দৃষ্টিনন্দন বারান্দা

ঝরনা রহমান

সারা দিনের কাজের পর পরিবারের সাথে কিছুটা সময় কাটানোর সুযোগ প্রয়োজন। তখনই দরকার আলাদা একটা জায়গা, যেখানে বসে নিজেদের মতো করে কিছুটা সময় কাটাবেন। সেখানে থাকবে সবুজের আবেশ আর দেখা মানে নীল আকাশ। ইট কাঠের এই শহরে স্থানসঙ্কুলানের কারণে এমন জায়গা আজকাল খুঁজে পাওয়াও কঠিন।
বাড়ির বারান্দা হতে পারে নিজেদের মতো করে কিছুটা সময় কাটানোর ছোট্ট একটা জায়গা। আজকাল অ্যাপার্টমেন্টগুলোতে সুন্দর সুন্দর বারান্দা হয়। প্রতিটি বারান্দা একটু সাজিয়ে নিলে সহজেই সেই জায়গাটি ব্যবহার করতে পারবেন অবসর কাটানোর জায়গা হিসেবে।
বারান্দা যদি বড় হয় তাহলে সেটি সুন্দর করে সাজিয়ে নেয়া যায়। বড় বারান্দায় চেয়ার, ছোট টি টেবিল রেখে বসার ব্যবস্থা করা যায়। আর বারান্দা ছোট হলে সেখানে শতরঞ্জি রাখার ব্যবস্থা করতে পারেন। শতরঞ্জির ওপর কয়েকটি কুশন দিতে পারেন। কুশনগুলোর আকার ভিন্ন হতে পারে। কেউ যদি নিচে বসতে অভ্যস্ত না হন তার জন্য ছোট মোড়া টুল রাখা যেতে পারে। শিশুদের জন্য ছোট একটা খেলনাও রাখতে পারেন। আজকাল পাটের তৈরি সুন্দর সুন্দর দোলনা কিনতে পাওয়া যায়। বড় বারান্দায় কয়েকটি ফুল বা গাছের টব রাখুন। বারান্দা ছোট হলে রাখুন কয়েকটি নকশা করা পার্টির পটারি। এভাবে সাজালে জায়গাটি দেখতে মন্দ হবে না। বড় মাটির গামলায় রাখতে পারেন জলজ উদ্ভিদ। দেখতে চমৎকার লাগবে। বারান্দার উপরের দিকে রাখুন কিছু ঝোলানো টব। এ ক্ষেত্রে লতানো গাছ বা গুল্মজাতীয় গাছই হবে আকর্ষণীয়। চাইলে দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখা মাটির পাত্রে গাছ লাগাতে পারেন। মানিপ্লান্ট বা পামের মতো ইনডোর প্লান্ট রাখুন। যাদের বারান্দায় রোদ কম আসে। এভাবে বারান্দায় আনুন সবুজের আমেজ। এ ছাড়া উইং চাইম, মাটির ঘণ্টা, ছোট ছোট ওয়াল হ্যাকিং দিয়ে সাজাতে পারেন বারান্দার দেয়াল। সেই সাথে অবশ্যই সুন্দর লাইটিং রাখুন। কারণ আলো ছাড়া সাজ অপূর্ণই রয়ে যাবে। তবে লক্ষ রাখতে হবে, পুরো সাজের মধ্যে যেন একটা সামঞ্জস্য থাকে। দিনশেষে প্রশান্তি খুঁজে পাওয়া যাবে আপনার হাতে সাজানো এই ছোট এক চিলতে বারান্দায়।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.