ঢাকা, বুধবার,২৪ মে ২০১৭

প্রাণি ও উদ্ভিদ

রুপার প্লেটে খাবার খায় এই কুকুর, সম্পদ ৫ কোটি!

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১০ মার্চ ২০১৭,শুক্রবার, ০৮:৪৮


প্রিন্ট

পাশ্চাত্যের লোকজনের কুকুরপ্রীতির খবর হরহামেশা শোনা যায়। অনেকে পোষাপ্রাণীকে উত্তরসূরীও করে যায়। প্রায় এমন কাহিনীই মিলে গেল ভারতের মুম্বইয়ের সাচদে পরিবারের সঙ্গে।
দুটি গোল্ডেন রিট্রিভারকে সন্তান স্নেহে মানুষ করেছেন সাচদে দম্পতি। রুপোর চামচ ও প্লেটে খাইয়ে, গলায় সোনার চেইন পরিয়ে বড় করেছেন। সবাইকে অনুরোধ করেছেন,‘‌ওদেরকে কুকুর বলে ডাকবেন না। ওরা আমার সন্তান।’‌ দুই পোষ্যর নাম দিয়েছেন বাড্ডি ও টিনি। কিন্তু তাদের মৃত্যুর পর সন্তানসম দুই কুকুরের কী হবে, সেই চিন্তাতেই ঘুম হয় না তাদের । নন্দিনী তাই তার ৫ কোটি রুপির সম্পত্তি বাড্ডি ও টিনির নামে করে দিতে চান। যদি সত্যিই তাই হয়, তাহলে মুম্বইয়ের ধনীতম সারমেয় হতে চলেছে এই দুটি।
এটা কিন্তু বড়লোকের খেয়াল নয়, অপত্য স্নেহ। যতই স্নেহের কুকুর হোক, সাধারণত পরিবারের মানুষরা পোষ্যের প্লেটে খাবার খায় না। কিন্তু সাচদে দম্পতি এক্ষেত্রেও আলাদা। বাড্ডি ও টিনির প্লেটেই তাদের খাবার ওঠে। নন্দিনীর মতে,‘‌মানুষের সন্তান হলে আমরা একই প্লেট ব্যবহার করতাম। ওরা আমার সন্তান, তাই আমরা বাড্ডি ও টিনির ব্যবহার করা রুপোর প্লেটেই খাই।’‌
১৯৯৮ সালে নন্দিনী মুম্বইতে আসেন। ২০০২ সালে ব্যবসায়ী নিমেশের সঙ্গে বিবাহ হয়। আর পাঁচ মহিলা মতোই নন্দিনীর স্বপ্ন ছিল মা হওয়ার। কিন্তু শারীরিক অসুবিধার কারণে সেই সাধ মেটেনি। নন্দিনী তাই বলেন,‘‌ একদিন নিমেশ বাড্ডিকে কিনে বাড়িতে আনে। ওকে আমি ভালোবেসে ফেলি। বাবা–মায়েরা সন্তানের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার চেষ্টা করেন। আমিও তাই মুম্বই ও কলকাতার সম্পত্তি ওদের নামে করা দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছি।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫