ঢাকা, সোমবার,২৪ জুলাই ২০১৭

বিবিধ

তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে : প্রধান তথ্য কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ১৮:৫৯


প্রিন্ট

প্রধান তথ্য কমিশনার অধ্যাপক ড. মোঃ গোলাম রহমান বলেছেন, প্রজাতন্ত্রের সব কাজ জনগণের উদ্দেশ্যে, জনগণকে নিয়ে। এজন্য প্রথাগত ধ্যান-ধারনা থেকে বেরিয়ে এসে জনগণের অংশদারিত্বে কাজ করতে হবে এবং জনগণ তথ্য চাইলে তাদের তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজউকের সম্মেলন কক্ষে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ অবহিতকরণ সংক্রান্ত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

রাজউক চেয়ারম্যান এম বজলুল করিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য কমিশনার নেপাল চন্দ্র সরকার।

বক্তব্য রাখেন রাজউকের সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) আকতার উজ জামান, সদস্য (উন্নয়ন) আবদুর রহমান, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) আসমাউল হোসেন, সদস্য (পরিকল্পনা) জিয়াউল হাসান প্রমুখ।

প্রধান তথ্য কমিশনার বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে জনগণের তথ্যের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এ অধিকারকে আরো শক্তিশালী করতে তথ্য অধিকার আইন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, জনগণ সেবা দাতাদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে সেই তথ্য কাজে লাগিয়ে জীবনের মানোন্নয়ন করে। তাই জনগণকে তথ্য অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে হবে এবং সেবা দাতাদেরও স্ব-প্রণোদিত হয়ে তথ্য সরবরাহ করতে হবে।

নেপাল চন্দ্র সরকার বলেন, সেবা গ্রহিতা যদি যথাযথভাবে তথ্যের জন্য আবেদন করে এবং সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তথ্য কর্মকর্তা যদি তথ্য প্রাপ্তির আবেদন গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায় বা ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য সরবরাহ করতে বিলম্ব করে বা মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে তাহলে আবেদনের তারিখ হতে সরবরাহের তারিখ পর্যন্ত প্রতি দিনের জন্য ৫০ টাকা হারে জরিমানা আরোপ করা যাবে। এমনকি তথ্য কমিশন সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করতে পারে।

এম বজলুল করিম চৌধুরী বলেন, তথ্য অধিকার আইনের মূল দর্শন হলো স্বচ্ছতা। স্বচ্ছতার সাথে ন্যায়ভিত্তিক কাজ করলে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি কমবে এবং তথ্য সরবরাহ করতেও কোনো সমস্যা হবে না।

অন্যদিকে, তথ্য সরবরাহ করতে অপরগতা প্রকাশ করলে বোঝা যাবে কাজের মধ্যে স্বচ্ছতা নেই।

তিনি জানান, রাজউকে সেবা গ্রহীতাদের সেবা ত্বরান্বিত করতে তাদের বিভিন্ন অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সপ্তাহের প্রতি সোমবার গণশুনানি গ্রহণ, অটোমেশন ব্যবস্থা চালু, কাস্টমার সেটিসফেকশন ফিডব্যাক চালু, অনলাইনে ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র প্রদান ইত্যাদি।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫