ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২৩ মার্চ ২০১৭

ধর্ম-দর্শন

ফতোয়ার গুরুত্ব ও প্রয়োজন

মাওলানা এইচ এম গোলাম কিবরিয়া

০৯ মার্চ ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৬:৫৭


প্রিন্ট

ফতোয়া মুসলমানদের জীবনব্যাপী উদ্ভূত সমস্যাগুলো সম্পর্কে সমাধান জিজ্ঞাসা ও বিধিবিধান জানার একটি মাধ্যম এবং মুসলিম সমাজকে সুশৃঙ্খল ও নিয়মানুবর্তী রাখার এক কার্যকর উপায়। জীবন ও জগতের ইতিবাচক ও নেতিবাচক ব্যবহারে ফতোয়া অনস্বীকার্য। মানবজীবনে শ্লীলতা ও শালীনতা রক্ষায় এর গুরুত্ব অপরিসীম। স্রষ্টা ও অধিকার সংরক্ষণের এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় তা খুব জরুরি। সব ধরনের অন্যায়, জুলুম-নির্যাতন প্রতিরোধে এটি একটি উপযুক্ত অবলম্বন। সুতরাং ফতোয়া মুসলিম সমাজের এক অত্যাবশ্যকীয় বিষয়। আমাদের দেশে একটি ইসলামবিদ্বেষী চক্র ইসলামের কৃষ্টি-কালচার, পরিভাষা ও আচারের প্রতি জনমানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও ঘৃণা সৃষ্টির অপচেষ্টায় সক্রিয় রয়েছে। তারা বিভিন্ন গণমাধ্যমে নির্বিচারে বিনাবাধায় অব্যাহত ফতোয়ার বিরুদ্ধে বিষোদগার করে যাচ্ছে। যারা এসব কাজ করছে, তাদের বেশির ভাগই মুসলিমঘরের সন্তান। ইসলামি শিক্ষা-সংস্কৃতি ও জীবনাদর্শ সম্পর্কে তাদের চরম অজ্ঞতা এর মূল কারণ। জিহালাত (অজ্ঞতা) চার প্রকারÑ ১. না জানা, ২. জানার পর না মানা, ৩. ভুল জানা বা ভুলভাবে জানা, ৪. জানার পর অস্বীকার করা। যেসব বিষয় ও পরিভাষা সম্পর্কে বিভ্রান্তি ও ঘৃণা ছড়ানো হচ্ছে ফতোয়া তার ভন্তর্ভুক্ত। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে; নিম্ন আদালাত, হাইকোর্ট হয়ে সর্বোচ্চ আদালত থেকে একটি সম্মানজনক ও স্বস্তিদায়ক সুরাহা মিলেছে। কিন্তু মাঠে-ময়দানে আগের অপপ্রচার বন্ধ হয়নি। পক্ষান্তরে ফতোয়া বিষয়ে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ও ফতোয়ার প্রকৃতি ও মর্যাদা রক্ষায় দেশের আলেমসমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। যেকোনো প্রশ্নের উত্তরদানকে আভিধানিক অর্থে ফতোয়া বলা হয়, তা ধর্মীয় বিধানসংশ্লিষ্টও হতে পারে এবং অন্য কোনো বিষয়েও হতে পারে। যেমন কুরআন মজিদে বলা হয়েছে-
‘আর লোকজন তোমার নিকট নারীদের বিষয়ে ফতোয়া (ব্যবস্থা) জানতে চায়। বলো, আল্লাহ তোমাদেরকে তাদের সম্পর্কে ফতোয়া বলে দিচ্ছেন।’ (সূরা নিসা : ১২৭)।
হযরত ইউসুফ আ: কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় তাঁর কাছে মিসরের তৎকালীন বাদশাহর পক্ষ থেকে একটি স্বপ্নের তাবির (ব্যাখ্যা) জানতে চাওয়া হয়েছিল। এ স্থলেও ফতোয়া শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছিল। কুরআন মজিদে ঘটনাটি উল্লেখ করা হয়েছে এভাবে- ‘রাজা বলল, আমি স্বপ্নে দেখলাম, সাতটি মোটাতাজা গাভী, এদেরকে সাতটি শীর্ণকায় গাভী ভক্ষণ করছে এবং দেখলাম, সাতটি সবুজ শীষ ও অপর সাতটি শুষ্ক। হে প্রধানগণ! যদি তোমরা স্বপ্নের ব্যাখ্যা করতে পারো তবে আমার স্বপ্ন সম্পর্কে অভিমত (ফতোয়া) দাও।’ (সূরা ইউসুফ : ৪৩)।
অনুরূপভাবে সুলায়মান আ:-এর সময় সাবা কওমের সম্রাজ্ঞী বিলকিস তার মন্ত্রিপরিষদের কাছে যখন পরামর্শ চেয়েছিলেন, তখন তিনি ‘আফতুনি’ (তোমরা আমাকে ফতোয়া দাও) শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। উভয় ক্ষেত্রেই ফতোয়া শব্দটি পার্থিব সমস্যার সমাধান চাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু শরিয়তের পরিভাষায় কেবল দ্বীনি কোনো সমস্যার সমাধানের ক্ষেত্রে ফতোয়া শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন- কুরআন মজিদে বলা হয়েছে : ‘লোকজন তোমার নিকট ফতোয়া (ব্যবস্থা) জানতে চায়। বলো, পিতামাতাহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি সম্বন্ধে তোমাদেরকে আল্লাহ ফতোয়া (ব্যবস্থা) বলে দিচ্ছেন।’ (সূরা নিসা : ১৭৬)। উপরি উক্ত আয়াত দু’টি থেকে আমরা জানতে পারি, ফতোয়া স্বয়ং আল্লাহ দিয়েছেন। প্রথম আয়াতে মহিলাদের বিয়েসংক্রান্ত ব্যাপারে এবং দ্বিতীয়টিতে ফারায়েজ সম্পর্কে প্রশ্ন ও উত্তর উভয় ক্ষেত্রে ‘ফতোয়া’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। হাদিস শরিফে এসেছে : ‘লোকজন বৈধ বলে ফতোয়া দিলেও সে বিষয়ে যদি তোমার মনে কোনো খটকা সৃষ্টি হয় তবে সেটা গুনাহ।’ ‘ফতোয়া দেয়ার ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি দুঃসাহসী যে জাহান্নামের শাস্তি সম্পর্কে বেপরোয়া।’ উভয় হাদিসে ফতোয়া শব্দটি দ্বীনি বিষয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়েছে। এতে বোঝা যায় যে, সাধারণভাবে ফতোয়া বলতে দ্বীনি যেকোনো সমস্যার সমাধানকে বুঝায়। ( উসুলে ইফতা, মাওলানা তাকি উসমানী)।

শরিয়তের পরিভাষায় ফতোয়া : কুরআন, হাদিস ও নির্ভরযোগ্য ফিকাহের কিতাবগুলোর সাহায্যে স্থান-কাল-পাত্রের প্রতি লক্ষ রেখে একজন দক্ষ ফকিহ বা মুফতি যে অভিমত দেন, ইসলামি শরিয়তে তাকেই ফতোয়া বলে। (ফতোয়া ও মাসাইল, ১ম খণ্ড, ইফা প্রকাশনা)। মুফতির পরিচয় : যে ফিকাহবিদ মানবজীবনের বিভিন্ন ঘটনা ও বিভিন্ন সমস্যাসংক্রান্ত প্রশ্নের শরিয়ত মোতাবেক উত্তর দিয়ে থাকেন, তাকে মুফতি বলা হয় (ফতোয়া ও মাসাইল, ১ম খণ্ড; ইফা.)।

ফতোয়ার প্রয়োজনীয়তা : ফতোয়ার প্রয়োজনীয়তা সব যুগেই ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। কারণ কালের পরিক্রমায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষের যুগে মানুষ নানামুখী সঙ্কট ও জীবন জিজ্ঞাসার মুখোমুখি হচ্ছে। মানুষের আচার-আচরণে নিত্যপরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। মানুষ সমস্যা নিয়ে আসবে, মুফতিরা শরিয়তের আলোকে জবাব দেবেন, এটাই স্বাভাবিক। মানবজীবনে সমস্যার যেমন শেষ নেই তেমনি এর সামাধানের প্রক্রিয়ারও শেষ হবে না। পৃথিবীতে মানুষের অবস্থানকালীন এ প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। আর মানবতার ইহ-পরকালীন কল্যাণের আবশ্যকীয়তা ও প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।

মুফতির প্রয়োজনীয়তা : ফতোয়ার প্রয়োজনীয়তার সাথে মুফতির প্রয়োজনীয়তাও অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। অসুস্থ হলে চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্রের জন্য মানুষ যেমন ডাক্তারের কাছে যায়, আইনি ব্যাখ্যা ও সহায়তার জন্য উকিল-মোক্তারের কাছে যায়, বিল্ডিংয়ের নকশা করার জন্য প্রকৌশলীর দ্বারস্থ হয়, তেমনি মানবজাতির জীবন সমস্যার শরয়ি সমাধানের জন্য মানুষকে মুফতির কাছে যেতে হয়। সুতরাং সমাজে ফকিহ ও মুফতির প্রয়োজন রয়েছে। ইসলামি সমাজে মুফতি তৈরি করার বিধান হচ্ছে ফরজে কিফায়া।

মাসয়ালা-মাসায়েল : ফতোয়ার পাশাপাশি বহুলপ্রচলিত একটি শরয়ি পরিভাষা হচ্ছে মাসয়ালা। মাসয়ালা শব্দের অর্থ প্রশ্ন ও সমাধান করার স্থান। পরিভাষায় ফতোয়ার অর্থেই ব্যবহৃত হয়। তবে শরিয়তের মূল ফয়সালাকে মাসয়ালা এবং স্থান-কাল-পাত্রভেদে শরিয়তের সমাধানকে ফতোয়া বলে। সুতরাং প্রত্যেক ফতোয়াই মাসয়ালা, কিন্তু প্রত্যেক মাসয়ালা ফতোয়া নয়।

রাসূলুল্লাহ সা:-এর জীবদ্দশায় ফতোয়া
রাসূলুল্লাহ সা:-এর জীবদ্দশায় ফতোয়া নিয়ে সাহাবায়ে কেরামের কোনো সমস্যা ছিল না। তারা সরাসরি রাসূলুল্লাহ সা:-এর কাছে জিজ্ঞেস করে জেনে নিতেন। সমস্যার সমাধান জানা থাকলে তিনি তাৎক্ষণিক বলে দিতেন; আর জানা না থাকলে ওহির অপেক্ষা করতেন। পরবর্তীকালে রাসূলুল্লাহ সা:-এর ফতোয়াগুলো ইসলামি বিধিবিধানের মূল উৎসে পরিণত হয়েছে। মুসলিম সমাজে এসব হাদিস হিসেবে পরিচিত। সাহাবায়ে কেরাম এসব যতœœ ও গুরুত্ব সহকারে সংরক্ষণ করেছেন। কেউ কেউ তা লিখেও রেখেছেন। রাসূলুল্লাহ সা:-এর জীবদ্দশায় কোনো সাহাবি ফতোয়া প্রদানের দায়িত্ব পালন করেননি। তবে ক্ষেত্রবিশেষে কোনো কোনো সাহাবিকে রাসূলুল্লাহ সা: ফতোয়াদানের অনুমোদন দিয়ে বিষয়টিকে সহজতর করে দেন। রাসূলুল্লাহ সা: যখন মুয়াজ ইবনে জাবাল রা:-কে ইয়েমেনের গভর্নর নিযুক্ত করে পাঠান তখন তাকে জিজ্ঞেস করেন, তুমি কিভাবে ফয়সালা করবে? উত্তরে তিনি বলেন, আমি কুরআনের আলোকে সমাধান দেবো। কুরআনে সমাধান না পেলে হাদিসে রাসূল সা: থেকে সমাধান দেবো। আর তাতেও না পেলে আমি ব্যক্তিগত রায় দ্বারা সমাধান করব। এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ সা: সন্তুষ্ট হলেন এবং তার জন্য দোয়া করে তাকে বিদায় দিলেন (তিরমিজি ও আবু দাউদ)্।
সাহাবায়ে কেরামের যুগে ফতোয়া : রাসূলুল্লাহ সা:-এর ওফাতের পর সাহাবায়ে কেরাম রা: ফতোয়াদানের প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখেন। সাহাবা যুগে মহরানার উল্লেখ ছাড়া এক মহিলার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর একান্ত সাক্ষাতের আগেই স্বামী মারা যায়। তখন ওই মহিলার মহরানা কত ধার্য হবে তা নিয়ে সমস্যা দেখা দেয়। এর সমাধানের জন্য আবদুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রা:-এর কাছে যাওয়া হলো। তিনি উপস্থিত সাহাবাদের সামনে বললেন, এ বিষয়ে আমার মহরানা দেয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ দেখছি না। কারণ কুরআন ও সুন্নায় এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো হুকুম পাওয়া যাচ্ছে না। এই রায় প্রয়োগ করায় আমি যদি সঠিক হই তবে এর প্রশংসা একমাত্র মহান আল্লাহর প্রাপ্য। আর যদি ভুল করি তবে তা আমার ও শয়তানের ঘাড়ে পড়বে। উপস্থিত সাহাবাগণ আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদের এ কথায় কোনো প্রতিবাদ করেননি। তিনি মহরে মিসলের রায় দিয়ে দিলেন। তার এ কাজ দ্বারা সাহাবাদের ফতোয়া দেয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হয়।
ফতোয়া দানকারী সাহাবাদের স্তরবিন্যাস
খুলাফায়ে রাশিদিন এবং অন্য যেসব সাহাবার ফতোয়া বিভিন্ন হাদিসের কিতাবে সংরক্ষিত আছে তাদের সংখ্যা প্রায় ১৪৯ জন। তাদের মধ্যে কিছুসংখ্যক মহিলা সাহাবিও রয়েছেন। তাদেরকে তিনটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে- ১. মুকাসসিরিন ২. মুতাওয়াসসিতিন ৩. মুকিল্লিন।

মুফতি বা ফতোয়া প্রদানকারীর যোগ্যতা : আল্লামা খতিব বাগদাদী র: আল ফিকহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ কিতাবে বলেন, ‘সরকারিভাবে প্রত্যেক আলেম ও মুফতির যোগ্যতা সম্পর্কে খোঁজখবর নেয়া দরকার। যারা ফতোয়া দেয়ার যোগ্য শুধু তাদের দ্বারা এ কাজ করানো উচিত। অন্য সবাইকে এ সূক্ষ্ম কাজ থেকে বিরত রাখার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।’

আমাদের দায়বদ্ধতা : বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইসলামি আইন ও ফতোয়ার সৌন্দর্য-সুষমা, মানবজীবনে এর প্রয়োজনীয়তা গ্রহণযোগ্য উপায়ে উপস্থাপন করা আলেমসমাজের দায়িত্ব। এ বিষয়ে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং ফতোয়া প্রদানের জন্য বিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলাও এ দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। যে যখন যেমন মনে চায় তেমন ফতোয়া দিলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। ফতোয়ার মানও যায়। অযোগ্য, মূর্খ, অর্ধশিক্ষিত লোকেরা ফতোয়া দিলে এবং এ ধারা অব্যাহত থাকলে সবচেয়ে ক্ষতি হবে ইসলাম ও ইসলামি জীবনধারার। যে ফতোয়া যোগ্য লোকের চেয়ে অযোগ্য লোকেরা বেশি দিচ্ছে। ফলে সমাজ জীবনে হিংসাবিদ্বেষ ও বিশৃঙ্খলা লেগেই আছে। কোথাও সালিশের নামে আইন হাতে তুলে নেয়া হচ্ছে। দোররা মারা হচ্ছে। যদিও তা ফতোয়া নয়, কিন্তু গণমাধ্যমে এটাকে ঢালাওভাবে ফতোয়া বলা হচ্ছে। অথচ আইন হাতে তুলে নেয়া, সালিশে কাউকে শাস্তি দেয়া, বেত্রাঘাত করা, গ্রামের কোনো পরিবারকে একঘরে করে দেয়া- এর কোনোটাই ফতোয়া নয়। এর সাথে এ দেশের যোগ্য আলেমদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। কাউকে শাস্তি দেয়ার নাম ফতোয়া নয়। ফতোয়া হচ্ছে কোনো বিষয়ে শরিয়তের সিদ্ধান্ত বা সমাধানের নাম, যা বলে দেন যোগ্য মুফতি। ফতোয়া বাস্তবায়নের দায়িত্ব মুফতির নয়। আদালতের রায় এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ছাড়া কেউ আইন প্রয়োগ করতে পারে না।

লেখক : সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয় মুফাসসির পরিষদ

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫