ঢাকা, বুধবার,২৬ এপ্রিল ২০১৭

প্রাণি ও উদ্ভিদ

কচ্ছপের পেটে ৯১৫টি সৌভাগ্যের কয়েন

নয়া দিগন্ত অনলাইন

০৭ মার্চ ২০১৭,মঙ্গলবার, ১৫:২৩


প্রিন্ট

নিজেদের সৌভাগ্যের জন্য অনেকেই ছোট্ট পুকুরটিতে ফেলতেন কয়েন। কিন্তু তাদের সৌভাগ্যর কয়েনই যে অন্য কারো দুর্ভাগ্য নিয়ে আসতে পারে, সেটা কেউ ভাবেননি।
গত দু’দশক ধরে থাইল্যান্ডের ছোনবুড়ি প্রদেশের একটি পার্কের ছোট্ট পুকুরে থাকত ২৪ বছরের ‘ওমসিন’ নামের কচ্ছপটি। তার পেট থেকেই এবার বেরোল ৯১৫টি কয়েন। ঠিক যেন আস্ত একটি ‘পিগিব্যাঙ্ক’। আসলে এই কয়েনগুলো নিজেদের সৌভাগ্যের জন্য অনেকে ওই পুকুরটিতে ফেলতেন। কিন্তু তারা জানতেন না ওই কয়েনগুলো আসলে চলে যেত কচ্ছপটির পেটে।

কয়েক দিন আগে তার বর্মটিতে ফাটল দেখা দেয়ায় ব্যাঙ্ককে পশুচিকিৎসকদের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কচ্ছপটিকে। কিন্তু এক্স-রে করার পর সামনে আসে এই ভয়ানক ব্যাপারটি। দেখা যায় কচ্ছপটির পাকস্থলীতে জমে রয়েছে কয়েনের পাহাড়। কয়েনগুলোর মধ্যে বিভিন্ন দেশের মুদ্রা রয়েছে। চুলালঙকর্ন হাসপাতালে প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে অস্ত্রোপচারের পর কচ্ছপটির পেট থেকে কয়েনগুলো বের করা হয়।
পশুচিকিৎসক ডঃ নান্ত্রিকা চ্যানসুয়ে বলেন, ‘মোট ৯১৫টি কয়েন কচ্ছপটির পাকস্থলিতে ছিল। আমরা একটি একটি করে কয়েন বের করি। আপাতত কচ্ছপটি সুস্থ রয়েছে। তবে প্রায় দু’সপ্তাহ তাকে চিকিৎসাকেন্দ্রে রাখা হবে।’

‘একটি কচ্ছপ সাধারণত আশি বছর অবধি বাঁচতে পারে। আর অনেকেই বিশ্বাস করে, ওই পুকুরটিতে কয়েন ফেললে সৌভাগ্য আসবে বা আয়ু বাড়বে। কিন্তু আসলে এটা একটি প্রাণীকে অত্যাচার করা ছাড়া আর কিছুই নয়।’ জানান ওই হাসপাতালের অধ্যক্ষ রুনগ্রজ থানাওংনুভেজ।

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫