ঢাকা, রবিবার,২৬ মার্চ ২০১৭

বিবিধ

তেহারি-বিরিয়ানি বিক্রি অনেকাংশেই বন্ধ

নয়া দিগন্ত অনলাইন

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭,বুধবার, ১৫:৪৫


প্রিন্ট

গরু এবং খাসির গোশত যাদের পছন্দ তারা পড়েছেন বেশ বিপাকে। অন্তত কয়েক দিনের জন্য তাদের এ বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে। কারণ কয়েক দিন ধরে ঢাকায় চলছে গোশত ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট। অনেকের পছন্দ কাচ্চি বিরিয়ানি, বিফ ভুনা খিচুরি, গরু বা খাসির কাবাব এখন সহজে মিলছে না।
ঢাকার অধিকাংশ হোটেল গরু এবং খাসির গোশতশূন্য গত সোমবার থেকে। গোশত ব্যবসায়ীদের ডাকা ধর্মঘট চলবে আগামী শনিবার পর্যন্ত।
ঢাকা একটি পরিচিত হোটেল স্টার কাবাব এবং রেস্টুরেন্টেরে একজন ম্যানেজার ফয়সাল আহমেদ জানালেন গরু এবং খাসির মাংসের চাহিদা তাদের হোটেলে সবচেয়ে বেশি। গত কয়েকদিন ধরে কাচ্চি বিরিয়ানিসহ গরু এবং খাসির গোশতের সাথে সম্পৃক্ত খাবার তারা তৈরি করতে পারছেন না।
ঢাকা আরেকটি হোটেলের ম্যানেজার জানালেন, প্রতিদিন তারা গড়ে এক শ' প্যাকেট কাচ্চি বিরিয়ানি বিক্রি করতেন। কিন্তু গোশত ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট শুরুর পর থেকে কাচ্চি বিরিয়ানি বন্ধ আছে।
গোশত ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাঁদাবাজি বন্ধ এবং আরো কয়েকটি দাবি বাস্তবায়নের জন্য তারা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। ফলে ঢাকা শহরের বিভিন্ন বাজার এবং পাড়া-মহল্লায় সাড়ে চার হাজার গোশতের দোকান বন্ধ আছে বলে জানালেন বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম।
তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন জায়গায় বাড়তি টাকা এবং চাঁদা দেবার কারণে গরুর গোশতের কেজি ৪৫০ টাকা দরে বিক্রি করেও পুষিয়ে উঠা সম্ভব হচ্ছে না ।
তবে ঢাকার অভিজাত হোটেলগুলোতে গরু এবং খাসির গোশতের আইটেম তৈরি হচ্ছে। এছাড়া অভিজাত সুপার-শপগুলোতে গরু এবং খাসির গোশত বিক্রি হচ্ছে।
ঢাকার ধানমন্ডিতে একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টের এক ম্যানেজার জানালেন, তাদের স্টকে গরু এবং খাসির গোশত ছিল। ফলে মঙ্গলবার পর্যন্ত তারা কাস্টমারদের চাহিদা পূরণ করতে পেরেছেন। কিন্তু বুধবার থেকে সেটি আর সম্ভব হবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, শহরজুড়ে গরু এবং খাসির গোশতের দোকান বন্ধ থাকায় মুরগির দাম বেড়েছে। এমন অবস্থায় যাদের পছন্দের তালিকায় গরু এবং খাসির গোশত রয়েছে তাদের আরো কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হবে।
সূত্র : বিবিসি

 

  • সর্বশেষ
  • পঠিত

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫