ঢাকা, রবিবার,১৯ নভেম্বর ২০১৭

বিবিধ

ফাল্গুনে ফুল

সাতরঙ প্রতিবেদক

০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭,সোমবার, ১৭:০৭


প্রিন্ট

ফেব্রুয়ারি মাস আমাদের জীবনে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এ মাসেই উদযাপন করা হয় শহীদ দিবস। ভাষা আন্দোলনের বীর সেনানিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে। অন্য দিকে, এই মাসেই উদযাপিত হবে পয়লা ফাল্গুন উৎসব ও ভালোবাসা দিবস। তার জন্যও তো চাই ফুল। ফাল্গুনের প্রথম দিনে নারীরা শাড়ি পরে খোঁপায় গুঁজে দেয় ফুলের মালা, ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে একে অন্যকে জানায় ফুলের শুভেচ্ছা। আর এসবের জন্য অপরিহার্য হচ্ছে ফুল।
এ সময় বাজারে রঙে-বেরঙের ফুল পাওয়া যায়। গাঁদা, গোলাপ, রজনীগন্ধা, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, জারবেরা আরো কত ফুল। বসন্তের প্রথম দিনে অনেকেই বাসন্তি শাড়ির সাথে গাঁদা ফুল পরে থাকেন। গাঁদা বা রজনীগন্ধার ফুল ও মালা দুটোই কিনতে পারবেন। দাম পরবে ৫০ টাকার মধ্যে। তবে এখন ফুল দিয়ে তৈরী গয়নাগুলো যেকোনো উৎসবে খুব জনপ্রিয়। দামও বেশি নয়। ৫০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে পেয়ে যাবেন। এ ছাড়া রয়েছে ফুলের স্টিক। ফুল অনুযায়ী প্রতিটি স্টিক বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ৫০ টাকায়।
১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে ফুলের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। কারণ এ দিন শুভেচ্ছা বিনিময়ে ফুলই সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়। গোলাপ, জারবেরা, অর্কিড, জিনিয়া- এসব ফুলের বেশ চাহিদা দেখা যায়।
২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা দিবসের মহত্ত্ব দেশের সীমানা ছাড়িয়ে এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বীকৃত। এ দিন শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে নামে মানুষের ঢল। ফুলের স্টিক, তোড়া, বাকেট নানাভাবে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধানিবেদন করা হয়। এগুলো ফুলের দোকানে এমনিতেই পাওয়া যায়। তবে এদিন সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ফুলের রিং। ফুলের রিংয়ের দাম পড়বে ৫০০ থেকে পাঁচ হাজার টাকা। তবে রিং তৈরির ক্ষেত্রে দোকানিরা এক সপ্তাহ আগে অর্ডার নিয়ে থাকেন।

কোথায় কিনবেন ফুল : ঢাকার সবচেয়ে বড় ফুলের বাজার রয়েছে হাইকোর্ট, শাহবাগ ও কাঁটাবনে। এ ছাড়া শহরের প্রায় সব এলাকাতেই রয়েছে ছোট বড় ফুলের দোকান।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫