ঢাকা, সোমবার,২৩ অক্টোবর ২০১৭

কর্পোরেট দিগন্ত

ইউনেস্কোর আইসিটি ইন এডুকেশন পুরস্কারে ভূষিত হলো জাগো ফাউন্ডেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭,সোমবার, ০০:০০


প্রিন্ট

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ শিক্ষা খাতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (আইসিটি) সফল ব্যবহারের জন্য ইউনেস্কোর হেড কোয়ার্টার-প্যারিস, ফ্রান্সে জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা করভি রাকশান্দ ‘ইউনেস্কো কিং হামাদ বিন ইসা আল খলিফা’ পুরস্কার গ্রহণ করেন।
২০০৫ সাল থেকে ইউনেস্কো ইনোভেটিভ শিক্ষাব্যবস্থাকে স্বীকৃতি দিয়ে আসছে। ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ইরিনা বকোভা, একটি পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট আন্তর্জাতিক জুরি বোর্ড এবং আইসিটি খাতে বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় জাগো ফাউন্ডেশন এবং আর কিছু সংস্থাকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করেন।
বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়ের মধ্যে আইসিটির (ভিডিও কনফারেন্স) মাধ্যমে গুণগত মানের শিক্ষা প্রদান করাই হচ্ছে অনলাইন স্কুলের মূল উদ্দেশ্য। পুরস্কারটি ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক জুরির চেয়ারম্যান ড্যানিয়েল বারগশ এবং ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ইরিনা বকোভা। শায়খ মুহাম্দ বিন মুবারক আল খলিফা, মহামান্য উপ-বিষয়ক মন্ত্রীর উপস্থিতিতে ইউনেস্কোর হেড কোয়ার্টারে জাগোর প্রতিষ্ঠাতা করভি রাকসান্দের হাতে এ পুরস্কার হস্তান্তর করেন।
গ্রামীণফোন লিমিটেডের আর অগ্নি সিস্টেমস লিমিটেডের সহায়তায় জাগো ফাউন্ডেশন বর্তমানে ১০টি অনলাইন স্কুল পরিচালনা করছে দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে। এর পাশাপাশি জাগোর প্রচলিত ধারার তিনটি স্কুলও রয়েছে যেখানে দেশের সুবিধাবঞ্চিত শ্রেণীর শিশুরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে গুণগত মানসম্মত আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে সুশিক্ষিত ও দায়িত্বশীল সুনাগরিকে পরিণত হচ্ছে।
করভি রাকসান্দ নিজের বক্তব্যে তিনি জাগো ফাউন্ডেশনের গত ১০ বছরের প্রচেষ্টাকে সম্মানিত করার জন্য ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানান। একই সাথে তিনি গ্রামীণফোন লিমিটেড আর অগ্নি সিস্টেমস লিমিটেডকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান। কেননা তাদের সহযোগিতা ছাড়া জাগোর এই ১০ বছরের পথচলা হয়তো এতটাই সহজ হতো না। তিনি বলেন, এই পুস্কার শুধু জাগো ফাউন্ডেশনের আস্থাকেই জোরদার করবে না বরং গুণগত শিক্ষাকে ছড়িয়ে নিয়ে যাবে বিশ্বের দূরদুরান্তে। ২১ ফেব্রুয়ারি পুরস্কারটি তুলে দেয়ার জন্য তিনি ইউনেস্কোকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান, কেননা বাঙালি জাতির জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। ২০১০ সালে বাঙালির ভাষা আন্দোলনের এই দিনটি ইউনেস্কো থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। তিনি সব ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং পরে বাংলা ভাষায় সবাইকে ধন্যবাদ দিয়ে তার বক্তব্য শেষ করেন।

 

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫