ঢাকা, রবিবার,২৩ এপ্রিল ২০১৭

রকমারি

সবার জন্য ভালোবাসা

জারীন তাসনিম

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭,সোমবার, ১৭:১৫ | আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭,সোমবার, ২০:২৭


প্রিন্ট

ভালোবাসার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে ২৭০ খ্রিষ্টাব্দে রোমের যাজক ভ্যালেন্টাইন সম্রাটের কোপানলে পড়েন। তিনি ভ্যালেন্টাইনকে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুদণ্ড দেন। সেই থেকে পাশ্চাত্যে ভ্যালেন্টাইনের নাম অনুসারে পালন করা হয় ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবস। ভ্যালেন্টাইন ডে উদযাপনের ইতিহাস সম্পর্কে এমনটাই বলা হয়েছে। আমাদের দেশে দিবসটি উদযাপনের কালচার খুব বেশি দিনের পুরনো নয়। তবে ইতোমধ্যে এর ব্যাপ্তি উল্লেখ করার মতো।
ভালোবাসা শব্দটির ব্যাপকতা বুঝিয়ে বলার অপেক্ষা রাখে না। মানুষের জীবনের প্রতিটি সম্পর্কের সাথে জড়িয়ে থাকে ভালোবাসা এবং সেটা প্রতিটি ক্ষণের জন্য, তাই বিশেষ দিন ধরে ভালোবাসার তেমন অর্থপূর্ণ নয়, তবে তার উদযাপন তো হতেই পারে। আর সেটা হতে পারে প্রতিটি সম্পর্কের ক্ষেত্রে। কারণ ভালোবাসা সার্বজনীন।
ভালোবাসার কোনো শ্রেণী নেই। বাবা-মায়ের জন্য সন্তানের, ভাইয়ের জন্য বোনের, স্বামী-স্ত্রী, বন্ধু-পরিজন সবার জন্যই সবার ভালোবাসা থাকতে পারে। সর্বোপরি দেশের প্রতিও মানুষের ভালোবাসা থাকতে পারে। এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসিফ বলেন, এক দিনের জন্য ভালোবাসা দেখানোর তেমন গুরুত্ব আছে বলে আমার মনে হয় না, কারণ এর ব্যাপ্তি অনেক। অনেকেই এ দিবসকে প্রেমের মধ্যে আটকে ফেলেছেন। এভাবে দিবসটি না দেখে বরং দিবসটি সার্বজনীনভাবে দেখলে মনে হয় আরো ভালো হয়।
একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা তানভীর জানান, ভালোবাসার নির্দিষ্ট কোনো দিনক্ষণ নেই। তবে এ দিনটি উপলক্ষে ভালোবাসা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া উচিত। এতে সবার মধ্যে সম্প্রীতির ব্যাপারটা বাড়বে বলেই আমার বিশ্বাস। ইদানীং নিজেদের মধ্যে সম্প্রীতির বড়ই অভাব আছে বলে মনে হয়। তাই এ দিনে বরং আরো আন্তরিক করার চেষ্টা করা যেতে পারে।
ভালোবাসা ছড়িয়ে দিন সবার মাঝে। এমনটি রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা কোনো অসহায় মানুষের মাঝেও কেন নয়। এর জন্য প্রয়োজন শুধু মনের উদারতা। আসুন নতুনভাবে মূল্যায়ন করি ভ্যালেন্টাইন ডে।
এ দিনে প্রিয়জনদের প্রিয় কোনো উপহার দিয়ে চমকে দিতে পারেন। তার জন্য কিনে ফেলুন চমৎকার কোনো উপহার। ভ্যালেন্টাইন ডে উপলক্ষে রেস্টুরেন্টগুলোতে বিভিন্ন আয়োজন থাকে। পছন্দমতো কোনো রেস্টুরেন্টে ডিনার বা লাঞ্চে যেতে পারেন প্রিয় মানুষদের নিয়ে। অথবা ঘরেও করতে পারেন বিশেষ কোনো আয়োজন। ঘুরে আসতে পারেন প্রিয় কোনো জায়গা থেকে। কোনো ফেস্টিভ্যাল বা খেলা থেকে। এমনকি এক সাথে সিনেমাও দেখা যেতে পারে। বন্ধুরা মিলে করতে পারেন একটা আড্ডার আয়োজন। পরস্পরের প্রতি মমতা, আন্তরিকতা, সৌহার্দ্য ও প্রেমের গভীরতা নিয়ে উদযাপিত হোক ভালোবাসা দিবস।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫