে তাকে প্রথমে ড্রয়িং রুমেই বসতে দেয়া হয়।
ড্রয়িং রুম ইন্টেরিয়রের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যেন রুমটি দেখতে আকর্ষণীয় হয়। অনেক খরচ করলেই ভালো ডিজাইন হবে, কিন্তু ঠিক নয়। অল্প খরচেও ভালো কাজ সম্ভব। তবে সে ক্ষেত্রে ম্যাটেরিয়াল সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকা জরুরি। ড্রয়িংরুম ইন্টেরিয়রের ক্ষেত্রে যেসব বিষয়গুলোর ওপর জোর দিতে হবে তা হলো ফ্লোরিং, সোফা, ওয়াল ক্ল্যাডিং, প্যানেলিং, ফলস সিলিং, লাইটিং, টিভি ইউনিট, শোপিস ইউনিট ইত্যাদি।
ফ্লোরিংয়ে সাধারণ ২৪″×২৪″ মিরর পলিস টাইলস ব্যবহার করা হয়। ইচ্ছে করলে মার্বেল বা সলিড উডের ফ্লোরও করা যায়। তা মার্বেল বা সলিড উডেন ফ্লোরে টাইলসের চেয়ে তুলনামূলক খরচ বেশি পড়বে। রুমে যেন পর্যাপ্ত আলো থাকে সে দিকে লক্ষ রেখে পেইন্টের কাজ করতে হবে। রুমের চার দেয়ালের মধ্যে যে দেয়ালটি বেশি চোখে পড়বে, সে দেয়ালটিতে একটু ভিন্ন ডেকরেশন করা যায়। যেমন- টেক্সচার পেইজ, ইলুউশন, ডেকোরেটিভ প্লাস্টার বা উড ক্লাডিজের কাজ করা যায়। দেয়ালে দুই-একটি পাঞ্চ করে বা ওপেন সেলফ দিয়ে শোপিস রাখা যয়। শোপিসের ওপরে স্পট লাইট ব্যবহার করলে ভালো হয়।
আধুনিক ড্রয়িং রুমের মূল আকর্ষণ কনটেস্পোরারি ফলস সিলিং বা উড প্যানেলিং ফলস সিলিং। ফলস সিলিংয়ে হিডেন লাইট, স্পট লাইট, ড্রয়িং লাইটসহ লাইটিংয়ের কাজ সহজ হয়।
রুমের আয়োতনের ওপর নির্ভর করে সোফা ও কফি টেবিল ব্যবহার করতে হবে। ড্রয়িং রুমে টিভি ইউনিট থাকলে ভালো হয়। বর্তমানে ওয়াল সাউন্ড টিভি ইউনিট খুবই জনপ্রিয় এর সাথে শোপিস ইউনিটও তৈরি করা যায়। কয়েকটা গাছের টব রাখা হলে ঘরের ভেতর একটা সতেজ আবহ ছড়িয়ে পড়বে। সব মিলিয়ে ড্রয়িংরুম হয়ে ওঠে রুচিশীল ও আকর্ষণীয়।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.