ঢাকা, মঙ্গলবার,১২ ডিসেম্বর ২০১৭

আবিষ্কার

উড়ন্ত বিমান থেকেই রকেটে উপগ্রহ পাঠাবে চীন

নয়া দিগন্ত অনলাইন

০৭ মার্চ ২০১৭,মঙ্গলবার, ১৮:২৯


প্রিন্ট

উৎ‌ক্ষেপণ কেন্দ্র নয়, এবার সরাসরি বিমান থেকেই মহাকাশে উড়ে যাবে রকেট। সম্প্রতি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই উপগ্রহ বহনকারী রকেট তৈরির নকশা ছূড়ান্ত করেছে চীন।
বিকল কৃত্রিম উপগ্রহ মেরামত করতে অথবা তার বদলে চটপট বিকল্প উপগ্রহ মহাকাশে পাঠাতে নয়া প্রজন্মের রকেট তৈরি করতে চলেছে চীন। এই রকেট সরাসরি উড়ন্ত বিমান থেকে পাঠানো যাবে বলে জানিয়েছেন চীনের লঞ্চ ভেহিকল টেকনোলজি অ্যাকাডেমির প্রধান লি টংগিউ। তিনি জানিয়েছেন, পৃথিবীর কক্ষপথে ২০০ কেজি ওজনের মাল পৌঁছে দিতে ১০০ কেজি ওজনসম্পন্ন রকেটের নকশা তৈরি হয়ে গিয়েছে।

সম্প্রতি চীনের সরকরি সংবাদমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাত্‍কারে টংগিউ বলেন, 'রকেটগুলো বিশেষ ওয়াই-২০ জেটবিমান বহন করবে। রকেটগুলি বিমানের ফিউসেলেজ-এ রাখা হবে। নির্দিষ্ট উচ্চতায় পৌঁছানোর পরে সেগুলো ছাড়া হবে। বিমানের বাইরে আসার পরে রকেটে অগ্নিসংযোগ করা হবে।' চীনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলেন, বেশি ওজনসম্পন্ন বড় মাপের উপগ্রহ মহাকাশে পাঠাতে গেলে চিরাচরিত পদ্ধতিতে ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্রের সাহায্য ছাড়া উপায় নেই।

উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসে চীনা বিমানবাহিনী হাতে আসে এশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিশেষ পণ্যবাহী ওয়াই-২০ বিমান। এই বিমান লোডটেক অফের সময় ২০০ টন পর্যন্ত ওজন বইতে সক্ষম। বিমানটি সর্বোচ্চ ৬৬ টন ওজন বইতে পারে। চিনা প্রযুক্তিবিদ লং লেহাও জানিয়েছেন, মাত্র ১২ ঘণ্টার প্রস্তুতিতে এই বিমান থেকে ছাড়া রকেট ২০০ কেজি ওজনের উপগ্রহ ভূপৃষ্ঠ থেকে ৭০০ কিমি উপরে কক্ষপথে স্থাপন করতে সক্ষম। বিমান থেকে ছাড়া রকেটের সাহায্যে কক্ষপথে উপগ্রহ স্থাপনের খরচও তুলনায় অনেক কম। এমনকি প্রতিকূল আবহাওয়াতেও সফলভাবে কাজ সারতে পারবে এই রকেট।
১৯৯০ সালে বিশ্বে প্রথম বায়ুযান থেকে রকেট ছাড়ার নজির গড়ে আমেরিকা। সে সময় একটি বি-৫২ বোমারু বিমান থেকে ২টি ছোট উপগ্রহ পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানো হয়। এই কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল একটি পেগ্যাসাস রকেট। পরবর্তীকালে ৪৩টি সফল পেগ্যাসাস অভিযান করে আমেরিকা।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫