ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২৫ মে ২০১৭

ব্যক্তি ও ব্যক্তিত্ব

কেন গোটা বিশ্বের কাছে ত্রাস পুতিন? জানুন ১০টি কারণ

১৫ জানুয়ারি ২০১৭,রবিবার, ১৮:১৯


প্রিন্ট

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নাম বললেই অনেকের চোখের সামনে ভেসে ওঠে একটি ডাকাবুকো চরিত্র৷ বিশ্ব রাজনীতিতে যতই টানাপোড়েন থাকুক না কেন, আমেরিকা-র মতো দেশকেও দমিয়ে রেখেছে পুতিনের নেতৃত্বাধীন মস্কো৷ অনুগামীদের কাছে পুতিন ‘বস অফ দ্য ওয়ার্ল্ড’৷ আসুন তাঁর সম্পর্কে ১০টি এমন তথ্য জেনে নিন, যেগুলি পড়লেই বুঝবেন কেন তাকে বিশ্বের ত্রাস বলা হয়৷

১. কেজিবির ১৬ বছরের প্রশিক্ষণ : রুশ গোয়েন্দা বিভাগে ১৬ বছর কর্মরত ছিলেন পুতিন৷ তাঁ শত্রুরা যেন এই কথাটা ভুলে না যায়৷

২. শিকারি পুতিন : শিকার করা পুতিনের অন্যতম শখ৷ এ বিষয়ে সংবাদসংস্থা রয়টার্সের একটি ছবি বিশেষ জনপ্রিয়৷ ওই ছবিতে পুতিনকে একটি স্নাইপার গান হাতে, খালি গায়ে শিকার করতে দেখা যাচ্ছে৷ পুতিনের অনুগামীরা বলেন, আমেরিকা হোক বা হরিণ, শিকারে দক্ষ পুতিন৷

৩. তিমি শিকার : গভীর সমুদ্রে তিমি ধরার শখ রয়েছে পুতিনের৷ তবে শিকার করা তিমিটি মেরে না ফেলে ফের সমুদ্রে ভাসিয়ে দেন৷

৪. বাইক-প্রীতি : পুতিনের বাইকের নামের তর্জমা করলে দাঁড়ায় ‘ধ্বংসের প্রতীক৷’

৫. সাঁতারু পুতিন : ছুটি কাটাতে গেলে বরফ হয়ে যাওয়া সাইবেরিয়ান হ্রদে সাঁতার কাটেন রুশ প্রেসিডেন্ট৷

৬. রাইফেল নির্বাচন : রুশ প্রশাসনিক কর্তারা বলেন, প্রতিরক্ষা বিভাগে কোন অস্ত্র ব্যবহৃত হবে, সেটা নিজের হাতে বেছে দেন প্রেসিডেন্ট৷ প্রাক্তন কেজিবি চরের নিখুঁত নির্বাচন পদ্ধতির উপর বিশ্বাস রেখে কখনও ঠকেননি বলেই জানিয়েছেন রুশ সামরিক বিশেষজ্ঞরা৷
৭. বাঘ-বন্দী : পুতিন নাকি খালি হাতে বাঘের সঙ্গে লড়াই করতে পারেন৷
৮. খেলোয়াড় পুতিন: ফিনল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফ্রেন্ডলি হকি ম্যাচে রাশিয়াকে নেতৃত্ব দিয়েছেন পুতিন৷

৯. ব্ল্যাক বেল্ট : সিক্সথ ডিগ্রি জুডো ব্ল্যাক বেল্ট রয়েছে পুতিনের৷

১০. গাড়ি প্রেম : রেস ট্র্যাকে ফর্মুলা ওয়ান গাড়িও চালান পুতিন৷

জেনে রাখা ভালো, পুতিন কিন্তু পিয়ানোও বাজাতে পারেন৷ বন্ধুদের সঙ্গে বসে মস্কোর পানশালাতে সকার ম্যাচ দেখেন৷

পৃথিবীতে কী এমন কোনো কাজ আছে যা পুতিন পারেন না?
সূত্র : ওয়েবসাইট

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫