ঢাকা, সোমবার,২৭ মার্চ ২০১৭

প্রথম পাতা

বাংলাদেশে অবস্থানরত মিয়ানমারের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বাসস

১২ জানুয়ারি ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ০০:২৯


প্রিন্ট

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে অবস্থানরত মিয়ানমারের নাগরিকদের সে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য মিয়ানমারের প্রতি তার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
গতকাল সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে মিয়ানমারের সফররত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উ কিয়াও টিন সাক্ষাৎ করতে এলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই দেশ আলোচনার মাধ্যমে শরণার্থী সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধানে উপনীত হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের এ বিষয়ে অবহিত করেন।
প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিষয়ে তার সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির পুনরুল্লেখ করে বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রতিবেশী কোনো দেশের বিরুদ্ধে কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য কোনো সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে তার ভূখণ্ড ব্যবহারের সুযোগ দেবে না।’
দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সব সময় তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে।
তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারের সাথে সম্পর্ককে আরো জোরদার করতে সম্ভাব্য সব কিছুই করা হবে।’
তার সরকারের শাসনামলে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের এই উন্নয়ন অভিজ্ঞতা থেকে মিয়ানমার শিক্ষা নিতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
বৈঠককালে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে অং সান সু চির একটি চিঠি হস্তান্তর করেন ও বলেন, বাংলাদেশের সাথে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো গভীর এবং সহযোগিতাপূর্ণ করতে ইচ্ছুক মিয়ানমার।
দুই দেশের মধ্যে একটি সীমান্ত লিয়াজোঁ অফিস খোলার বিষয়েও এ সময় মিয়ানমারের প্রতিমন্ত্রী গুরুত্বারোপ করেন।
উ কিয়াও টিন দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে তথ্যবিনিময়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে- পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব সুরাইয়া বেগম, পররাষ্ট্র সচিব মো: শহীদুল হক এবং ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ মিয়ো মিন্ট উপস্থিত ছিলেন।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন
চেয়ারম্যান, এমসি ও প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

ব্যবস্থাপনা পরিচালক : শিব্বির মাহমুদ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫