ঢাকা, বুধবার,১৩ ডিসেম্বর ২০১৭

নগর মহানগর

ইন্সপায়ার প্রকল্পের রিপোর্ট প্রকাশ করল ব্রিটিশ কাউন্সিল

১২ জানুয়ারি ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ০০:২৯


প্রিন্ট

‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপস ইন রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন (ইন্সপায়ার)’ শীর্ষক প্রকল্পের রিপোর্ট আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করল ব্রিটিশ কাউন্সিল ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বাংলাদেশ। ঢাকাস্থ ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ কার্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে ওই রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে উচ্চপর্যায়ের গঠনমূলক সম্পর্ককে আরো জোরদার করার লক্ষ্যে ইন্সপায়ার প্রকল্পটি গত ২০০৯ সালে হাতে নেয় ব্রিটিশ কাউন্সিল। বাংলাদেশসহ আরো নির্ধারিত কয়েকটি দেশ এ প্রকল্পের আওতায় রয়েছে।
গত ২০০৯ সালে ৯টি প্রকল্পের সমন্বয়ে ইন্সপায়ার প্রকল্প শুরু করে ব্রিটিশ কাউন্সিল। জৈবপ্রযুক্তি ও জীনতত্ত্ব প্রকৌশলী, শিক্ষাদানের পদ্ধতিসংবলিত ইংরেজি ভাষা, নবায়নযোগ্য ও বিকল্প শক্তি, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, থিয়েটার ও ফ্যাশন এবং চারুকলা বিষয়গুলো নিয়ে ওই প্রকল্প সম্পন্ন করা হয়। বাংলাদেশের ২৩টি বিশ^বিদ্যালয় এবং যুক্তরাজ্যের ২৩টি বিশ^বিদ্যালয়ে সব মিলিয়ে ২৩টি প্রকল্প সম্পাদনে সহযোগিতা প্রদান করেছে ইন্সপায়ার। ইন্সপায়ারের সর্বশেষ প্রকল্প শেষ হবে আগামী ২০১৮ সালে।
রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান। অন্যদের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের কান্ট্রি ডিরেক্টর বারবারা উইকহ্যাম, ইন্সপায়ার প্রকল্পের প্রধান, এক্সটার্নাল কনশালটেন্টস এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের কান্ট্রি ডিরেক্টর বারবারা উইকহ্যাম বলেন, ব্যক্তি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উচ্চশিক্ষা ও সমাজের ওপর ইন্সপায়ারের ইতিবাচক প্রভাব নিয়ে আমরা পুরোপুরি আবিষ্ট। আর্থসামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে এটি উন্নত একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। এ ছাড়া ওই প্রকল্প প্রযুক্তি ও নীতিমালা উন্নয়ন সম্পর্কিত জ্ঞানের আদান-প্রদান আগের থেকে অনেক সহজ করে দিয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে একটি টেকশই অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে এ প্রকল্পটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। প্রকল্পটির মাত্রা সুবিশাল আর যদি সামগ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায় তবে বলতে হয় টেকশই সামাজিক উন্নয়নে এর প্রভাব ইতিবাচক।
স্পন্সর ও প্রয়োগকারীদের মূল্যায়নের প্রভাবের ফলাফল সবার সাথে আদান-প্রদানই ইন্সপায়ারের লক্ষ্য। ভবিষ্যতে কেউ যদি এ ধরনের কাজে আগ্রহী হয় তবে ব্রিটিশ কাউন্সিলের পরিচালনায় সম্পাদিত ইন্সপায়ারের ফলাফল ব্যাপকভাবে সহায়ক উপকরণ হিসেবে কাজে দেবে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক ব্রিটিশ কাউন্সিলের একজন কনসালটেন্ট একটি রিভিউ পরিচালনা করেন যেখানে মানদণ্ড ও ইতিবাচক প্রভাবের ওপর ভিত্তি করে দু’টি দেশের মধ্যে গঠনমূলক অংশীদারিত্ব একটি কার্যকর পদক্ষেপ বোঝানো হয়েছে।
গত ২০১৬ সালে একজন এক্সটার্নাল কনসালটেন্ট বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের প্রকল্প পরিচালকদের সহায়তায় ওই প্রকল্পের প্রভাব মূল্যায়ন করেন। বিজ্ঞপ্তি।

 

 

অন্যান্য সংবাদ

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫