ঢাকা, বুধবার,২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

ধর্ম-দর্শন

আল্লাহর আনুগত্যে রয়েছে শান্তি

প্রফেসর তোহুর আহমদ হিলালী

০২ মার্চ ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৪:৩৯


প্রিন্ট

একটি রাষ্ট্র বা সরকারের প্রথম ও প্রধান কর্তব্য হলো তার দেশের জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা বিধান ও দেশকে বহি:শত্রুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করা। ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি এর থেকে আলাদা নয়। জাতির দেয়া আল-আমিন ও আস-সাদিক খেতাবপ্রাপ্ত মুহাম্মদ সা: মানুষের কাছে দ্বীনের দাওয়াত দানের সাথে সাথে জাতির প্রিয় এই মানুষটি দ্রুতই তাদের দুশমনে পরিণত হন। সীমাহীন জুলুম-নির্যাতনে অতিষ্ঠ তাঁর সাথীরা খানায়ে কাবায় বিশ্রামরত নবী মুহাম্মদ সা:-এর কাছে এসে জানালেন-‘ইয়া রাসূলুল্লাহ সা:! আমরা আর সহ্য করতে পারছি না; আপনি আমাদের জন্য দোয়া করুন’। জবাবে রাসূল সা: বলেন-‘তোমরা আর বিপদ-মুছিবত কতটুকু দেখলে, ইতোপূর্বে যারাই ঈমান এনেছেন তাদের সবাই নানাভাবে অত্যাচার-নির্যাতন করা হয়েছে। কাউকে শূলেবিদ্ধ করে বা কাউকে করাতে দ্বিখণ্ডিত করে হত্যা করা হয়েছে, আবার লোহার চিরুণী দিয়ে কারো শরীর থেকে গোশত পৃথক করা হয়েছে; তারপরও তারা ঈমান ত্যাগ করেনি। তোমরা ধৈর্যধারণ করো; সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিন একজন ষোড়শী স্বর্ণালঙ্কারসহ সানা থেকে হাজরা মাউত একাকী হেঁটে যাবে, তাকে আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ভয় করতে হবে না’। আল্লাহর রাসূল সা: তাঁর সাথীদের কাছে নিরাপদ সমাজের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন যেখানে থাকবে শুধুই শান্তি; কোন গুম-খুন, চুরি-ডাকাতি-ছিনতাই-রাহাজানি কোনো কিছুরই ভয় থাকবে না। সে সমাজে মানুষ কেবল আল্লাহকেই ভয় করবে এবং আল্লাহর ভয় মানুষকে সর্ব প্রকার ভয় থেকে মুক্ত করে দেবে। হ্যাঁ, নবী মুহাম্মদ সা: তাঁর জীবদ্দশায় এমন একটি সমাজ প্রতিষ্ঠা করে গেছেন-যেখানে মানুষ ঘরে-বাইরে, রাস্তা-ঘাটে, অফিস-আদালতে, বাজারে সর্বত্রই পূর্ণ নিরাপত্তা ভোগ করেছে।
রাসূল সা: ও তাঁর সাথীরা মক্কার কাফির-মুশরিকদের অত্যাচার ও জুলুম-নির্যাতনে টিকতে না পেরে বাধ্য হয়েছিলেন মদিনায় হিজরত করতে। সেখানে একটি অনুকূল পরিবেশ পেয়ে রাসূল সা: গড়ে তোলেন ছোট্ট একটি ইসলামী রাষ্ট্র এবং তখন থেকেই ইসলামের সৌন্দর্য প্রস্ফুটিত হতে থাকে। ইসলাম মূলত একটি রাষ্ট্রীয় দ্বীন এবং রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব ছাড়া এর কল্যাণকারিতা উপলব্ধি করা সম্ভব নয় এবং রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব লাভের পরই ইসলাম দ্রুত সম্প্রসারিত হয়। মাত্র আট বছরের ব্যবধানে রাসূল সা: ও তাঁর সাথীরা বিজয়ীর বেশে মক্কায় প্রবেশ করেন। মক্কাবাসীরাও উপলব্ধি করে যে মুহাম্মদ সা:-এর সাথে যুদ্ধ করা হবে অনর্থক। তাই তারা ইসলামের ছায়াতলে আসার পথ খুঁজছিল। এ সময়ে মুহাম্মদ সা: ঘোষণা দিলেন-যারা খানায়ে কাবায় অবস্থান করবে তারা নিরাপদ, কুরাইশ নেতা আবু সুফিয়ানের বাড়িতে যারা অবস্থান করবে তারা নিরাপদ এবং যারা নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করবে তারাও নিরাপদ। অতীতের শত অত্যাচার-নির্যাতন মুহূর্তেই ভুলে গেলেন মুহাম্মদ সা:-এর সঙ্গী-সাথীরা। বদলা গ্রহণের লক্ষ্যে কাউকে তালাশ করতে কোনো বাড়িতে কেউ গেলেন না।
ইসলাম মানুষের জীবন, সম্পদ ও মান-ইজ্জতকে অত্যন্ত সম্মানীয় বলে ঘোষণা করেছে। কঠোর আইনশৃঙ্খলার পাশাপাশি মানুষের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার জন্য পরকালে বিশ্বাসের প্রতি অত্যধিক গুরুত্বারোপ করেছে। সমাজে মানুষের শান্তি-স্বস্তি ব্যাহত হয় এমন সব কর্মকাণ্ডকে হারাম ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে ঘোষণা করেছে। মানুষের মধ্যে আল্লাহর স্মরণ ও ভয় সর্বক্ষণ জারি রাখার জন্য নামাজ-রোজার মতো ইবাদতকে সবার জন্য বাধ্যতামূলক (ফরজ) করেছে এবং রাষ্ট্র শক্তিপ্রয়োগ করে তা কার্যকর করবে। রাষ্ট্রের পাশাপাশি ব্যক্তিও পরস্পরের প্রতি সম্মান ও ভক্তি-শ্রদ্ধা-ভালোবাসা নিয়ে জীবন পরিচালনার শিক্ষা আমরা আমাদের প্রিয়তম নবীর কাছ থেকে পেয়েছি। তিনি বলেছেন-‘যারা বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করে না, তারা আমাদের সমাজভুক্ত নয়’। অর্থাৎ তারা আর মুসলিম নন। তিনি আরো বলেন-‘যমীনে যারা আছে তাদের সাথে সদাচরণ কর, তাহলে আসমানে যিনি আছেন তিনিও তোমাদের সাথে সদাচরণ করবেন’। আল্লাহর বাণী-‘নিশ্চিত ধ্বংস তাদের জন্য যারা মানুষকে সামনা-সামনি গালাগাল করে ও পেছনে দোষ প্রচার করে’। জননিরাপত্তা ব্যাহত হয় বা মানুষের চলাফেরা, ঘরে অবস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্য বা কোনো কাজে-কর্মে শান্তি ব্যাহত হয় এরূপ কোনো কাজ বা আচরণ পরকালে জবাবদিহির অনুভূতি রয়েছে এমন মানুষের পক্ষে অসম্ভব। রাসূল সা:-এর বাণী অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে-‘ওই ব্যক্তি মুমিন নয়, মুমিন নয়, মুমিন নয় যার হাত ও মুখের অনিষ্ট থেকে অন্যরা নিরাপদ নয়’। আজকাল শাস্তিদানের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার জন্য উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি গ্রহণের ওপর জোর তাগিদ প্রদান করা হচ্ছে। দুর্নীতি ও মাদককে না বলুন, ধূমপানে বিষপান, সন্ত্রাসকে ঘৃণা করুন ইত্যাদি স্লোগান সংবলিত পোস্টার, ব্যানার, মাথায় ক্যাপসহ বর্ণাঢ্য র‌্যালি প্রায়ই দৃষ্টিগোচর হয় এবং এ সব করা হয় জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে। দুর্ভাগ্য, সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদের প্রয়াসের মধ্যেও রয়েছে দুর্নীতি। কারণ এ সব প্রচারণায় আল্লাহর ভয় জাগ্রত করার কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই দুর্নীতিবিরোধী এ সব প্রচার-প্রচারণায় ত্রিশ হাজার টাকা খরচে তিন লাখ টাকায় বিল-ভাউচার করতে আমাদের আত্মা কাঁপে না। এই গড়ঃরাধঃরড়হ বা উদ্বুদ্ধকরণ ইসলামের ভিত্তিতে হলে মানুষের মধ্যে জাগ্রত হত আল্লাহর ভয় যা মানুষকে সন্ত্রাস ও দুর্নীতি থেকে মুক্ত করতে সক্ষম হতো।
ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষের বাড়ি অত্যন্ত নিরাপদ। কোনো বাড়িতে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ বা উঁকি দিয়ে দেখার চেষ্টা করা জঘন্য অপরাধ। এমতাবস্থায় চোখ ফুটো করে দেয়ার কথা হাদিসে বলা হয়েছে। একজন মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে (প্রাইভেসিকে) ইসলাম অত্যন্ত মূল্য প্রদান করে। তাই দুইজন মানুষ কথা বললে সেখানে তৃতীয় জনের এগিয়ে যাওয়া, কারো চিঠি পড়া, মোবাইলে আড়িপেতে কিছু শোনা সবই ইসলামে নিষিদ্ধ। দুর্ভাগ্য, আজ আমাদের বাড়ি, মেস, উপাসনালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কোথাও কোনো নিরাপত্তা নেই। চোর-ডাকাত-ছিনতাইকারী তো বটেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও গভীর রাতে মানুষের বাসাবাড়ি বা মেসে হানা দেয়। প্রয়োজন ছিল কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে প্রথমে তাকে তলব করা এবং উপস্থিত না হলে ফেরারি ঘোষণা করা। এ প্রসঙ্গে খলিফাতুল মুসলেমিন হজরত ওমর ফারুক রা:-এর একটি ঘটনা উল্লেখ করতে চাই। তিনি তাঁর নাগরিকদের অবস্থা স্বচক্ষে দেখার জন্য রাতে ঘুরে বেড়াতেন। এমনি একদিন চলার পথে একটি বাড়ি থেকে গানের আওয়াজ তাঁর কানে আসে। তিনি দেয়ালের ওপরে ওঠে দেখেন যে, এক লোকের সামনে শূরা ও মেয়ে মানুষ। তিনি তা দেখে বলেন-‘হে আল্লাহর দুশমন! তুই কি মনে করেছিস যে গোপনে পাপ করবি আর আল্লাহ তা প্রকাশ করে দিবেন না’? লোকটি জবাবে বলে-‘হে আমীরুল মুমেনিন! তাড়াহুড়া করবেন না। আমি অপরাধ একটি করলে আপনি করেছেন তিনটি। আল্লাহ তায়ালা গোপন বিষয়ে খোঁজা-খুঁজি করতে নিষেধ করেছেন, আর আপনি তাই করলেন; আল্লাহ সদর দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে বলেছেন, আর আপনি দেয়ালের ওপরে ওঠে পড়েছেন; আল্লাহ অনুমতি নিয়ে ও সালাম বিনিময় করে কারো ঘরে প্রবেশ করতে বলেছেন, আর আপনি অনুমতি ছাড়াই প্রবেশ করেছেন’। ওমর রা: ভুল স্বীকার করে ফিরে আসেন। অবশ্য তার কাছ থেকে ভালো হয়ে চলার প্রতিশ্রুতি আদায় করেন।
সাধারণভাবে সব মানুষ সম্পর্কে ইসলাম সুধারণা পোষণ করে যতক্ষণ কারো অপরাধ প্রকাশিত না হয়। ধারণা-অনুমানের ভিত্তিতে কাজ করা বা কাউকে সন্দেহ করে ধরে এনে স্বীকারুক্তি আদায় ইসলাম অনুমোদন করে না। ৫৪ ধারায় ধরে এনে রিমান্ডে অত্যাচার চালানো বড় ধরনের জুলুম। একজন ব্যক্তিকে তার নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে বাধ্য করা কখনই ইসলাম স্বীকার করে না। ইসলামে বিচারব্যবস্থায় দণ্ড দেয়ার ক্ষেত্রে দু’টি বিষয় বিবেচনা করা হয়। এক. কেউ যদি আদালতে স্বেচ্ছায় এসে অপরাধ স্বীকার করে; দুই. দুইজন ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি কারো বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করে। রাসূল সা:-এর কাছে এসে এক লোক স্বীকার করে যে, সে জেনা করেছে। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, সে কার সাথে জেনা করেছে। সে এক মহিলার নাম বললে তাকে রাসূল সা:-এর কাছে হাজির করা হয়। মহিলাকে জিজ্ঞেস করা হলে সে তা অস্বীকার করে। এমতাবস্থায় রাসূল সা: মহিলাকে ছেড়ে দেন এবং লোকটির ওপর দণ্ড কার্যকর করেন। মহিলার কাছ থেকে স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য তিনি জোর-জবরদস্তি করেননি। উল্লেখ্য, অপরাধী অনুতপ্ত হয়ে দোষ স্বীকার করলে বা দুনিয়ার আদালতে কাউকে একবার শাস্তি প্রদান করা হলে সে আর আখেরাতে ওই অপরাধের জন্য শাস্তিযোগ্য হবে না।
একটি সমাজে তখনই শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব যখন সে সমাজের মানুষের মধ্যে ক্ষমা, সহনশীলতা ও উদারতা থাকে। প্রতিশোধস্পৃহা মানুষকে আরো অন্যায়ের দিকে ধাবিত করে। আল্লাহ নিজে উদার, সহনশীল ও ক্ষমাশীল। তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যেও উদারতা পছন্দ করেন। তাঁর বাণী-‘যে স্বীয় মনের সঙ্কীর্ণতা থেকে নিজেকে রক্ষা করলো সেই প্রকৃত কল্যাণ লাভ করলো’। তিনি আরো বলেন-‘অন্যায়ের প্রতিবিধান সমপরিমাণ অন্যায়। কিন্তু কেউ যদি ক্ষমা করে দেয় ও সংশোধন করে নেয় তাহলে তার পুরস্কার আল্লাহর জিম্মায়’। রাসূল সা:-এর বাণীগুলো খুবই প্রেরণাদায়ক-‘যে তার ভাই-এর অপরাধ ক্ষমা করবে আল্লাহ কেয়ামতের দিন তার অপরাধ ক্ষমা করে দিবেন’। আবার এও বলেছেন- ‘যে তার ভাই-এর দোষ গোপন করবে আল্লাহ কেয়ামতের দিন তার দোষ গোপন করবেন’।
জননিরাপত্তা ক্ষুণ্ন হয় এমন সব তৎপরতা-গীবৎ ও পরনিন্দা, ওজনে কম-বেশি করা, ভেজাল দেয়া, ধোঁকা-প্রতারণা করা, জুয়া, মিথ্যা কসম খাওয়া, মানুষকে গালি দেয়া ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্ল করা, অপরের অধিকার হরণ সবই বড় বড় (কবীরা) গুনাহের নামান্তর। এ সব অপরাধ থেকে দূরে থাকার জন্য ইসলাম নানাভাবে তার অনুসারীদের অনুপ্রাণিত করেছে।
ইসলাম শব্দগত অর্থ শান্তি। মূলত আল্লাহ পাকের আনুগত্যের মধ্যেই রয়েছে শান্তি। আর এক অর্থ আনুগত্য এবং মুসলিম অর্থ অনুগত। আল্লাহ পাকের এক গুণবাচক নাম মুমিন যার অর্থ নিরাপত্তাদাতা। বিশ্বাসী বান্দার কাছে আল্লাহর সব সৃষ্টিই নিরাপদ। সমগ্র সৃষ্টির কল্যাণ সাধনের লক্ষ্যেই মুসলিম জাতির আবির্ভাব। আল্লাহর ভাষায়-‘তোমরাই শ্রেষ্ঠতম উম্মত, তোমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে মানব জাতির কল্যাণের জন্য; তোমরা সৎ কাজের আদেশ দান করো এবং অসৎ কাজে নিষেধ করো’। আল্লাহ পাক মুসলমানদের রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের আসনে দেখতে চান যাতে সমাজ থেকে সব অনাচার দূর করে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করতে পারে। নবী-রাসূল প্রেরণের উদ্দেশ্যও তাই। সমাজের কর্তৃত্ব অসৎ মানুষের হাতে থাকায় সমাজে এত অশান্তি ও জুলুম-নির্যাতন। আল্লাহ পাক মানুষকে তাঁর প্রতিনিধির (খলিফা) মর্যাদায় অভিষিক্ত করেছেন। তাই ব্যক্তিগত জীবনে নির্দিষ্ট আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ না রেখে সমগ্র সৃষ্টিকে আল্লাহর আনুগত্যের মধ্যে নিয়ে আসার প্রচেষ্টাই হলো খলিফার দায়িত্ব।
লেখক : শিক্ষাবিদ

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫