ঢাকা, বুধবার,১৩ ডিসেম্বর ২০১৭

বিবিধ

পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্যের বাজার বড় হচ্ছে

আহমেদ ইফতেখার

০৮ মার্চ ২০১৭,বুধবার, ১৮:২৪


প্রিন্ট

অভূতপূর্ব নকশা ও ফিচারের কারণে সব বয়সী গ্রাহকের কাছে এখন পরিধেয় পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ডাটা করপোরেশন (আইডিসি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্যের বাজারে ডিভাইস সরবরাহ ছিল তিন কোটি ৩৯ লাখ ইউনিট; যা ২০১৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে সরবরাহ হওয়া দুই কোটি ৯০ লাখ ইউনিট ডিভাইসের তুলনায় ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি।
বর্তমান পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্যের বাজারে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে আছে ফিটবিট। আইডিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাজার দখল ও সরবরাহ বিবেচনায় ফিটবিটের পিছিয়ে পড়ার অন্যতম কারণ হলো- প্রতিষ্ঠানটি এখনো যুক্তরাষ্ট্রের বাজারকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। কয়েক বছরে পরিধেয় পণ্যের বাজার সম্প্রসারিত হয়েছে।
শুরুতে পরিধেয় ডিভাইসের দাম বেশি হওয়ায় এগুলো বিত্তশালীদের পণ্য হিসেবে বিবেচিত হতো; কিন্তু সময়ের সাথে এ ধারণায় পরিবর্তন এসেছে। বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতের বেশ কিছু কোম্পানি এখন পরিধেয় পণ্য তৈরি করছে। ডিভাইসগুলোর দাম কমছে দ্রুত। সাধারণ গ্রাহকেরাও এখন পরিধেয় পণ্য কেনার সুযোগ পাচ্ছেন। বাজারটির সম্প্রসারণের জন্য ফিটবিটের মতো শীর্ষস্থানীয় নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশ্ববাজারকে গুরুত্ব দেয়া উচিত বলে মনে করা হচ্ছে।
আইডিসির গবেষণা ব্যবস্থাপক র‌্যামন লামাস জানিয়েছেন, বাজারে এখন বহুমুখী কাজে ব্যবহার উপযোগী পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্যের চাহিদা বাড়ছে। ডিভাইস নির্মাতারাও এ ধরনের পণ্য উন্মোচনে কাজ করছে। এসব পণ্যে স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য তাৎক্ষণিক জানার সুবিধা ও সাশ্রয়ী মূল্যের কারণে গ্রাহকেরা আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
বাজার দখলে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীনভিত্তিক শাওমি। বর্তমান শীর্ষ পাঁচ পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতার তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে অ্যাপল। অ্যাপলের দ্বিতীয় সংস্করণের স্মার্টঘড়িগুলোয় জিপিএস প্রযুক্তির সংযোজন সরবরাহ বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক স্যামসাং শীর্ষ পাঁচ পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতার তালিকায় শেষ অবস্থানে রয়েছে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫