ঢাকা, রবিবার,২৮ মে ২০১৭

মোবাইল

আবারো ইয়াহুর ৩ কোটি গ্রাহকের তথ্য চুরি!

আহমেদ ইফতেখার

০৫ মার্চ ২০১৭,রবিবার, ১৪:৩৬


প্রিন্ট

গত বছরে গ্রাহক তথ্য চুরির বড় দুটি ঘটনা প্রকাশ করে ইয়াহু। সাইবার দুনিয়ায় এই ঘটনা দুটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আক্রমণ মনে করা হয়। ইন্টারনেট দুনিয়ার একসময়ের পথিকৃৎ ইয়াহু গত বছর প্রথম যে সাইবার হামলার ঘটনা প্রকাশ করে, তা ২০১৪ সালের শেষ দিকে সংঘটিত হয়েছিল। সাইবার অপরাধীরা ওই সময় ৫০ কোটির বেশি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিতে সক্ষম হয়।
ইয়াহু গত বছর ডিসেম্বরে দ্বিতীয় গ্রাহক তথ্য চুরির ঘটনা প্রকাশ করে। ২০১৩ সালের আগস্টে তাদের শত কোটির বেশি ব্যবহারকারী সাইবার হামলার শিকার হয়েছেন। ইয়াহুর এ পর্যন্ত প্রকাশিত সাইবার হামলার শিকার হওয়ার ঘটনাগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড়।
এই দুই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারো গ্রাহক তথ্য চুরির ঘটনা প্রকাশ করেছে ইয়াহু। নকল কুকিজ ব্যবহার করে গত দুই বছরে আরো অন্তত ৩ কোটি ২০ লাখ ইয়াহু ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে সাইবার অপরাধীদের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। চুরি হওয়া তথ্যগুলোর মধ্যে আছে- গ্রাহকের নাম, ই-মেইল অ্যাড্রেস, জন্মতারিখ, টেলিফোন নম্বর ও এনক্রিপটেড পাসওয়ার্ড। সাম্প্রতিক এই তথ্য চুরির ঘটনাটিও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হয়েছে বলে দাবি ইয়াহুর।
সাইবার হামলার প্রথম ঘটনা প্রকাশের কিছু দিন আগে মার্কিন ইন্টারনেট ও ওয়্যারলেস টেলিযোগাযোগ কোম্পানি ভেরাইজন কমিউনিকেশন্সের কাছে মূল ওয়েব ব্যবসা বিক্রিতে সম্মত হয়েছিল ইয়াহু। সে সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৮০ কোটি ডলারের একটি অধিগ্রহণ চুক্তিও হয়।
সাইবার হামলার একাধিক ঘটনা প্রকাশ হলেও ভেরাইজনের ইয়াহু অধিগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হবে না। শুরুতে এমনটা বলা হলেও পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করে ক্রেতা প্রতিষ্ঠানটি। সর্বশেষ গত মাসে পূর্বনির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৩৫ কোটি ডলার ছাড়ে ইয়াহুর ইন্টারনেট ব্যবসা কিনতে সম্মত হয় ভেরাইজন। এরই মধ্যে আবার গ্রাহক তথ্য চুরির তৃতীয় ঘটনা প্রকাশ করল ইয়াহু। এর ফলে ভেরাইজনের ইয়াহু অধিগ্রহণ কতটুকু বাধাগ্রস্ত হয়, সেটাই দেখার বিষয়।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫