ঢাকা, সোমবার,২৪ জুলাই ২০১৭

নারী

কালারস অব ফরটিন ১৪ কন্যার স্বপ্নযাত্রা

আঞ্জুমান আরা রুমা

২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭,সোমবার, ০০:০০


প্রিন্ট
কালারস অব ফরটিনে অংশগ্রহণকারী চিত্রশিল্পীরা

কালারস অব ফরটিনে অংশগ্রহণকারী চিত্রশিল্পীরা

শেষ হলো ১৪ জন নারী চিত্রশিল্পীর সাত দিনব্যাপী চিত্র শিল্প প্রদর্শনী ‘কালারস অব ফরটিন’
এ প্রদর্শনীতে উঠে এসেছে নারীশিল্পীদের স্বপ্ন, আশা ও পথচলার গল্প। শিল্পীদের
সাথে কথা বলে লেখাটি তৈরি করেছেন আঞ্জুমান আরা রুমা

‘কালারস অব ফরটিন’ একঝাঁক তারুণ্যদীপ্ত শিল্পীর নিজেদের কাজ তুলে ধরার গল্প। ১৪ জন চিত্রশিল্পী। সবাই নারী। সবাই একসাথে পাস করেছেন চারুকলা থেকে। তাদের মিলিত চিত্র প্রদর্শনীই কালারস অব ফরটিন। এ চিত্র প্রদর্শনীটি শুধু প্রদর্শনী নয়, বরং ১৪ জন নারীশিল্পীর স্বপ্ন, কাজ ও পথচলার গল্প। নিজেকে মেলে ধরার প্রয়াসও।
শুরুটা গত বছর কালারস অব থারটিনের মাধ্যমে। আর এ বছর তা কালারস অব ফরটিন নামে আত্মপ্রকাশ করেছে ১৪ জন শিল্পীর শিল্প প্রদর্শনীর মাধ্যমে। গত বছর ১৩ জন নারীশিল্পীর প্রদর্শনীর ভালো সাড়া পাওয়া গিয়েছিল। বিভিন্ন মহল এর ভূয়সী প্রশংসাও করেছে। বিক্রি হয়েছে তাদের শিল্পকর্মÑ ভীষণ ভালো লাগায় কেটেছে সারা বছর। এ বছর যোগ হয়েছেন আরো একজন সতীর্থ কানিজ সোহানী ইসলাম, যিনি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগে পড়াচ্ছেন। তাকে সাথে নিয়ে কালারস ফরটিনের এবারের উঠে আসার গল্প। গত এক বছর অদম্য পরিশ্রম। সুন্দর থেকে আরো সুন্দর করতে হবে এবারের প্রদর্শনী। এ ব্যাপারে উৎসাহ-উদ্দীপনার কমতি ছিল না কারো মধ্যে। দিন যত ঘনিয়ে এসেছে, রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা যেন নিজেকে শিল্পের মধ্যে ডুবিয়ে রেখেছেন তারা। তারপর গত ৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় তাদের স্বপ্নের মেলা।
চারুকলার প্রধান ফটক পার হতেই চোখে পড়ল বিশাল এক ব্যানার, যাতে শোভা পাচ্ছে আনন্দদীপ্ত উচ্ছল ১৪ জন শিল্পীর মুখশ্রী। যেন ১৪টি পায়রা নতুন করে উড়ছে একান্ত নিজের পৃথিবীতে। গ্যালারির ভেতর ঢুকতেই দ্বিমাত্রিক এবং ত্রিমাত্রিক শিল্পকর্মগুলো যেন কথা বলছে তাদের নিজস্ব ভাষায়। তখন বেলা সাড়ে ১১টা, দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন প্রদর্শনীতে। আমিও তন্ময় হয়ে দেখছিলাম এক একটি কাজ। আর ভাবছিলাম, এ শিল্প যেন যুগ-যুগান্তরের কোনো স্বপ্নের কথা বলছে। অথবা ফেলে আসা কিশোরী বেলার কথাÑ যা এ সময়ে এসে বারবার কড়া নাড়ছে। The Euphonic Nature of Nature নানান রঙের খেলাÑ গাঢ় নীল, হলুদ, সবুজ, কালো-সাদায় মেশানো অপূর্ব চোখ জুড়ানো ছবি, দেখতেই মন ভালো হয়ে যায়; কিন্তু বুঝতে পারছিলাম না, শিল্পী কী বোঝাতে চাইছেন। ততক্ষণে শিল্পী কানিজ সোহানী ইসলাম ক্লাস শেষ করে ফিরে এসেছেন গ্যালারিতে। নিজের শিল্পকর্ম সম্পর্কে বললেন, এ হচ্ছে প্রকৃতির আনন্দ প্রকাশের এক অপূর্ব খেলা।
উজ্জ্বলতাÑ প্রকৃতির মাঝে ছোট-বড় গাছ, লতা-পাতা, ফুল-ফল নানা রঙের এক অপূর্ব মিলনমেলা, বাতাসে একবার এদিক, আরেকবার ওদিক দুলে নিজেদের ভাব প্রকাশ করে। আমিও তাই আমার শিল্পের তুলির ছোঁয়ায় নানা রঙের আঁকিবুঁকিতে তাদের তুলে এনেছি আমার ক্যানভাসে। এ যেন মনুষ্য জীবনের প্রতিচ্ছবি।
সোহানীর স্বামী শাহজাহান আহমেদ বিকাশ একজন বিখ্যাত পোট্রেট আঁকিয়ে, দুই ছেলে নিয়ে তাদের সুখের সংসার। এত দিন তিনি সংসার আর শিক্ষকতা নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকলেও এখন তিনি নিয়মিত শিল্পচর্চা করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করলেন।
সুকন্যা আইনÑ একজন ভাস্কর্যশিল্পী। প্রকৃতিতে পড়ে থাকা অপ্রয়োজনীয় যেকোনো জিনিসকে তিনি শিল্পের রূপ দেন। তাই প্রকৃতি ও সাধারণ জীবনবোধ তাকে অসাধারণের দিকে টেনে নিয়ে যায়। তার ছবিতে মায়াবী হরিণকে একটি গভীর বনের মাঝে ঘুরে বেড়ানোর চারণভূমিতে ভীতসন্ত্রস্ত নিজের আবাসস্থল খুঁজে ফিরতে দেখা যাচ্ছে। যেখানে হরিণশাবক তার জীবনকে যাপন করতে পারে। যেহেতু বর্তমানে বনাঞ্চল ধ্বংসের নানা পাঁয়তারা চলছেÑ যা সেই নিরীহ হরিণশাবককেও বিচলিত করছে। এই শিল্পী বর্তমানে সানবিমস স্কুলে পড়াচ্ছেন। পাশাপাশি তার একটি ক্রিয়েটিভ আর্ট স্কুল ‘চারু কাননের’ প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন, যেখানে ছেলেমেয়েরা শিখছে সত্যিকারের মানুষ হওয়ার নানান কৌশল। আর গ্রুমিংয়ের মাধ্যমে শিখছে নিজেকে আবিষ্কার করতে।
চারুকলা অনুষদের (সিরামিক্স) রেহানা ইয়াসমিন শিখাÑ তার কাজ সম্পর্কে বলতে গিয়ে বললেন, আমি সব সময়ই কাজ করতে গিয়ে স্মৃতি রোমন্থন করি আর ফেলে আসা সময়গুলোকে প্রাধান্য দেই। আমার কেন যেন ফেলে দেয়া পুরনো কিছুর প্রতি দারুণ উন্মাদনা কাজ করেÑ তাই সেই বোধ থেকে আমি আমার ছেলেবেলাকে খুঁজে পেতে চাই। Childhood ভাস্কর্যটি আমার তেমনি একটি সৃষ্টি। একটি অনবদ্য ভাস্কর্য। এটা মূলত একটি পুরনো গাছের অংশবিশেষ, যেটাতে পুরনো লতাপাতা শুকিয়ে গেছে, অথচ একটি ছোট্ট কিশোরী দোল খাচ্ছে মনের আনন্দে। এ রকম দুরন্ত শৈশব আমার আপনার অনেকের জীবনেই আছে। তাই আমি এই শহুরে জীবনের ইট-পাথর সমৃদ্ধ কংক্রিটের পাষাণ জীবনকে আনন্দিত করতে চেয়েছি বর্তমান প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের জন্য।
ফারহানা আফরোজ বাপ্পিÑ চারুকলা অনুষদের ছাপচিত্র বিভাগের ছাত্রী হওয়া সত্ত্বেও তিনি সব মাধ্যমেই নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন। কাঠের কাজ, ভাস্কর্য নির্মাণ, শিল্পের নানা শাখায় তার পদচারণা সমান দক্ষতায় এগিয়ে চলেছে। গত ১৬ বছর বাঙাল ফ্যাশন হাউজের প্রতিষ্ঠাতা ও ডিজাইনার হিসেবে তাকে সবাই জানে, তার পরও শিল্পীর মনের ক্ষুধা কি মেটে? তাই তো ভাবছেন এখন থেকে তিনি শুধু শিল্পচর্চাই করবেন, ছবি আঁকছেন, কাজ করবেন শিল্পের সবগুলো মাধ্যমে। এত দিন ফ্যাশন হাউজ ও সন্তানদের সময় দিয়েছেন একনিষ্ঠভাবে। সন্তানেরা যেহেতু একটু বড় হয়েছে, তাই নিজের একান্ত শিল্পের পৃথিবীতে তিনি বিচরণ করতে চান। এ পর্যন্ত তার একক কোনো প্রদর্শনী হয়নি, নেপালের পার্ল গ্যালারিতে তার শিল্পকর্মের প্রদর্শনী হয়েছেÑ তবে সেটা ছিল গ্রুপ এক্সিবিশন ও নিজের বান্ধবীদের নিয়ে। এভাবে মেয়েরা যদি এগিয়ে আসে, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নারীশিল্পীদের আর বসে থাকতে হবে না। তারপরও কথা থেকে যায়, মেয়েদের ঘর-সংসার করেই সব করতে হয়। তা না হলে মেয়েদের আত্মতৃপ্তি আসে না। কারণ নিজের স্বামী-সন্তান একজন নারীর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। এই আজকের কালারস অব ফরটিনে বাপ্পির দুটো চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছেÑ যার নাম Impression-1, Impression-2, যা তিনি ক্যানভাসের ওপর এক্সেলিক কালারের কম্পোজিশন দেখিয়েছেন।
সদা হাস্যোজ্জ্বল উচ্ছল চঞ্চল স্বভাবের মেয়ে মুক্তি ভৌমিক। পুরো আয়োজনের পথিকৃৎ হিসেবে মুক্তির কথা বলে শেষ করা যাবে না। সতীর্থ বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ বছরান্তে গেট টুগেদার, স্বামী-সন্তান, সংসার গুছিয়ে শিল্পচর্চা করেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে। মাঝে কিছুটা বিরতি থাকলেও গত দুই বছর তিনি প্রচুর কাজ করেছেন। তাই গ্রুপ এক্সিবিশন ও একক এক্সিবিশন দেশ-বিদেশে বেশ কয়েকটিই হয়েছে তার, সামনে ইন্ডিয়াতেও হবে। মুক্তি বলেন, আমার স্বামী আমার কাজ খুবই পছন্দ করেন। তাই আমারও কাজ করতে ভালো লাগে। এই প্রদর্শনীতে আমার দু’টি পেইন্টিং ও চারটি ভাস্কর্য স্থান পেয়েছে। আমি নিজে যেহেতু মেয়ে, তাই আমার ভাস্কর্যে মেয়েরাই প্রাধান্য পায়Ñ Shepherdess অর্থাৎ মেয়ে রাখাল। সারা জীবন দেখে এসেছি ছেলে রাখাল, মেয়ে রাখাল হলে কেমন হয়, এই বোধ থেকে আমার এই শিল্পকর্মের সৃষ্টি এবং তাও আবার ছাগলের রাখাল।
শায়েলা আক্তারÑ ছাপ চিত্রকলার ছাত্রী, এই প্রদর্শনীতে তার তিনটি শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছেÑ তিন কন্যা, যুগল ও নির্জনে। তিনি সূক্ষ্ম সুই-সুতার গাঁথুনিতে নিজের শিল্প সৃষ্টি করেছেন। তিন কন্যা ছবি সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, এখানে তিন কন্যা মানে কন্যা, জায়া, জননী অথবা মা তার দুই কন্যাকে নিয়ে গল্প করছেন অথবা তিনজন প্রিয় বান্ধবী সুখ-দুঃখের আলাপচারিতায় নিজেদের ব্যাপৃত রেখেছেন। এমনি নানান ভাবনা এখানে কাজ করছে। দর্শক যা ভাবতে ভালোবাসবেন সেটাই এই ছবির উপজীব্য। আমি প্রতিষ্ঠিত একজন শিল্পী হতে চাই। আমি নারীবাদী নই। তবে শিল্পী হওয়ার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ কোনো পার্থক্য থাকা উচিত নয়।
মোর্শেদা হক বকুলÑ চারুকলা অনুষদের কারু শিল্প বিভাগের ছাত্রী। কালার অব ফরটিনের অন্যতম সদস্য। গত বছরও তার শিল্পকর্ম দর্শকনন্দিত হয়েছিল। এ বছর তিনি কাঠ খোদাই করে কারুকার্যময় দুটো শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে দিয়েছেন, যা খুব সহজেই সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। কাঠ খোদাই করে তার ওপর মেটাল ও রঙের অপূর্ব মিশ্রণে সুন্দর নারীর মুখশ্রী প্রকৃতিও আছে সাথে। যেন প্রকৃতি ও নারী একাকার হয়ে গেছে, কথা প্রসঙ্গে জানালেন আমাকে। চারুকলার সবগুলো মাধ্যমেই এই শিল্পীর পথচলা। যেমনÑ সুতা, উল, মাটি, কাঠ, রঙ সব কিছুতেই তার সমান দক্ষতা ও ব্যস্ততা। তিনি চান ভবিষ্যতে এ কাজের মাধ্যমে বেঁচে থাকার পথ যেন আরো প্রশস্ত হয়। যেহেতু বহু দিন পর একঝাঁক নারীশিল্পী বন্ধু এ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে, তাই এবারের প্রদর্শনীতে তিনি নারীচিত্রেরই প্রাধান্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি এখন পর্যন্ত একক প্রদর্শনী করিনি, তবে যৌথ প্রদর্শনী কয়েকবার করেছি।
মিষ্টি মেয়ে নিশাত চৌধুরী জুঁই ক্যানভাসে ডিমের খোসা সেঁটে তার ওপর এক্রেলিক কালার দিয়ে চমৎকার সূর্যমুখী ফুল এঁকেছেন। যা অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন। সদা হাসিখুশিতে ভরপুর উচ্ছল চঞ্চল মেয়েটি ছোটবেলা থেকেই ডানপিটে হিসেবে সবার কাছে ছিল পরিচিত। তারপরও চারুকলায় পড়াশোনা করা অবস্থায় অর্থাৎ ১৯৯৩ সালে তার বিয়ে হয়ে যায়। স্বামী-সংসার সব মিলিয়ে বহু দিন আর নিজের জন্য কাজ করেননি, তবে বিআইটি ও অন্য একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন। নিজের উত্তরার বাসায় গড়ে তুলেছেন ‘এসো ছবি আঁকি’ নামে ছোট্ট একটি আর্ট স্কুল, যাতে ছোটদের কলকাকলীতে মুখরিত থাকে সারা বিকেল। কখনো সকাল। পুরোদমে গৃহিণীপনার কারণে তার হাতের রান্নাও অসাধারণ। আচার, সেলাই, ফোঁড়াই এমনকি লেখালেখিতেও তার হাত পাকা। তাই তো গত ২০১৫ সালে চারুলিপি প্রকাশনী থেকে তার একটি কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে।
মনিরা সুলতানাÑ ভাস্কর্য শিল্পী কালারস অব ফরটিনে তার তিনটি টেরাকোটার কাজ স্থান পেয়েছে। মনোমুগ্ধকর কাজগুলো দেখলে মনে ভালো হয়ে যায়। এসব টেরাকোটা শৈল্পিক মনের অধিকারী কোনো ব্যক্তির বড় বড় অট্টালিকার দেয়ালে শোভা বর্ধন করে।
রেবেকা সুলতানাÑ এঁকেছেন ক্যানভাসে এক্রেলিক কালারের নারী চিত্রÑ যার নাম Onknown Love-70, তার মানে এই নারীশিল্পী তার ভালোবাসা কত রকমভাবে প্রকাশ করতে পারেন, তারই কিছু নমুনা এখানে উপস্থাপন করতে চেয়েছেন। হতে পারে সেটা প্রকৃতির প্রতি, অথবা নিরীহ পাখ-পাখালি বা শিশুর প্রতি।
এ ছাড়াও এ প্রদর্শনীতে রিফাত জাহান কান্তা, মরজিয়া সুমি, মনিডিপা দেশগুপ্তার অসাধারণ সৃষ্টি শিল্পানুরাগীদের তৃষ্ণা অনেকটাই পূরণ করতে পেরেছে বলে মনে হয়। ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রদর্শনীর সমাপ্তি হলেও এর রেশ থেকে যাবে ওইসব নারীশিল্পী আর দর্শকের মনে। এ প্রদর্শনী যেমন ১৪ জন নারীশিল্পীর ঘুরে দাঁড়ানোর পথ দেখাবে তেমনি হয়তো অনেক নারী-দর্শকের প্রেরণা হিসেবেও কাজ করবে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫