ঢাকা, শুক্রবার,২১ জুলাই ২০১৭

অ্যাথলেটিকস

অলিম্পিক পদক বিক্রি করে প্রাণ রক্ষা!

নয়া দিগন্ত অনলাইন

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭,মঙ্গলবার, ১৭:২৬


প্রিন্ট

১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন যে সোভিয়েত জিমন্যাস্ট, সেই ওলগা করবুট তার সাতটি পদক এবং ট্রফি নিলামে বিক্রি করে দিয়েছেন।
বলা হচ্ছে, অর্থনৈতিক সংকটে পড়ার কারণেই ওলগা করবাট এসব নিলামে তোলেন।
যুক্তরাষ্ট্রে এক নিলামে তার দুটি স্বর্ণ এবং একটি রৌপ্য পদকসহ মোট সাতটি পদক ও ট্রফি নিলামে বিক্রি হয় এক লাখ ৮৩ হাজার ডলারে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয় মিউনিখ অলিম্পিকে জেতা একটি স্বর্ণপদক (৬৬ হাজার ডলার)।
ওলগা করবুটের জন্ম বেলারুশে, যেটি তখন সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল। ১৯৯১ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান অভিবাসী হয়ে। এখন থাকেন আরিজোনায়।
রাশিয়ার একটি সংবাদ সাইট গ্যাজেটার খবর অনুযায়ী, ওলগা করবাট আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়েছিলেন।
পত্রিকাটির ভাষায় এই পদকগুলো তাকে অনাহার থেকে বাঁচিয়েছে।

১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিকে জিমন্যাস্টিকসে ওলগা করবুটের চোখ ধাঁধাঁনো সাফল্য তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। তখন তার বয়স মাত্র ১৭ বছর।
তাকে 'মিনস্কের চড়ুই' নাম দেয়া হয়েছিল। সতের বছরের ওলগার মিষ্টি চেহারা আর নিষ্পাপ হাসি কোটি কোটি মানুষের মন জয় করে। রাতারাতি ওলগা পরিণত হন এক কিংবদন্তীতে।
সেবার ওলগা জিমন্যাস্টিকসে তিনটি স্বর্ণপদক এবং একটি রৌপ্য পদক জেতেন। ১৯৭৬ সালের মন্ট্রিল অলিম্পিকেও একটি স্বর্ণ পদক এবং একটি রৌপ্য পদক জেতেন তিনি।

পদকগুলো নিলামে বিক্রির আয়োজন করে হেরিটেজ অকশন্স। ওলগা করবুট সম্পর্কে তারা বলেছে, আজকের জীবিত জিমন্যাস্টদের মধ্যে এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে যিনি ওলগার দ্বারা অনুপ্রাণিত হননি। জিমন্যাস্টিকসকে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় করতে তার বিরাট ভূমিকা ছিল।"
অলিম্পিক গেমসে ওলগা করবুট 'অ্যাসিমেট্রিক বারে' যেসব খেলা দেখিয়েছিলেন তার একটিকে তার নামেই 'করবুট ফ্লিপ' বলা হয়। কিন্তু এটি এতটাই বিপদজনক বলে বিবেচনা করা হয় যে এখন অলিম্পিক গেমসে এটি দেখানো নিষিদ্ধ।
ইউটিউবে অবশ্য তার সেই বিখ্যাত 'করবুট ফ্লিপ' এখনো দেখতে পারেন যে কেউ। বারের ওপর সমারসল্ট দিয়ে শুরু হয় তার এই ফ্লিপ।
সূত্র : বিবিসি

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫