ঢাকা, রবিবার,২০ আগস্ট ২০১৭

সিলেট

ধর্মপাশার বাঁসের সাঁকোই লাখ মানুষের একমাত্র অবলম্বন

গিয়াস উদ্দিন রানা ঃ ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ)

০৯ মার্চ ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৫:১৫


প্রিন্ট

ধর্মপাশা উপজেলায় জীবন যাত্রা এখন বাঁসের সাঁকোই এক মাত্র অবলম্বন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন সহ ৪২ গ্রামের আড়াই লাখ মানুষ।
অনুসন্ধানে জানা যায়, সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার অবহেলিত ভাটি এলাকা বলে পরিচিত মধ্যনগর থানাধীন চামরদানী ইউনিয়ন ও মধ্যনগর ইউনিয়নের সীমান্তে, ভারতের সীমান্ত এলাকা সহ টেকারঘাট-বাদাঘাট থেকে ধর্মপাশা উপজেলা সদর হয়ে মোহনগঞ্জ-নেত্রকোনা হয়ে ঢাকা যাওয়া আসার এক মাত্র সড়কের পিছ গাং নদীর উপর কায়েতকান্দা নামক স্থানে বাঁসেন চাটাই এর সাঁকোর উপর দিয়ে প্রতিদিন শত শত যাত্রীবাহী মোটরসাইকেল সহ ৪২টি গ্রামের প্রায় আড়াই লাখ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। বর্ষা মওসুমে নৌকা। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন দলের এমপি নির্বাচিত হওয়ার আগে ব্রিজ নির্মানের আস্বাস দিলেও তা কার্যকর হয়নি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা ব্রিজটি নির্মানের এলাকাবাসীর সাথে প্রতারনাকরে আসচ্ছেন। এই ব্রিজটি নির্মান হলে ৪২টি গ্রামের প্রায় আড়াই লাখ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হবে বলে এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী আরো বলেন, বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতারা সংসদ নির্বাচনের ওয়াদা করেন যে, আমি বিজয়ী হলে প্রথমেই কায়েতকান্দা ব্রিজ ও মধ্যনগর বাজার এর ব্রিজ এ দুটি ব্রিজ খুব দ্রুতগতিতে বাস্তবায়ন করব। কিন্ত ক্ষমতায় গিয়ে নিজের আকের ঘোচাতে গিয়ে এলাকার উন্নয়ন ও পূর্বের প্রতিশ্রুতি ইত্যাদি ভূলে যান। মধ্যনগর ইউনিয়ন, চামরদানী, বংশীকুন্ডা উত্তর ও বংশীকুন্ডা দক্ষিন সহ ১০টি ইউনীয়নের প্রায় আড়াই লাখ মানুষ এ দুটি ব্রিজের অপেক্ষায় রয়েছেন। ওই বাঁসের সাঁকো দিয়ে যাত্রীবাহী মোটরসাইকেল, নারী, বৃদ্ধ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। আর প্রতি নিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে। ব্রিজ দু’টি নির্মান হলে জীবন মানের উন্নয়ন হবে বলে এলাকাবাসীর দাবি।
এব্যাপারে স্থানীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন তিনি বলেন, কায়েতকান্দা ব্রিজ এবং মধ্যনগর বাজার সুমেশ্ববরী নদীর উপর ব্রিজ। এ দু’টি ব্রিজ নিকারের তালিকায় অনুমোদন হয়েছে। আগামি অর্থ বছরের মধ্যে পান্ড আসলেই ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে নির্মান কাজ বাস্তবায়ন হবে।
এব্যাপারে বংশীকুন্ডা দক্ষিন ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আজিম মামুদ বলেন, উপজেলা আমাদের এলাকা থেকে ধর্মপাশা উপজেলা সদর ২৬ কিলো মিটার দুরত্ব। এর মধ্যে কায়েতকান্দা ও মধ্যনগর বাজার সুমেস্ববরী নদীর উপর একটি, দু’টি ব্রিজ নির্মান না হলে আমাদের ভোগান্তির শেষ নেই। বংংশীকুন্ডা দক্ষিন ইউনিয়ন বাসীর থেকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে কর্মপক্ষের প্রতি আমার জোড়ালো দাবি ব্রিজ দু’টি জরুরী বৃত্তিতে নির্মানের প্রয়োজন।
ক্যাপশন ঃ ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগর থানায় মহেষখলা সড়কের কায়েতকান্দা নামক স্থানে বাঁসের সাঁকো।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫